
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) ডিবি-সাইবার ক্রাইম ইউনিট এবং GenieA Team-এর বিশেষ অভিযানে উদ্ধার হওয়া ৯১টি হারানো মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকাল ৪টায় এসএমপি হেডকোয়ার্টার্স সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে এই হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
এসএমপি কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী পিপিএম-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি উপস্থিত ছিলেন। কমিশনার নিজে উপস্থিত থেকে ৫৭টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেন। বাকি ৩৪টি মোবাইল ফোন মালিকগণ ইতিপূর্বেই এসএমপির ৬টি থানা থেকে সংগ্রহ করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিলেট মহানগরীর বিভিন্ন থানায় সাধারণ ডায়েরির (জিডি) প্রেক্ষিতে তথ্য-প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে ডিবি-সাইবার ক্রাইম ইউনিট ও GenieA Team নিরলস কাজ করে যাচ্ছিল। গত ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে পুলিশ কমিশনারের প্রতি মাসে অন্তত ১০০টি মোবাইল উদ্ধারের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে একটি বিশেষ টিম গঠন করেন। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত এক মাসে ৪৮৫টি জিডি পর্যালোচনা করে এই ৯১টি ফোন উদ্ধার করা হয়।
উল্লেখ্য যে, এর আগে গত ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখেও একইভাবে ৭০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে মালিকদের ফিরিয়ে দিয়েছিল এসএমপি।
হারানো শখের মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে নাগরিকরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এক ভুক্তভোগী, হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বলেন, আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম যে ফোনটা আর পাবো না, কিন্তু পুলিশের এই তৎপরতা আমাদের আস্থার জায়গা আরও বাড়িয়ে দিল।
ব্যবহৃত ডিভাইস কেনাবেচার ক্ষেত্রে আইনি জটিলতা এড়াতে এসএমপি কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে,কাগজপত্র যাচাই, পুরাতন মোবাইল বা ল্যাপটপ কেনার সময় অবশ্যই বৈধ রসিদ ও বিক্রেতার পরিচয় নিশ্চিত করুন। ডিভাইসের বক্সের সাথে আইএমইআই (IMEI) নম্বর মিলিয়ে নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়।
রাস্তাঘাটে বা অপরিচিত কারো কাছ থেকে নামমাত্র মূল্যে ডিভাইস কেনা থেকে বিরত থাকতে সর্তক করা হয়। পুলিশ জানায়, যাচাই-বাছাই ছাড়া পন্য কিনলে এগুলো চোরাই পণ্য হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মনে রাখবেন, চোরাই পণ্য কেনা এবং বিক্রি করা—উভয়ই দণ্ডনীয় অপরাধ।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ নগরবাসীর জান-মালের নিরাপত্তা ও সাইবার অপরাধ দমনে সর্বদা সজাগ এবং জনগণের সেবায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
স্টাফ রিপোর্টার 









