সিলেট ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত। ‎গোয়াইনঘাটে ৪ লিস্টার মেশিন ধ্বংস, ডুবিয়ে দেওয়া হলো বালুভর্তি বাল্কহেড শান্তিগঞ্জে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ ‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎ নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‎জৈন্তাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত একই পরিবারের ৩  ভাইসহ একাধিক সদস্য। ‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার

​নিয়োগ নীতিমালা তোয়াক্কা না করে একই পরিবারে দুই চাকরি: শিক্ষক হয়েও সুপারভাইজার!



‎ফ্যামিলি কার্ড শুমারি-২০২৬ এর ৬নং শাহজাহানপুর ইউনিয়নের সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রাহক নিয়োগকে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

‎নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ‘অযোগ্যতা’ অংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে, “সরকারি/আধাসরকারি সংস্থায় নিয়মিত বেতনে কর্মরত” ব্যক্তিরা আবেদন করার যোগ্য নন। অথচ প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় ‘সুরমা চা বাগান আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা জিনাত মজুমদারকে সুপারভাইজার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে’। এতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

‎এছাড়া একই তালিকায় তাঁর আপন ভাই মো. বোরহান ইসলাম মজুমদার (আকিব) তথ্য সংগ্রাহক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। একই পরিবারের দুই সদস্যের নিয়োগ নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা চলছে।

‎অন্যদিকে, “সুপারভাইজার পদে অপেক্ষমাণ তালিকায় রজত রায়ের নাম রয়েছে।* স্থানীয়দের দাবি, তাঁর পূর্ববর্তী কোনো শুমারিতে কাজের অভিজ্ঞতা নেই। অথচ “একই ইউনিয়নের একাধিক অভিজ্ঞ প্রার্থী, যারা পূর্ববর্তী সরকারি শুমারিতে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সুপারভাইজার পদে আবেদন করেছিলেন, তারা চূড়ান্ত কোনো তালিকাতেই স্থান পাননি।” এতে অভিজ্ঞতার মূল্যায়ন নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

‎এছাড়া “শাহজালাল সরকারি কলেজের খণ্ডকালীন শিক্ষক হৃদয় মিয়াকেও তথ্য সংগ্রাহক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে।” এ বিষয়েও স্থানীয়দের প্রশ্ন, তাঁর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির যোগ্যতা ও অযোগ্যতার শর্তের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না। অন্যদিকে, তথ্য সংগ্রাহক পদে প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় দেখা যায়, “নির্বাচিত ১২ জনের মধ্যে ৭ জনই ৫ নম্বর ওয়ার্ডের” অথচ ৬নং শাহজাহানপুর ইউনিয়নে মোট ৯টি ওয়ার্ড রয়েছে।

‎খোঁজ নিয়ে জানা যায়, “২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে একাধিক আবেদনকারী ও পূর্ববর্তী শুমারিতে দায়িত্ব পালনকারী অভিজ্ঞ প্রার্থী থাকলেও চূড়ান্ত কিংবা অপেক্ষমাণ কোনো তালিকাতেই ওই ওয়ার্ডের কোনো প্রার্থীর নাম নেই।”

‎শুধু শাহজাহানপুর ইউনিয়ন নয়, মাধবপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের আবেদনকারীদের অভিযোগ, আগের শুমারিগুলোতে অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিয়ে মূল্যায়ন করা হলেও ফ্যামিলি কার্ড শুমারি-২০২৬ এর নিয়োগে সেই ধারাবাহিকতা দেখা যায়নি। এতে অভিজ্ঞ প্রার্থীরা বঞ্চিত হয়েছেন বলে দাবি করছেন তারা।

‎এসব বিষয় সামনে আসার পর স্থানীয়দের প্রশ্ন, নিয়োগে যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, নীতিমালা ও সমান সুযোগের নীতি কতটা অনুসরণ করা হয়েছে? তারা নিয়োগ প্রক্রিয়ার পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন তালিকা ও নির্বাচন পদ্ধতি প্রকাশের পাশাপাশি প্রয়োজনে বিষয়টি তদন্ত করে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।


‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত।

​নিয়োগ নীতিমালা তোয়াক্কা না করে একই পরিবারে দুই চাকরি: শিক্ষক হয়েও সুপারভাইজার!

সময় ০২:৩০:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬



‎ফ্যামিলি কার্ড শুমারি-২০২৬ এর ৬নং শাহজাহানপুর ইউনিয়নের সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রাহক নিয়োগকে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

‎নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ‘অযোগ্যতা’ অংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে, “সরকারি/আধাসরকারি সংস্থায় নিয়মিত বেতনে কর্মরত” ব্যক্তিরা আবেদন করার যোগ্য নন। অথচ প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় ‘সুরমা চা বাগান আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা জিনাত মজুমদারকে সুপারভাইজার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে’। এতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

‎এছাড়া একই তালিকায় তাঁর আপন ভাই মো. বোরহান ইসলাম মজুমদার (আকিব) তথ্য সংগ্রাহক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। একই পরিবারের দুই সদস্যের নিয়োগ নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা চলছে।

‎অন্যদিকে, “সুপারভাইজার পদে অপেক্ষমাণ তালিকায় রজত রায়ের নাম রয়েছে।* স্থানীয়দের দাবি, তাঁর পূর্ববর্তী কোনো শুমারিতে কাজের অভিজ্ঞতা নেই। অথচ “একই ইউনিয়নের একাধিক অভিজ্ঞ প্রার্থী, যারা পূর্ববর্তী সরকারি শুমারিতে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সুপারভাইজার পদে আবেদন করেছিলেন, তারা চূড়ান্ত কোনো তালিকাতেই স্থান পাননি।” এতে অভিজ্ঞতার মূল্যায়ন নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

‎এছাড়া “শাহজালাল সরকারি কলেজের খণ্ডকালীন শিক্ষক হৃদয় মিয়াকেও তথ্য সংগ্রাহক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে।” এ বিষয়েও স্থানীয়দের প্রশ্ন, তাঁর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির যোগ্যতা ও অযোগ্যতার শর্তের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না। অন্যদিকে, তথ্য সংগ্রাহক পদে প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় দেখা যায়, “নির্বাচিত ১২ জনের মধ্যে ৭ জনই ৫ নম্বর ওয়ার্ডের” অথচ ৬নং শাহজাহানপুর ইউনিয়নে মোট ৯টি ওয়ার্ড রয়েছে।

‎খোঁজ নিয়ে জানা যায়, “২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে একাধিক আবেদনকারী ও পূর্ববর্তী শুমারিতে দায়িত্ব পালনকারী অভিজ্ঞ প্রার্থী থাকলেও চূড়ান্ত কিংবা অপেক্ষমাণ কোনো তালিকাতেই ওই ওয়ার্ডের কোনো প্রার্থীর নাম নেই।”

‎শুধু শাহজাহানপুর ইউনিয়ন নয়, মাধবপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের আবেদনকারীদের অভিযোগ, আগের শুমারিগুলোতে অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিয়ে মূল্যায়ন করা হলেও ফ্যামিলি কার্ড শুমারি-২০২৬ এর নিয়োগে সেই ধারাবাহিকতা দেখা যায়নি। এতে অভিজ্ঞ প্রার্থীরা বঞ্চিত হয়েছেন বলে দাবি করছেন তারা।

‎এসব বিষয় সামনে আসার পর স্থানীয়দের প্রশ্ন, নিয়োগে যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, নীতিমালা ও সমান সুযোগের নীতি কতটা অনুসরণ করা হয়েছে? তারা নিয়োগ প্রক্রিয়ার পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন তালিকা ও নির্বাচন পদ্ধতি প্রকাশের পাশাপাশি প্রয়োজনে বিষয়টি তদন্ত করে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।


‎