
বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার মৌলভীবাজার সদর প্রতিনিধি শেরপুর প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক সাংবাদিক রিপন মিয়ার ওপর দূর্বৃত্তের হামলা, মারধর ও মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের চেষ্টার ঘটনায় শেরপুর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ গভীর ক্ষোভ, তীব্র নিন্দা ও কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, সাংবাদিকরা সমাজের বিবেক ও রাষ্ট্রের দর্পণ। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে নির্ভয়ে কলম ধরাই সাংবাদিকতার মূল দায়িত্ব। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য—আজ সেই সত্য প্রকাশ করাই যেন অপরাধে পরিণত হয়েছে। একের পর এক হামলা, হুমকি ও নির্যাতনের মাধ্যমে স্বাধীন সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
সম্প্রতি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের সাটিয়া শাহ মদরিছ (রহ.) মাজারে ওরস উপলক্ষে গান-বাজনার আয়োজনের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আলেম-উলামা ও সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। একজন দায়িত্বশীল সাংবাদিক হিসেবে রিপন মিয়া ওই সভার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ ও সংবাদপত্রে প্রতিবেদন প্রকাশ করেন।
আর এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে একদল দূর্বৃত্তরা তার ওপর বর্বর হামলা চালায়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে সাটিয়া শাহ মদরিছ (রহ.) মাজারের সামনে অভিযুক্ত কামাল মিয়া, আশিক মিয়া, শামীম মিয়াসহ তাদের সহযোগীরা সাংবাদিক রিপন মিয়াকে ঘিরে ধরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং পরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালায়।
তারা তাকে মারধর করে এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা কেবল একজন সাংবাদিকের ওপর হামলা নয়—এটি সত্য, ন্যায় এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর নগ্ন সন্ত্রাসী আঘাত।
শেরপুর প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ বলেন, যদি অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা না হয়, তবে সাংবাদিক সমাজ চুপ করে বসে থাকবে না। সাংবাদিকদের ওপর এমন বর্বর হামলার বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে এবং কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
বিবৃতিতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়—অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
নিজস্ব সংবাদ : 



















