সিলেট ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎সিলেটে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের দুই কর্মী  গ্রেফতার, ব্যানার জব্দ বিএনপি নেতা ও তরুণ ব্যবসায়ী রাহুল ইসলামের জন্মদিনে শুভেচ্ছা‎ শান্তিগঞ্জে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নয়নে অংশীজনদের কর্মশালা ‎মৌলভীবাজারে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উদযাপন, আহতদের মাঝে অনুদান বিতরণ বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে দেওয়ানগঞ্জে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা বড়লেখায় বিশ্ব হাতধোয়া দিবসে র‌্যালি আলোচনাসভা ও হাতধোয়া প্রদর্শনী ‎তামাবিল দিয়ে ভারতে পাঠানো হলো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নিহত নারীর মরদেহ ‎তেলিয়াপাড়া চা বাগানে পুলিশের অভিযান, ১০৪ পিস মাদক ‘স্কুপ’ উদ্ধার সিলেটের জৈন্তাপুরে দুই নারীকে ভারতে পাচারের চেষ্টা: মূলহোতা রামিম গ্রেফতার ‎বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আনছার আলীর ইন্তেকালে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র গভীর শোক
‎চার আরোহীর ভারতে গমন নিয়ে অস্পষ্টতা!

‎তামাবিল দিয়ে ভারতে পাঠানো হলো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নিহত নারীর মরদেহ

ঢাকায় জরুরি অবতরণ করা ভারতীয় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে থাকা নিহত নারী রোগী অঞ্জনা ভৌমিকের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ভারতের ত্রিপুরায় পাঠানো হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়। তবে মরদেহের সঙ্গে থাকা চিকিৎসক ডা. ফিরোজ খান, প্যারামেডিক আজিম খান এবং দুই সঙ্গী সান্তা ভৌমিক ও দীপ জ্যোতি মিশ্রের ভারতে গমন ও হস্তান্তরের বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তাঁদের সবার জাতীয়তা ভারতীয় বলে সংশ্লিষ্ট তালিকায় উল্লেখ রয়েছে।
‎
‎তামাবিল স্থলবন্দর কাস্টমস ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ বজলুর রশিদ জানান, নিহত নারীর সঙ্গে থাকা স্বজনেরা তাঁর সঙ্গে গেছেন। তবে ওই চার ব্যক্তির সবাই ভারতে গেছেন কি না, সে বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট তথ্য দেননি। প্রথমে কথা বলার সময় তিনি নিজের নাম প্রকাশ না করে প্রতিবেদককে পদবি হিসেবে ‘তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ’ উল্লেখ করতে বলেন। পরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে তাঁর নাম বজলুর রশিদ বলে জানা যায়।
‎
‎প্রয়োজনীয় আইনি ও কূটনৈতিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে বুধবার দুপুরে অ্যাম্বুলেন্স যোগে অঞ্জনা ভৌমিকের মরদেহ তামাবিল স্থলবন্দরে আনা হয়। সেখানে দুই দেশের সীমান্ত ও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়।
‎
‎গত ১৮ অক্টোবর ভারতের আগরতলা থেকে এক মুমূর্ষু রোগীকে নিয়ে বিচক্রাফ্ট কিং এয়ার সি৯০এ মডেলের একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স কলকাতার উদ্দেশে যাত্রা করে। মাঝ আকাশে প্রায় ১২ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়োজাহাজটির কেবিনের চাপ কমে যায় এবং পেছনের দরজা আংশিক খুলে যায়। এ পরিস্থিতিতে পাইলট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেন।
‎
‎অবতরণের পর অসুস্থ নারী অঞ্জনা ভৌমিককে দ্রুত কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে থাকা পাইলট, চিকিৎসক ও স্বজনসহ অন্য আরোহীরা অক্ষত ছিলেন বলে জানা যায়।
‎
‎নিহত নারীর স্বজনেরা সংকটকালীন সময়ে দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সহযোগিতা করায় বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎সিলেটে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের দুই কর্মী  গ্রেফতার, ব্যানার জব্দ

‎চার আরোহীর ভারতে গমন নিয়ে অস্পষ্টতা!

‎তামাবিল দিয়ে ভারতে পাঠানো হলো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নিহত নারীর মরদেহ

সময় ০৩:৫৭:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকায় জরুরি অবতরণ করা ভারতীয় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে থাকা নিহত নারী রোগী অঞ্জনা ভৌমিকের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ভারতের ত্রিপুরায় পাঠানো হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়। তবে মরদেহের সঙ্গে থাকা চিকিৎসক ডা. ফিরোজ খান, প্যারামেডিক আজিম খান এবং দুই সঙ্গী সান্তা ভৌমিক ও দীপ জ্যোতি মিশ্রের ভারতে গমন ও হস্তান্তরের বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তাঁদের সবার জাতীয়তা ভারতীয় বলে সংশ্লিষ্ট তালিকায় উল্লেখ রয়েছে।
‎
‎তামাবিল স্থলবন্দর কাস্টমস ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ বজলুর রশিদ জানান, নিহত নারীর সঙ্গে থাকা স্বজনেরা তাঁর সঙ্গে গেছেন। তবে ওই চার ব্যক্তির সবাই ভারতে গেছেন কি না, সে বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট তথ্য দেননি। প্রথমে কথা বলার সময় তিনি নিজের নাম প্রকাশ না করে প্রতিবেদককে পদবি হিসেবে ‘তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ’ উল্লেখ করতে বলেন। পরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে তাঁর নাম বজলুর রশিদ বলে জানা যায়।
‎
‎প্রয়োজনীয় আইনি ও কূটনৈতিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে বুধবার দুপুরে অ্যাম্বুলেন্স যোগে অঞ্জনা ভৌমিকের মরদেহ তামাবিল স্থলবন্দরে আনা হয়। সেখানে দুই দেশের সীমান্ত ও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়।
‎
‎গত ১৮ অক্টোবর ভারতের আগরতলা থেকে এক মুমূর্ষু রোগীকে নিয়ে বিচক্রাফ্ট কিং এয়ার সি৯০এ মডেলের একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স কলকাতার উদ্দেশে যাত্রা করে। মাঝ আকাশে প্রায় ১২ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়োজাহাজটির কেবিনের চাপ কমে যায় এবং পেছনের দরজা আংশিক খুলে যায়। এ পরিস্থিতিতে পাইলট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেন।
‎
‎অবতরণের পর অসুস্থ নারী অঞ্জনা ভৌমিককে দ্রুত কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে থাকা পাইলট, চিকিৎসক ও স্বজনসহ অন্য আরোহীরা অক্ষত ছিলেন বলে জানা যায়।
‎
‎নিহত নারীর স্বজনেরা সংকটকালীন সময়ে দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সহযোগিতা করায় বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।