
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ৫নং করাব ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে। প্রার্থীরা দলীয় নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও ভোটারদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এবং বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে নিজেদের প্রার্থিতার কথা জানান দিচ্ছেন।
এর মধ্যেই করাব ইউনিয়নে বিএনপির একমাত্র সম্ভাব্য একক প্রার্থী হিসেবে জোরালো আলোচনায় রয়েছেন তরুণ সমাজসেবক, শিক্ষানবিশ আইনজীবী ও হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমজি জাকারিয়া চৌধুরী রতন।
এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ ও তরুণ প্রজন্মের জোরালো উৎসাহে তিনি এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দীর্ঘকাল ধরে করাব ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ে তিনি নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণে তিনি অতীতে ফ্যাসিষ্ট সরকারের আমলে একাধিকবার কারাবরণ ও রাজনৈতিক মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন। তবুও তিনি জনগণের সেবামূলক কাজ থেকে পিছপা হননি। স্থানীয় করাব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন তিনি।
প্রার্থিতা ও নিজের ভাবনা সম্পর্কে জাকারিয়া চৌধুরী রতন বলেন, স্বাধীনতা পর এই ইউনিয়নে অনেক চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। তবে সময় এসেছে পরিবর্তনের। তরুণ প্রজন্মের কাছে আমার আবেদন, অতীতের ন্যায় ইউনিয়নকে একটি সুন্দর ও আধুনিক মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে আমি কাজ করতে চাই।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হলে রাস্তাঘাট, মসজিদ, মন্দির, কালভার্ট, শিক্ষা ও সংস্কৃতিসহ পিছিয়ে থাকা জনপদকে এগিয়ে নিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করব। বিশেষ করে জন্ম নিবন্ধনসহ ইউনিয়ন পরিষদের সব সেবা সহজীকরণ, জনগণের ভোগান্তি লাঘব এবং গরিব ও অসহায় ছাত্র-ছাত্রীদের তালিকা তৈরি করে তাদের শিক্ষাজীবন সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এছাড়া ঝরে পড়া রোধে শিক্ষক, ছাত্র ও অভিভাবকদের সমন্বয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, করাব গ্রাম থেকে বিএনপির অন্য কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় তিনি একক প্রার্থী হিসেবে দলের জোরালো সমর্থন প্রত্যাশা করছেন।
জাকারিয়া চৌধুরী রতন বলেন, “ছাত্রজীবন থেকে আমি বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে মিথ্যা ও গায়েবি মামলায় আমাকে বারবার কারাবরণ করতে হয়েছে। কারাগারে থাকাকালীন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও বর্তমান হুইপ আলহাজ্ব জিকে গৌছ ভাইয়ের সাথে জেল খেটেছি। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, ইনশাআল্লাহ আমি এই ইউনিয়ন থেকে বিজয়ী হব।
তৃণমূলের সাথে দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক ও সাধারণ মানুষের সাথে নিয়মিত যোগাযোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এলাকার ভোটার ও যুব সমাজ তাকে অবশ্যই মূল্যায়ন করবে।
আসন্ন নির্বাচনে করাব ইউনিয়নের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছেন এই তরুণ ছাত্রদল নেতা।
বিল্লাল আহমেদ, লাখাই প্রতিনিধি 

















