সিলেট ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎গোয়াইনঘাটে ৪ লিস্টার মেশিন ধ্বংস, ডুবিয়ে দেওয়া হলো বালুভর্তি বাল্কহেড শান্তিগঞ্জে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ ‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎ নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‎জৈন্তাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত একই পরিবারের ৩  ভাইসহ একাধিক সদস্য। ‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময়

হবিগঞ্জে চাঁদের হাসি হাসপাতালে বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফার মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন


‎
‎হবিগঞ্জ শহরের চাঁদের হাসি হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর মৃত্যুর পর স্বজনদের পক্ষ থেকে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তোলা হয়েছে। অভিযোগটি তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন।
‎
‎আজ সোমবার (২৪আগষ্ট) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যু হয়। তিনি হবিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিটের আহ্বায়ক, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এবং দৈনিক হবিগঞ্জ সমাচার পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
‎
‎জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা বা ভুল হয়েছিল কি না, তা তদন্তে সিভিল সার্জন রত্নদীপ বিশ্বাসকে প্রধান করে চার সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
‎
‎পরিবারের সদস্যরা জানান, গোলাম মোস্তফা রফিক কয়েক দিন ধরে অসুস্থ হয়ে হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সোমবার বিকেলে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে চাঁদের হাসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা নেওয়ার পর সন্ধ্যায় তাঁর মৃত্যু হয়।
‎তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে চাঁদের হাসি হাসপাতালের সামনে স্বজন, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও মুক্তিযোদ্ধারা জড়ো হন। চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ নিয়ে সেখানে ক্ষোভ দেখা দেয়। পরে প্রশাসনের কর্মকর্তারা হাসপাতালে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
‎
‎হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ জি কে গউছ, জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ, সিভিল সার্জন রত্নদীপ বিশ্বাস ও পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা হাসপাতালে যান। তাঁরা গোলাম মোস্তফা রফিকের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন।
‎
‎চাঁদের হাসি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা হলে পাওয়া যায়নি।
‎
‎মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ২ ঘটিকায় সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের জানাযা হবিগঞ্জ কেন্দ্রীয় শাহী ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। এতে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রীসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত থাকবেন।
‎
‎হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি ও হুইপ জি কে গউছ বলেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক ছিলেন জাতির শ্রেষ্ট সন্তান। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে কোন ধরণের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা কাম্য নয়। তিনি বলেন- যদি চিকিৎসায় কোন অবহেলা বা ভূল হয় সে জন্যে তদন্ত কমিটি হয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে দেখবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎গোয়াইনঘাটে ৪ লিস্টার মেশিন ধ্বংস, ডুবিয়ে দেওয়া হলো বালুভর্তি বাল্কহেড

হবিগঞ্জে চাঁদের হাসি হাসপাতালে বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফার মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন

সময় ০৯:২৯:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬


‎
‎হবিগঞ্জ শহরের চাঁদের হাসি হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর মৃত্যুর পর স্বজনদের পক্ষ থেকে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তোলা হয়েছে। অভিযোগটি তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন।
‎
‎আজ সোমবার (২৪আগষ্ট) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যু হয়। তিনি হবিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিটের আহ্বায়ক, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এবং দৈনিক হবিগঞ্জ সমাচার পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
‎
‎জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা বা ভুল হয়েছিল কি না, তা তদন্তে সিভিল সার্জন রত্নদীপ বিশ্বাসকে প্রধান করে চার সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
‎
‎পরিবারের সদস্যরা জানান, গোলাম মোস্তফা রফিক কয়েক দিন ধরে অসুস্থ হয়ে হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সোমবার বিকেলে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে চাঁদের হাসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা নেওয়ার পর সন্ধ্যায় তাঁর মৃত্যু হয়।
‎তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে চাঁদের হাসি হাসপাতালের সামনে স্বজন, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও মুক্তিযোদ্ধারা জড়ো হন। চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ নিয়ে সেখানে ক্ষোভ দেখা দেয়। পরে প্রশাসনের কর্মকর্তারা হাসপাতালে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
‎
‎হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ জি কে গউছ, জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ, সিভিল সার্জন রত্নদীপ বিশ্বাস ও পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা হাসপাতালে যান। তাঁরা গোলাম মোস্তফা রফিকের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন।
‎
‎চাঁদের হাসি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা হলে পাওয়া যায়নি।
‎
‎মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ২ ঘটিকায় সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের জানাযা হবিগঞ্জ কেন্দ্রীয় শাহী ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। এতে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রীসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত থাকবেন।
‎
‎হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি ও হুইপ জি কে গউছ বলেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক ছিলেন জাতির শ্রেষ্ট সন্তান। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে কোন ধরণের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা কাম্য নয়। তিনি বলেন- যদি চিকিৎসায় কোন অবহেলা বা ভূল হয় সে জন্যে তদন্ত কমিটি হয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে দেখবেন।