সিলেট ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
News Title :
হবিগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ: পলাতক আসামি সিলেট থেকে গ্রেফতার করল র‍্যাব। হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ, সারজিসসহ আহত কয়েকজন নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত দলিল নেই, তবুও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভূমিদাতা পাতন বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সম্মাননা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ সম্পন্ন ‎সিলেটে হাইড্রোলিক হর্ন ও পরিবেশ আইন লঙ্ঘনে ১০ গাড়ির মালিককে জরিমানা নবীগঞ্জে আম গাছে থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার‎ ‘নেলসন ম্যান্ডেলা পিস অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ পেলেন কাজী মোহাম্মদ জমিরুল ইসলাম মমতাজ‎ ‎৪৫০ শিক্ষার্থীর একমাত্র ভরসা গুচ্ছগ্রাম বিদ্যালয়; পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রীর সহযোগিতার আশ্বাস গ্রাম পুলিশের বেতন বৃদ্ধি ও চাকরি জাতীয়করণের দাবি

বিরোধ নিষ্পত্তিতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে জনপ্রিয় হচ্ছে গ্রাম আদালত



‎গ্রামীণ জনগণের জন্য সহজ, দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে গ্রাম আদালত ব্যবস্থা দিন দিন কার্যকর ও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ছোটখাটো বিরোধ নিষ্পত্তিতে এই আদালত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

‎সোমবার  (২২ ডিসেম্বর) মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে গ্রাম আদালত বিষয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়।

‎কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রুবেল মাহমুদ। বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের জেলা ব্যবস্থাপক শওকত হাসান সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল।

‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রচারণার ঘাটতির কারণে গ্রাম আদালত এখনো কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যানদের অনুপস্থিতির কারণে অনেক জায়গায় গ্রাম আদালতের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। এছাড়া গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর বড় একটি অংশ এখনও গ্রাম আদালতের কার্যক্রম ও সুফল সম্পর্কে অবগত নয়।

‎তিনি গ্রাম আদালতের কার্যক্রম আরও বেগবান ও ফলপ্রসূ করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
‎কর্মশালায় বক্তারা বলেন, প্রচলিত আদালতে মামলা জট কমাতে গ্রাম আদালত একটি কার্যকর বিকল্প ব্যবস্থা। এজন্য গ্রাম আদালতের সদস্যদের সম্মানী নিশ্চিত করা, নিয়মিত প্রশিক্ষণ, এখতিয়ারভুক্ত অভিযোগ থানায় বা আদালতে না নিয়ে গ্রাম আদালতে পাঠানো এবং ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন।

‎এ সময় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ সাব্বির সাজ্জাদ,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল খায়ের, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হাবিবুর রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক বকশী ইকবাল আহমদ, মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম শেফুলসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা বক্তব্য রাখেন।

‎উল্লেখ্য, গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ে নির্দিষ্ট কিছু ফৌজদারি ও দেওয়ানি বিরোধের সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির ক্ষমতা রয়েছে গ্রাম আদালতের। স্থানীয় সরকার বিভাগ ও ইউএনডিপির যৌথ বাস্তবায়নে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে বর্তমানে প্রকল্পটির তৃতীয় পর্যায় চলমান রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ: পলাতক আসামি সিলেট থেকে গ্রেফতার করল র‍্যাব।

বিরোধ নিষ্পত্তিতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে জনপ্রিয় হচ্ছে গ্রাম আদালত

সময় ০৬:৩৭:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫



‎গ্রামীণ জনগণের জন্য সহজ, দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে গ্রাম আদালত ব্যবস্থা দিন দিন কার্যকর ও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ছোটখাটো বিরোধ নিষ্পত্তিতে এই আদালত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

‎সোমবার  (২২ ডিসেম্বর) মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে গ্রাম আদালত বিষয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়।

‎কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রুবেল মাহমুদ। বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের জেলা ব্যবস্থাপক শওকত হাসান সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল।

‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রচারণার ঘাটতির কারণে গ্রাম আদালত এখনো কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যানদের অনুপস্থিতির কারণে অনেক জায়গায় গ্রাম আদালতের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। এছাড়া গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর বড় একটি অংশ এখনও গ্রাম আদালতের কার্যক্রম ও সুফল সম্পর্কে অবগত নয়।

‎তিনি গ্রাম আদালতের কার্যক্রম আরও বেগবান ও ফলপ্রসূ করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
‎কর্মশালায় বক্তারা বলেন, প্রচলিত আদালতে মামলা জট কমাতে গ্রাম আদালত একটি কার্যকর বিকল্প ব্যবস্থা। এজন্য গ্রাম আদালতের সদস্যদের সম্মানী নিশ্চিত করা, নিয়মিত প্রশিক্ষণ, এখতিয়ারভুক্ত অভিযোগ থানায় বা আদালতে না নিয়ে গ্রাম আদালতে পাঠানো এবং ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন।

‎এ সময় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ সাব্বির সাজ্জাদ,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল খায়ের, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হাবিবুর রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক বকশী ইকবাল আহমদ, মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম শেফুলসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা বক্তব্য রাখেন।

‎উল্লেখ্য, গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ে নির্দিষ্ট কিছু ফৌজদারি ও দেওয়ানি বিরোধের সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির ক্ষমতা রয়েছে গ্রাম আদালতের। স্থানীয় সরকার বিভাগ ও ইউএনডিপির যৌথ বাস্তবায়নে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে বর্তমানে প্রকল্পটির তৃতীয় পর্যায় চলমান রয়েছে।