সিলেট ০৩:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত। ‎গোয়াইনঘাটে ৪ লিস্টার মেশিন ধ্বংস, ডুবিয়ে দেওয়া হলো বালুভর্তি বাল্কহেড শান্তিগঞ্জে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ ‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎ নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‎জৈন্তাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত একই পরিবারের ৩  ভাইসহ একাধিক সদস্য। ‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার

‎র‍্যাবের পৃথক দুই অভিযানে হত্যা মামলার পলাতক দুই আসামি গ্রেফতার‎


‎

‎
‎র‍্যাব-১৪ এর সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্পের পৃথক দুই অভিযানে দুটি হত্যা মামলার পলাতক দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
‎শনিবার (৭ মার্চ) টাঙ্গাইলের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
‎র‍্যাব জানায় প্রথম অভিযানে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানার একটি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি মো. নজরুল ইসলাম (৫০) কে গ্রেফতার করা হয়েছে।
‎মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মেয়েদের উত্যক্ত করাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের যুবকদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জেরে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিরাজগঞ্জের কাশিনাথপুর গ্রামে একটি সালিশ বসে।
‎সালিশ চলাকালে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাদী জাহাঙ্গীর আলম খন্দকার (৫৫) তার ভাই শাহ আলমসহ বাদীপক্ষের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এতে শাহ আলম গুরুতর আহত হন। পরে তাকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ১ মার্চ সলঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
‎
‎এরই ধারাবাহিকতায় র‍্যাব-১৪ সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল এবং র‍্যাব-১২ সিরাজগঞ্জের যৌথ অভিযানে শনিবার বিকেল প্রায় ২টা ৫৫ মিনিটে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মাহমুদনগর বাজার এলাকা থেকে নজরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।অপরদিকে দ্বিতীয় অভিযানে টাঙ্গাইলের মধুপুর থানার একটি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মোছা. হাজেরা খাতুন (৬০) কে গ্রেফতার করা হয়েছে।
‎
‎মামলার বিবরণে জানা যায় শান্তা আক্তার তন্নী (২৭) এর সঙ্গে পারিবারিকভাবে আলমগীর হোসেনের বিয়ে হয় এবং তাদের দুটি সন্তান রয়েছে। পরবর্তীতে আলমগীর দ্বিতীয় বিয়ে করে প্রথম স্ত্রীকে তালাক দেন। পরে দ্বিতীয় স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার কথা বলে পুনরায় তন্নীকে বিয়ে করেন। তবে দ্বিতীয় স্ত্রীকে তালাক না দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়।গত ৮ জানুয়ারি আলমগীরের বাড়িতে তন্নীর ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যায়।
‎পরে নিহতের পিতা সবুজ মিয়া লাশ শনাক্ত করে দেখেন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গলা ও বাম হাতের কব্জির রগ কাটা। এ ঘটনায় ৯ জানুয়ারি মধুপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
‎
মামলা দায়েরের পর র‍্যাব-১৪ সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্প ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চালায়। এরই অংশ হিসেবে শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মধুপুর উপজেলার আমলিতলা আরোনখোলা এলাকা থেকে হাজেরা খাতুনকে গ্রেফতার করা হয়।
‎গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র‍্যাব জানিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত।

‎র‍্যাবের পৃথক দুই অভিযানে হত্যা মামলার পলাতক দুই আসামি গ্রেফতার‎

সময় ১০:২৯:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬


‎

‎
‎র‍্যাব-১৪ এর সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্পের পৃথক দুই অভিযানে দুটি হত্যা মামলার পলাতক দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
‎শনিবার (৭ মার্চ) টাঙ্গাইলের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
‎র‍্যাব জানায় প্রথম অভিযানে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানার একটি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি মো. নজরুল ইসলাম (৫০) কে গ্রেফতার করা হয়েছে।
‎মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মেয়েদের উত্যক্ত করাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের যুবকদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জেরে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিরাজগঞ্জের কাশিনাথপুর গ্রামে একটি সালিশ বসে।
‎সালিশ চলাকালে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাদী জাহাঙ্গীর আলম খন্দকার (৫৫) তার ভাই শাহ আলমসহ বাদীপক্ষের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এতে শাহ আলম গুরুতর আহত হন। পরে তাকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ১ মার্চ সলঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
‎
‎এরই ধারাবাহিকতায় র‍্যাব-১৪ সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল এবং র‍্যাব-১২ সিরাজগঞ্জের যৌথ অভিযানে শনিবার বিকেল প্রায় ২টা ৫৫ মিনিটে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মাহমুদনগর বাজার এলাকা থেকে নজরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।অপরদিকে দ্বিতীয় অভিযানে টাঙ্গাইলের মধুপুর থানার একটি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মোছা. হাজেরা খাতুন (৬০) কে গ্রেফতার করা হয়েছে।
‎
‎মামলার বিবরণে জানা যায় শান্তা আক্তার তন্নী (২৭) এর সঙ্গে পারিবারিকভাবে আলমগীর হোসেনের বিয়ে হয় এবং তাদের দুটি সন্তান রয়েছে। পরবর্তীতে আলমগীর দ্বিতীয় বিয়ে করে প্রথম স্ত্রীকে তালাক দেন। পরে দ্বিতীয় স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার কথা বলে পুনরায় তন্নীকে বিয়ে করেন। তবে দ্বিতীয় স্ত্রীকে তালাক না দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়।গত ৮ জানুয়ারি আলমগীরের বাড়িতে তন্নীর ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যায়।
‎পরে নিহতের পিতা সবুজ মিয়া লাশ শনাক্ত করে দেখেন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গলা ও বাম হাতের কব্জির রগ কাটা। এ ঘটনায় ৯ জানুয়ারি মধুপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
‎
মামলা দায়েরের পর র‍্যাব-১৪ সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্প ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চালায়। এরই অংশ হিসেবে শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মধুপুর উপজেলার আমলিতলা আরোনখোলা এলাকা থেকে হাজেরা খাতুনকে গ্রেফতার করা হয়।
‎গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র‍্যাব জানিয়েছে।