সিলেট ১০:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
নবীগঞ্জ-বানিয়াচং সড়কে মাইক্রোর ধাক্কায় সিএনজি চূর্ণ-বিচূর্ণ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় বানিয়াচংয়ের আব্দুল খালিকের মৃত্যু, আহত ২‎ ‎সিলেটে সিএনজি-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে শিশু নিহত: ঘাতক চালক রুমেল গ্রেপ্তার ‎৩৭ বছরে চুনারুঘাট সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ, ‘বৈচিত্র্যের উৎসব ‎সিলেটে শব্দ ও পরিবেশ দূষণের দায়ে ১৪ ট্রাকচালককে জরিমানা ‎লাউয়াছড়ায় পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের বগির হুক ছিঁড়ে রেল যোগাযোগ বন্ধ‎ ১৪৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা চালুর উদ্যোগ মাধবপুরে ‎গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবে টানা দ্বিতীয়বার সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন কে এম লিমন জামালপুরে ট্রেনের ধাক্কায় বয়োবৃদ্ধ জেলের মর্মান্তিক মৃত্যু জামালপুরে ৫ম উপজেলা কাব ক্যাম্পুরী উদ্বোধনে আদর্শিক চর্চা বাড়ানোর আহ্বান এমপি মামুনের কুলাউড়ায় ৮ হাজারের বেশি পানগাছ রাতে আঁধারে কেটে ফেলেছে দূর্বৃত্তরা!

‎বানিয়াচংয়ে চড়াদামে গোপনে বিক্রি হচ্ছে অকটেন, পেট্রোল।‎



‎
‎হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে চড়াদামে গোপনে অকটেন, পেট্রোল বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। দেড় থেকে দুইগুণ টাকা দিলেই নিয়মিত পাওয়া যাচ্ছে পেট্রোল, অকটেন। অভিযোগ রয়েছে উপজেলা সদরের বড় বাজার, নতুন বাজার, ছিলাপাঞ্জা পয়েন্ট বাজার, শরীফ উদ্দিন রোড পয়েন্ট বাজার, আদর্শ বাজার, বাবুর বাজার সহ বিভিন্ন পয়েন্টের দোকান গুলোতে দুই থেকে আড়াইশত টাকায় প্রতি লিটার অকটেন,পেট্রোল গোপনে বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া যায়।
‎
‎ভুক্তভোগীদের মতে দেশে সংকট থাকলে টাকা দিয়েও তো অকটেন, পেট্রোল পাওয়ার কথা নয়। গোপনে অতিরিক্ত টাকা দিলে পাওয়া যায় অকটেন, পেট্রোল। সাধারণ মানুষ এক ভয়ংকর সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি। বাধ্য হয়েই গোপনে অতিরিক্ত মূল্যে অকটেন, পেট্রোল কিনতে হচ্ছে মোটরসাইকেল চালকদের।
‎তাছাড়া ভাড়তি লাভের জন্য মুদি দোকানি সহ সাধারণ দোকানদারও এখন অবৈধভাবে অকটেন, পেট্রোল মজুদ করে তেল ব্যবসায়ী সেজেছে। অকটেন, পেট্রোল প্রতি লিটার দুই থেকে আড়াইশত টাকা দরে কিনতে গিয়েও হট্টগোল বাধে। মটরসাইকেল ব্যবহারকারীদের এ যেন এক ভয়াবহদূরাবস্থা শুরু হয়েছে।
‎
‎এর মধ্যে গেলো ১লা এপ্রিল বুধবার বানিয়াচংয়ে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে জ্বালানি তেল বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা বেগম সাথীর নেতৃত্বে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯–এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তিনটি পৃথক মামলায় তিন ব্যবসায়ীকে মোট ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রি বন্ধে অভিযান চালানো হয়।
‎
‎সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অতিরিক্ত দাম আর গোপনে বিক্রির প্রতিবাদ করতে দেখা গেছে অনেককেই। পেট্রোল, অকটেনের চড়া দাম আর গোপনে বিক্রির কারণে মটরসাইকেল চলাচল সীমিত হয়েছে বলেও দেখা যায়। মটরসাইকেল চালাক মো: মুজাম্মিল মিয়া জানান, পেট্রোলের অভাবে মটরসাইকেল চলাচল সীমিত করে দিয়েছি। এমন সংকট হবে, কল্পনাও করিনি। এখন অনেকেই বাধ্য হয়ে বেশি দামে তেল কিনতে হচ্ছে।
‎
‎উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা বেগম সাথী বলেন, অবৈধ তেল মজুদকারী আর অতিরিক্ত দামে বিক্রয়কারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত আছে। আপনারা তথ্য দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন আমরা ব্যবস্থা নেবো।
‎
‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নবীগঞ্জ-বানিয়াচং সড়কে মাইক্রোর ধাক্কায় সিএনজি চূর্ণ-বিচূর্ণ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় বানিয়াচংয়ের আব্দুল খালিকের মৃত্যু, আহত ২‎

‎বানিয়াচংয়ে চড়াদামে গোপনে বিক্রি হচ্ছে অকটেন, পেট্রোল।‎

সময় ০৯:৪৭:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬



‎
‎হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে চড়াদামে গোপনে অকটেন, পেট্রোল বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। দেড় থেকে দুইগুণ টাকা দিলেই নিয়মিত পাওয়া যাচ্ছে পেট্রোল, অকটেন। অভিযোগ রয়েছে উপজেলা সদরের বড় বাজার, নতুন বাজার, ছিলাপাঞ্জা পয়েন্ট বাজার, শরীফ উদ্দিন রোড পয়েন্ট বাজার, আদর্শ বাজার, বাবুর বাজার সহ বিভিন্ন পয়েন্টের দোকান গুলোতে দুই থেকে আড়াইশত টাকায় প্রতি লিটার অকটেন,পেট্রোল গোপনে বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া যায়।
‎
‎ভুক্তভোগীদের মতে দেশে সংকট থাকলে টাকা দিয়েও তো অকটেন, পেট্রোল পাওয়ার কথা নয়। গোপনে অতিরিক্ত টাকা দিলে পাওয়া যায় অকটেন, পেট্রোল। সাধারণ মানুষ এক ভয়ংকর সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি। বাধ্য হয়েই গোপনে অতিরিক্ত মূল্যে অকটেন, পেট্রোল কিনতে হচ্ছে মোটরসাইকেল চালকদের।
‎তাছাড়া ভাড়তি লাভের জন্য মুদি দোকানি সহ সাধারণ দোকানদারও এখন অবৈধভাবে অকটেন, পেট্রোল মজুদ করে তেল ব্যবসায়ী সেজেছে। অকটেন, পেট্রোল প্রতি লিটার দুই থেকে আড়াইশত টাকা দরে কিনতে গিয়েও হট্টগোল বাধে। মটরসাইকেল ব্যবহারকারীদের এ যেন এক ভয়াবহদূরাবস্থা শুরু হয়েছে।
‎
‎এর মধ্যে গেলো ১লা এপ্রিল বুধবার বানিয়াচংয়ে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে জ্বালানি তেল বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা বেগম সাথীর নেতৃত্বে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯–এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তিনটি পৃথক মামলায় তিন ব্যবসায়ীকে মোট ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রি বন্ধে অভিযান চালানো হয়।
‎
‎সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অতিরিক্ত দাম আর গোপনে বিক্রির প্রতিবাদ করতে দেখা গেছে অনেককেই। পেট্রোল, অকটেনের চড়া দাম আর গোপনে বিক্রির কারণে মটরসাইকেল চলাচল সীমিত হয়েছে বলেও দেখা যায়। মটরসাইকেল চালাক মো: মুজাম্মিল মিয়া জানান, পেট্রোলের অভাবে মটরসাইকেল চলাচল সীমিত করে দিয়েছি। এমন সংকট হবে, কল্পনাও করিনি। এখন অনেকেই বাধ্য হয়ে বেশি দামে তেল কিনতে হচ্ছে।
‎
‎উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা বেগম সাথী বলেন, অবৈধ তেল মজুদকারী আর অতিরিক্ত দামে বিক্রয়কারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত আছে। আপনারা তথ্য দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন আমরা ব্যবস্থা নেবো।
‎
‎