সিলেট ০২:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
News Title :
‎দিরাই’র মিতা হত্যা মামলার নারী আসামী সিলেটে র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার ‎মাধবপুরে সালিশ বৈঠকে ভিডিও ধারণ নিয়ে  সংঘর্ষ, আহত ৩০ বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাবের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ‎কালের কণ্ঠে যোগ দিলেন সাংবাদিক আবু বকর সিদ্দিক চৌধুরী রাষ্ট্রীয় সম্মানে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিনের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন ‎চুনারুঘাটে অবৈধ সিলিকা বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান ‎মাধবপুরে অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, ড্রেজার ও পাইপ ধ্বংস ‎ভোরের নীরবতা ভেঙে পুলিশের অভিযান, ৭.৫ কেজি গাঁজাসহ আটক মাদক কারবারি ‎হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে ‘আমার আব্বা’ গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বানিয়াচং সাহিত্য পরিষদ পুনর্গঠন: সভাপতি জসিম, সম্পাদক শাহাব

‎বিয়ানীবাজারে প্রশাসক পদে কে আসছেন? চূড়ান্ত ঘোষণার আগে তুঙ্গে লবিং!





‎স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং উন্নয়ন কর্মকান্ডকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে উপজেলা পরিষদ এবং পৌরসভায় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। দেশের ৪২ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগের পর এবার সারা দেশের উপজেলা পরিষদের প্রশাসক এবং পৌরসভার প্রশাসক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে সরকার।

‎স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, যে কোনো সময় উপজেলা ও পৌর পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ হতে পারে। এমন ঘোষণার পর বিয়ানীবাজারজুড়ে সম্ভাব্যদের মধ্যে বেশ তোড়জোড় শুরু হয়েছে। আর কৌতুহলী সচেতন মহল আছেন অপেক্ষায়। সরকারের এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে স্থানীয় সরকারের এই পরিষদগুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকারের এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিয়ানীবাজারে রাজনীতির অন্দরমহল থেকে শুরু করে চায়ের আড্ডা সবখানেই এখন একটাই প্রশ্ন কার ভাগ্যে জুটছে উপজেলা কিংবা প্রশাসকের চেয়ার?

‎নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক দায়িত্ব অর্পণের জন্য একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করেছে দলীয় হাইকমান্ড।

‎গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তৈরি করা এই তালিকায় রয়েছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট আহমদ রেজা, সাবেক সভাপতি নজমুল হোসেন পুতুল ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার হোসেন। তারা নিজেদের মত করে নিজস্ব চেইনে লবিং অব্যাহত রেখেছেন। যদিও মুখ খুলছেননা কেউ।


‎ঢাকা-সিলেট কিংবা রাজনৈতিক নেতৃত্ব, সবখানেই চলছে তাদের যোগাযোগ। সংশ্লিষ্টদের মন জয়ে তাদের বহুমুখি তৎপরতা চোখে পড়ছে। আগ্রহী এই নেতারা দীর্ঘদিনের রাজপথ কাঁপানো এবং আধুনিক ও গতিশীল নেতৃত্ব উপহার দিতে সক্ষম। তাদের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও চলছে পছন্দের নেতাদের নিয়ে সমর্থকদের পোস্ট ও কমেন্টের লড়াই।

‎তবে এবারের প্রশাসক নিয়োগে প্রার্থীর অতীত রেকর্ড, দলীয় আনুগত্য এবং সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতাকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রতিটি প্রার্থীর সামাজিক অবস্থান, এলাকায় প্রভাব এবং বিগত দিনের কর্মকাণ্ড নিয়ে একটি বিশেষ আমলনামা তৈরি করে নীতিনির্ধারকদের কাছে পাঠানো হয়েছে। বিশেষ করে কোনো ধরনের নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার প্রমাণ থাকলে তাকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কঠোর নির্দেশনা রয়েছে হাইকমান্ডের।


‎একই অবস্থা বিয়ানীবাজার পৌরসভার প্রশাসক পদের জন্য। এই পদে পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু নাসের পিন্টু, বর্তমান সভাপতি মিজানুর রহমান রুমেল, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য নজরুল হোসেন, জেলা বিএনপির সহ-স্থানীয় সরকার সম্পাদক এনাম উদ্দিন,  উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন ও মিছবাহ উদ্দিনের নাম আলোচনায় আছে। জোরালো লবিংয়ে শেষ পর্যন্ত কে হবেন পৌর প্রশাসক, তা জানতে আরোও একটু অপেক্ষা করতে হবে।

‎এ বিষয়ে বিয়ানীবাজার পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজমুল হোসেন বলেন, বিএনপি পরিবারের পরিক্ষিত ত্যাগী ও দায়িত্বশীল নেতাদের নামের প্রফাইল দলীয় হাইকমান্ড ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট রয়েছে। দলীয় হাইকমান্ডের পর্যবেক্ষণ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে প্রধানমন্ত্রী যাকে মনোনীত করবেন আমরা তাকে নিয়ে কাজ করব।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎দিরাই’র মিতা হত্যা মামলার নারী আসামী সিলেটে র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার

‎বিয়ানীবাজারে প্রশাসক পদে কে আসছেন? চূড়ান্ত ঘোষণার আগে তুঙ্গে লবিং!

সময় ০৭:৪০:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬





‎স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং উন্নয়ন কর্মকান্ডকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে উপজেলা পরিষদ এবং পৌরসভায় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। দেশের ৪২ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগের পর এবার সারা দেশের উপজেলা পরিষদের প্রশাসক এবং পৌরসভার প্রশাসক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে সরকার।

‎স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, যে কোনো সময় উপজেলা ও পৌর পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ হতে পারে। এমন ঘোষণার পর বিয়ানীবাজারজুড়ে সম্ভাব্যদের মধ্যে বেশ তোড়জোড় শুরু হয়েছে। আর কৌতুহলী সচেতন মহল আছেন অপেক্ষায়। সরকারের এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে স্থানীয় সরকারের এই পরিষদগুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকারের এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিয়ানীবাজারে রাজনীতির অন্দরমহল থেকে শুরু করে চায়ের আড্ডা সবখানেই এখন একটাই প্রশ্ন কার ভাগ্যে জুটছে উপজেলা কিংবা প্রশাসকের চেয়ার?

‎নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক দায়িত্ব অর্পণের জন্য একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করেছে দলীয় হাইকমান্ড।

‎গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তৈরি করা এই তালিকায় রয়েছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট আহমদ রেজা, সাবেক সভাপতি নজমুল হোসেন পুতুল ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার হোসেন। তারা নিজেদের মত করে নিজস্ব চেইনে লবিং অব্যাহত রেখেছেন। যদিও মুখ খুলছেননা কেউ।


‎ঢাকা-সিলেট কিংবা রাজনৈতিক নেতৃত্ব, সবখানেই চলছে তাদের যোগাযোগ। সংশ্লিষ্টদের মন জয়ে তাদের বহুমুখি তৎপরতা চোখে পড়ছে। আগ্রহী এই নেতারা দীর্ঘদিনের রাজপথ কাঁপানো এবং আধুনিক ও গতিশীল নেতৃত্ব উপহার দিতে সক্ষম। তাদের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও চলছে পছন্দের নেতাদের নিয়ে সমর্থকদের পোস্ট ও কমেন্টের লড়াই।

‎তবে এবারের প্রশাসক নিয়োগে প্রার্থীর অতীত রেকর্ড, দলীয় আনুগত্য এবং সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতাকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রতিটি প্রার্থীর সামাজিক অবস্থান, এলাকায় প্রভাব এবং বিগত দিনের কর্মকাণ্ড নিয়ে একটি বিশেষ আমলনামা তৈরি করে নীতিনির্ধারকদের কাছে পাঠানো হয়েছে। বিশেষ করে কোনো ধরনের নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার প্রমাণ থাকলে তাকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কঠোর নির্দেশনা রয়েছে হাইকমান্ডের।


‎একই অবস্থা বিয়ানীবাজার পৌরসভার প্রশাসক পদের জন্য। এই পদে পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু নাসের পিন্টু, বর্তমান সভাপতি মিজানুর রহমান রুমেল, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য নজরুল হোসেন, জেলা বিএনপির সহ-স্থানীয় সরকার সম্পাদক এনাম উদ্দিন,  উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন ও মিছবাহ উদ্দিনের নাম আলোচনায় আছে। জোরালো লবিংয়ে শেষ পর্যন্ত কে হবেন পৌর প্রশাসক, তা জানতে আরোও একটু অপেক্ষা করতে হবে।

‎এ বিষয়ে বিয়ানীবাজার পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজমুল হোসেন বলেন, বিএনপি পরিবারের পরিক্ষিত ত্যাগী ও দায়িত্বশীল নেতাদের নামের প্রফাইল দলীয় হাইকমান্ড ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট রয়েছে। দলীয় হাইকমান্ডের পর্যবেক্ষণ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে প্রধানমন্ত্রী যাকে মনোনীত করবেন আমরা তাকে নিয়ে কাজ করব।