সিলেট ০৩:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎সিলেটে এসআরবি-৯ এর পৃথক অভিযান: ৩৬ কেজি গাঁজাসহ আটক ২ ‎সিলেটে বিজিবির অভিযানে সোয়া কোটি টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ সিলেট বোর্ডে এইচএসসিতে চরম বিপর্যয়: পাসের হার ৫০.৯০%, ১৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন‎ ‎এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়ে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখল পুলক আবির ‎বৃটেনের নিউপোর্টে কেল্টিক ট্রাইগার্স স্পোর্টস ক্লাবের ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত রাজনগর প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটিকে শেরপুর প্রেসক্লাবের অভিনন্দন শান্তিগঞ্জে কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিল ৬৪৭ শিক্ষার্থী হবিগঞ্জে নিখোঁজের সাড়ে তিন বছর পর সেপটিক ট্যাংকে দেহাবশেষ উদ্ধার, গ্রেপ্তার দম্পতি ‎নবীগঞ্জে ৩২ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার  ‎সিলেটে ‘জুলাই ওয়ারিয়র্স অ্যালায়েন্স’-এর গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সিলেট বোর্ডে এইচএসসিতে চরম বিপর্যয়: পাসের হার ৫০.৯০%, ১৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন‎

চলতি ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ফলাফলে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। এবার এ বোর্ডে পাসের হার মাত্র ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ, যা গত ১৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। একই সাথে কমেছে সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও।
‎শনিবার সকালে সিলেট শিক্ষা বোর্ডের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বিলকিস বেগম।
‎
‎শিক্ষা বোর্ডের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, এ বছর সিলেট বোর্ডের অধীনে মোট ৭২ হাজার ৭৪৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। যার মধ্যে পাস করেছেন মাত্র ৫০.৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ২০৪ জন পরীক্ষার্থী।
‎
‎গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ উভয়ই কমেছে। ২০২৫ সালে সিলেট বোর্ডে পাসের হার ছিল ৫১.৮৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ হাজার ৬০২ জন।
‎বিগত বছরগুলোর পাসের হারের চিত্র ও বোর্ডের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পাসের হার ছিল যথাক্রমে ২০২৪: ৮৫.৩৯%, ২০২৩: ৭১.৬২%  ২০২২: ৮১.৪০%, ২০২১: ৯৪.৮০%, ২০২০: ১০০% (অটোপাস),২০১৯: ৬৭.০৫%, ২০১৮: ৭৩.৭০%, ২০১৭: ৭২.০০%, ২০১৬: ৬৮.৫৯%,২০১৫: ৭৪.৫৭% ও ২০১৪: ৭৯.১৬%।
‎
‎বোর্ড সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০২০ সালে করোনা মহামারীর কারণে পরীক্ষা ছাড়াই সবাইকে পাস করিয়ে দেওয়া হয়। ২০২১ সালে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস এবং জেএসসি-এসএসসির নম্বরের ভিত্তিতে ফল মূল্যায়নের কারণে পাসের হার অস্বাভাবিক বেশি ছিল। তবে স্বাভাবিক মূল্যায়নে ফিরতেই ফলাফলের এই ধস স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
‎
‎শিক্ষক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট অনেকের মতে, এ বছর পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তুলনামূলক কঠিন হওয়ায় এই পাসের হার কমেছে। তবে সার্বিক বিপর্যয় হলেও মেধা ও প্রস্তুতির ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ভালো শিক্ষার্থীরা বরাবরই প্রত্যাশিত ভালো ফলাফল অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।
‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎সিলেটে এসআরবি-৯ এর পৃথক অভিযান: ৩৬ কেজি গাঁজাসহ আটক ২

সিলেট বোর্ডে এইচএসসিতে চরম বিপর্যয়: পাসের হার ৫০.৯০%, ১৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন‎

সময় ১২:৪২:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

চলতি ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ফলাফলে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। এবার এ বোর্ডে পাসের হার মাত্র ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ, যা গত ১৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। একই সাথে কমেছে সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও।
‎শনিবার সকালে সিলেট শিক্ষা বোর্ডের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বিলকিস বেগম।
‎
‎শিক্ষা বোর্ডের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, এ বছর সিলেট বোর্ডের অধীনে মোট ৭২ হাজার ৭৪৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। যার মধ্যে পাস করেছেন মাত্র ৫০.৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ২০৪ জন পরীক্ষার্থী।
‎
‎গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ উভয়ই কমেছে। ২০২৫ সালে সিলেট বোর্ডে পাসের হার ছিল ৫১.৮৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ হাজার ৬০২ জন।
‎বিগত বছরগুলোর পাসের হারের চিত্র ও বোর্ডের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পাসের হার ছিল যথাক্রমে ২০২৪: ৮৫.৩৯%, ২০২৩: ৭১.৬২%  ২০২২: ৮১.৪০%, ২০২১: ৯৪.৮০%, ২০২০: ১০০% (অটোপাস),২০১৯: ৬৭.০৫%, ২০১৮: ৭৩.৭০%, ২০১৭: ৭২.০০%, ২০১৬: ৬৮.৫৯%,২০১৫: ৭৪.৫৭% ও ২০১৪: ৭৯.১৬%।
‎
‎বোর্ড সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০২০ সালে করোনা মহামারীর কারণে পরীক্ষা ছাড়াই সবাইকে পাস করিয়ে দেওয়া হয়। ২০২১ সালে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস এবং জেএসসি-এসএসসির নম্বরের ভিত্তিতে ফল মূল্যায়নের কারণে পাসের হার অস্বাভাবিক বেশি ছিল। তবে স্বাভাবিক মূল্যায়নে ফিরতেই ফলাফলের এই ধস স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
‎
‎শিক্ষক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট অনেকের মতে, এ বছর পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তুলনামূলক কঠিন হওয়ায় এই পাসের হার কমেছে। তবে সার্বিক বিপর্যয় হলেও মেধা ও প্রস্তুতির ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ভালো শিক্ষার্থীরা বরাবরই প্রত্যাশিত ভালো ফলাফল অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।
‎