সিলেট ০৬:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
News Title :
‎সংবাদকর্মীকে নিয়ে ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ প্রচারের অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি ‎বালাগঞ্জে ২ কোটি টাকা ব্যয়ের ড্রেন নির্মাণে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ! ‎কবিতা মানুষকে সহমর্মিতা মানবিকতা ও সৌন্দর্যবোধ শেখায়ঃ ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক‎ শায়েস্তাগঞ্জে র‍্যাবের যৌথ অভিযান: ট্রাকসহ ৯৬ বোতল ইসকফ সিরাপ জব্দ, গ্রেফতার ২ ‎ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো অনলাইন লিটারেচার গ্রুপ’স ইউনিটি এর ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও লিটারেচার সম্মাননা-২০২৬‎‎ ‎আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি হলেন মাধবপুরের রাবাব ফাতিমা ‎হবিগঞ্জে বন্যাদুর্গত চার শতাধিক মানুষের পাশে জেলা পুলিশ মেডিকেল ক্যাম্পে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা‎ রুস্তম হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল, ১২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ‎লাখাইয়ে কৃষক স্মার্ট কার্ড বিতরণ শুরু ‎টাকার অভাবে থমকে গেছে উস্তার মিয়ার চিকিৎসা, পরিবার নিয়ে মানবতর জীবন যাপন

‎ওসমানীনগরে সাদিপুর নদীতে অবৈধ টোকেন বিক্রি নিষিদ্ধ, বরশি দিয়ে মাছ ধরা উন্মুক্ত‎


‎ওসমানীনগর উপজেলার সাদিপুর নদীতে বরশি দিয়ে মাছ ধরার জন্য অবৈধভাবে টোকেন বিক্রির অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জয়নাল আবেদীন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, সাদিপুর নদীতে বরশী দিয়ে মাছ ধরতে কোনো ধরনের টোকেনের প্রয়োজন নেই।
‎ইউএনও জানান, সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি নিজেদের উদ্যোগে ‘মাছ ধরার টোকেন’ তৈরি ও বিক্রির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছিল।
‎প্রশাসনের নজরে বিষয়টি আসার পর অভিযান পরিচালনা করে এসব অবৈধ টোকেন জব্দ করা হয় এবং পরবর্তীতে তা পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
‎তিনি আরও বলেন, সাদিপুর নদী একটি সরকারি জলাশয়।



‎এখানে সাধারণ জনগণ বরশি দিয়ে অবাধে মাছ ধরতে পারবেন। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী টোকেন বা অনুমতির নামে অর্থ আদায় করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‎ইউএনও আরও বলেন, এটি একটি সরকারি জলমহাল। নিয়ম অনুযায়ী শুধুমাত্র নিবন্ধিত মৎস্যজীবী দল বা সমিতির জন্য টোকেন দেওয়া হয়। তবে যারা ব্যক্তিগতভাবে বরশি দিয়ে মাছ ধরেন, তাদের জন্য কোনো টোকেনের প্রয়োজন নেই।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু অসাধু ব্যক্তি নদীতে মাছ ধরার সুযোগের বিনিময়ে টোকেন বিক্রি শুরু করে। এতে সাধারণ জেলেরা ভোগান্তিতে পড়েন এবং বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়।
‎প্রশাসনের এ পদক্ষেপে স্থানীয়রা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন নদী সবার,মাছ ধরার জন্য কোনো টোকেন বা অনুমতি লাগবে না-এটা জানিয়ে উপজেলা প্রশাসন খুব ভালো কাজ করেছে।

‎উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে— ভবিষ্যতে কেউ অবৈধভাবে টোকেন বিক্রি বা বিতরণের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনস্বার্থে উপজেলা প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।


ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎সংবাদকর্মীকে নিয়ে ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ প্রচারের অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

‎ওসমানীনগরে সাদিপুর নদীতে অবৈধ টোকেন বিক্রি নিষিদ্ধ, বরশি দিয়ে মাছ ধরা উন্মুক্ত‎

সময় ০৪:১৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫


‎ওসমানীনগর উপজেলার সাদিপুর নদীতে বরশি দিয়ে মাছ ধরার জন্য অবৈধভাবে টোকেন বিক্রির অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জয়নাল আবেদীন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, সাদিপুর নদীতে বরশী দিয়ে মাছ ধরতে কোনো ধরনের টোকেনের প্রয়োজন নেই।
‎ইউএনও জানান, সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি নিজেদের উদ্যোগে ‘মাছ ধরার টোকেন’ তৈরি ও বিক্রির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছিল।
‎প্রশাসনের নজরে বিষয়টি আসার পর অভিযান পরিচালনা করে এসব অবৈধ টোকেন জব্দ করা হয় এবং পরবর্তীতে তা পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
‎তিনি আরও বলেন, সাদিপুর নদী একটি সরকারি জলাশয়।



‎এখানে সাধারণ জনগণ বরশি দিয়ে অবাধে মাছ ধরতে পারবেন। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী টোকেন বা অনুমতির নামে অর্থ আদায় করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‎ইউএনও আরও বলেন, এটি একটি সরকারি জলমহাল। নিয়ম অনুযায়ী শুধুমাত্র নিবন্ধিত মৎস্যজীবী দল বা সমিতির জন্য টোকেন দেওয়া হয়। তবে যারা ব্যক্তিগতভাবে বরশি দিয়ে মাছ ধরেন, তাদের জন্য কোনো টোকেনের প্রয়োজন নেই।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু অসাধু ব্যক্তি নদীতে মাছ ধরার সুযোগের বিনিময়ে টোকেন বিক্রি শুরু করে। এতে সাধারণ জেলেরা ভোগান্তিতে পড়েন এবং বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়।
‎প্রশাসনের এ পদক্ষেপে স্থানীয়রা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন নদী সবার,মাছ ধরার জন্য কোনো টোকেন বা অনুমতি লাগবে না-এটা জানিয়ে উপজেলা প্রশাসন খুব ভালো কাজ করেছে।

‎উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে— ভবিষ্যতে কেউ অবৈধভাবে টোকেন বিক্রি বা বিতরণের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনস্বার্থে উপজেলা প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।