
সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার রাজনীতিতে তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম মোহাম্মদ ইকবাল চৌধুরী। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় সততা, নিষ্ঠা এবং অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি আজ স্থানীয় রাজনীতিতে একজন প্রভাবশালী ও গ্রহণযোগ্য সংগঠক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আসন্ন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনমতের ভিত্তিতে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে জোরালো আলোচনায় রয়েছেন তিনি।
তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয় ১৯৯৪ সালে ফেঞ্চুগঞ্জের কাসিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে। এরপর তিনি মাইজগাঁও ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনের ভিত মজবুত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে তিনি তার যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহকারী সম্পাদক এবং ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক এই যাত্রায় নানা প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করলেও তিনি কখনও পিছপা হননি তিনি। প্রতিটি সংকটকে শক্তিতে রূপান্তর করে বিএনপি পরিবারের বিভিন্ন স্তরে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন।
স্থানীয়দের মতে, ইকবাল চৌধুরী কেবল একজন নেতা নন, বরং একজন দক্ষ কর্মী গড়ার কারিগর। তার মেধা ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ফেঞ্চুগঞ্জে অসংখ্য নিবেদিতপ্রাণ কর্মী তৈরি হয়েছে যারা দলের আদর্শকে ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছে।
উপজেলার সর্বস্তরের জনসাধারণের প্রত্যাশা, ফেঞ্চুগঞ্জের উন্নয়ন ও রাজনীতির এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মোহাম্মদ ইকবাল চৌধুরীকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় তারা।
জনসেবা ও সাংগঠনিক দক্ষতায় তিনি ফেঞ্চুগঞ্জবাসীর আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।
ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি 


















