সিলেট ০৭:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
এনায়েত উল্লাাহ আব্বাসী’র মানহানিকর বক্তব্য ও সাংবাদিক হত্যার প্রতিবাদে সিসকপ’র মানববন্ধন!  ‎করাব ইউনিয়নে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী যুবদল নেতা মাহবুব আলম মালু বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ৫৫তম শাহাদাত বার্ষিকী আজ মৌলভীবাজারে পিকআপসহ চারজন আটক, চুরি হওয়া দুই গাভী উদ্ধার ‎মিষ্টির আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হতে যাচ্ছেন এলিজা জামান পদ্ম হাতে “তুমি আসবে বলেই তো অপেক্ষাটা এত সুন্দর” প্রধান শিক্ষক তন্নী রহমানের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা‎ গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাব সম্পাদক কে.এম. লিমনকে গ্রাম পুলিশের সংবর্ধনা ‎সিলেটের গোয়াইনঘাটে যুবদল নেতা বদরুল হত্যা: দিরাই থেকে ২ আসামি গ্রেফতার মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনের রুট কক্সবাজার পর্যন্ত বর্ধিতকরণের শুভ উদ্বোধন ‎সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত: জনবান্ধব পুলিশিংয়ের অঙ্গীকার

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ৫৫তম শাহাদাত বার্ষিকী আজ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার দলই সীমান্তে মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব প্রদর্শন করে শহীদ হওয়া বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের ৫৫তম শাহাদাত বার্ষিকী আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর)। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মেশিনগান পোস্টে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে শত্রুপক্ষের প্রতিরোধ ভেঙে দেওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন তিনি। তাঁর আত্মত্যাগের বিনিময়ে মুক্তিযোদ্ধারা দলই সীমান্ত ফাঁড়ি দখলে সফল হন।
‎
‎মাত্র ১৮ বছর বয়সে দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গ করা হামিদুর রহমান বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক বীরত্বসূচক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’প্রাপ্ত সাত শহীদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ। তাঁর অসীম সাহসিকতা ও আত্মত্যাগ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।
‎
‎১৯৭১ সালের অক্টোবরের শেষদিকে কমলগঞ্জের দলই সীমান্ত এলাকায় মুক্তিবাহিনী ও পাকিস্তানি সেনাদের মধ্যে তীব্র যুদ্ধ চলছিল। সীমান্তের ধলাই চৌকি ছিল পাকিস্তানি সেনাদের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কমলপুর এলাকায় মুক্তিবাহিনীর সাবসেক্টর ক্যাম্প থেকে পরিচালিত অভিযানের অংশ হিসেবে দলই সীমান্ত ফাঁড়ি দখলের পরিকল্পনা করা হয়।

২৮ অক্টোবর ভোররাতে লেফটেন্যান্ট কাইয়ুমের নেতৃত্বে প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সি কোম্পানির মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি সেনাদের অবস্থানে সাঁড়াশি আক্রমণ চালান। অভিযানে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রায় ১২৫ জন মুক্তিযোদ্ধা অংশ নেন। তীব্র গোলাগুলির একপর্যায়ে পাকিস্তানি সেনাদের মেশিনগান পোস্ট থেকে অবিরাম গুলিবর্ষণের কারণে মুক্তিযোদ্ধাদের অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত হয়।
‎
‎এ অবস্থায় শত্রুপক্ষের মেশিনগান পোস্টটি অকার্যকর করার দায়িত্ব দেওয়া হয় সিপাহী হামিদুর রহমানকে। তিনি পাহাড়ি খাল দিয়ে বুকে হেঁটে এগিয়ে গিয়ে গ্রেনেড নিক্ষেপ করেন। তাঁর ছোড়া গ্রেনেডে মেশিনগান পোস্টটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হলেও দমে যাননি। আহত অবস্থায় শত্রুপক্ষের অবস্থানে পৌঁছে পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে হাতাহাতি যুদ্ধে লিপ্ত হন। একপর্যায়ে মেশিনগান পোস্টটি অকার্যকর হয়ে পড়ে।
‎
‎এরপর মুক্তিযোদ্ধারা সামনে এগিয়ে গিয়ে দলই সীমান্ত ফাঁড়ি দখল করতে সক্ষম হন। তবে বিজয়ের সেই মুহূর্ত দেখে যেতে পারেননি হামিদুর রহমান। ফাঁড়ি দখলের পর তাঁর মরদেহ উদ্ধার করেন সহযোদ্ধারা। দেশের স্বাধীনতার জন্য তাঁর এই আত্মত্যাগ তাঁকে জাতির ইতিহাসে অমর করে রেখেছে।
‎
‎শহীদ হওয়ার পর হামিদুর রহমানের মরদেহ সীমান্তের কাছাকাছি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের হাতিমেরছড়া গ্রামের একটি পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
‎
‎মুক্তিযুদ্ধের পর দলই সীমান্ত ফাঁড়ির সামনে তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) উদ্যোগে তাঁর স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে একটি নামফলক স্থাপন করা হয়। পরে ২০০৫ সালে তৎকালীন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী প্রয়াত এম সাইফুর রহমান দলই সীমান্ত এলাকায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরবর্তী সময়ে সেখানে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
‎
‎স্থানীয় সাংবাদিকদের লিখিত আবেদন ও এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৭ সালের ২৭ অক্টোবর তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ দেশে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয়। ওই বছরের ১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ রাইফেলসের একটি দল ভারতের ত্রিপুরা সীমান্ত থেকে তাঁর দেহাবশেষ গ্রহণ করে। পরে ১১ ডিসেম্বর ঢাকার শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁকে পুনরায় সমাহিত করা হয়।
‎
‎প্রতি বছর ২৮ অক্টোবর বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, বিজিবি ও কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে দলই সীমান্তের স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
‎
‎এবারও বুধবার উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, বিজিবি ও প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে বলে জানা গেছে।
‎
‎তবে স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর জীবন, বীরত্বগাথা ও আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয় না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের দিবসে আলোচনা সভা, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক তথ্যচিত্র প্রদর্শন এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজন করা হলে তরুণ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের অবদান সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানতে পারবে।
‎
‎দলই সীমান্তের মাটি আজও স্মরণ করিয়ে দেয় এক অকুতোভয় তরুণের আত্মত্যাগের ইতিহাস। দেশের স্বাধীনতা অর্জনে তাঁর অবদান শুধু একটি যুদ্ধজয়ের কাহিনি নয়, বরং দেশপ্রেম, সাহস ও আত্মত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এনায়েত উল্লাাহ আব্বাসী’র মানহানিকর বক্তব্য ও সাংবাদিক হত্যার প্রতিবাদে সিসকপ’র মানববন্ধন! 

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ৫৫তম শাহাদাত বার্ষিকী আজ

সময় ০৬:৩০:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার দলই সীমান্তে মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব প্রদর্শন করে শহীদ হওয়া বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের ৫৫তম শাহাদাত বার্ষিকী আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর)। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মেশিনগান পোস্টে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে শত্রুপক্ষের প্রতিরোধ ভেঙে দেওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন তিনি। তাঁর আত্মত্যাগের বিনিময়ে মুক্তিযোদ্ধারা দলই সীমান্ত ফাঁড়ি দখলে সফল হন।
‎
‎মাত্র ১৮ বছর বয়সে দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গ করা হামিদুর রহমান বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক বীরত্বসূচক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’প্রাপ্ত সাত শহীদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ। তাঁর অসীম সাহসিকতা ও আত্মত্যাগ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।
‎
‎১৯৭১ সালের অক্টোবরের শেষদিকে কমলগঞ্জের দলই সীমান্ত এলাকায় মুক্তিবাহিনী ও পাকিস্তানি সেনাদের মধ্যে তীব্র যুদ্ধ চলছিল। সীমান্তের ধলাই চৌকি ছিল পাকিস্তানি সেনাদের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কমলপুর এলাকায় মুক্তিবাহিনীর সাবসেক্টর ক্যাম্প থেকে পরিচালিত অভিযানের অংশ হিসেবে দলই সীমান্ত ফাঁড়ি দখলের পরিকল্পনা করা হয়।

২৮ অক্টোবর ভোররাতে লেফটেন্যান্ট কাইয়ুমের নেতৃত্বে প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সি কোম্পানির মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি সেনাদের অবস্থানে সাঁড়াশি আক্রমণ চালান। অভিযানে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রায় ১২৫ জন মুক্তিযোদ্ধা অংশ নেন। তীব্র গোলাগুলির একপর্যায়ে পাকিস্তানি সেনাদের মেশিনগান পোস্ট থেকে অবিরাম গুলিবর্ষণের কারণে মুক্তিযোদ্ধাদের অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত হয়।
‎
‎এ অবস্থায় শত্রুপক্ষের মেশিনগান পোস্টটি অকার্যকর করার দায়িত্ব দেওয়া হয় সিপাহী হামিদুর রহমানকে। তিনি পাহাড়ি খাল দিয়ে বুকে হেঁটে এগিয়ে গিয়ে গ্রেনেড নিক্ষেপ করেন। তাঁর ছোড়া গ্রেনেডে মেশিনগান পোস্টটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হলেও দমে যাননি। আহত অবস্থায় শত্রুপক্ষের অবস্থানে পৌঁছে পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে হাতাহাতি যুদ্ধে লিপ্ত হন। একপর্যায়ে মেশিনগান পোস্টটি অকার্যকর হয়ে পড়ে।
‎
‎এরপর মুক্তিযোদ্ধারা সামনে এগিয়ে গিয়ে দলই সীমান্ত ফাঁড়ি দখল করতে সক্ষম হন। তবে বিজয়ের সেই মুহূর্ত দেখে যেতে পারেননি হামিদুর রহমান। ফাঁড়ি দখলের পর তাঁর মরদেহ উদ্ধার করেন সহযোদ্ধারা। দেশের স্বাধীনতার জন্য তাঁর এই আত্মত্যাগ তাঁকে জাতির ইতিহাসে অমর করে রেখেছে।
‎
‎শহীদ হওয়ার পর হামিদুর রহমানের মরদেহ সীমান্তের কাছাকাছি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের হাতিমেরছড়া গ্রামের একটি পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
‎
‎মুক্তিযুদ্ধের পর দলই সীমান্ত ফাঁড়ির সামনে তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) উদ্যোগে তাঁর স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে একটি নামফলক স্থাপন করা হয়। পরে ২০০৫ সালে তৎকালীন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী প্রয়াত এম সাইফুর রহমান দলই সীমান্ত এলাকায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরবর্তী সময়ে সেখানে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
‎
‎স্থানীয় সাংবাদিকদের লিখিত আবেদন ও এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৭ সালের ২৭ অক্টোবর তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ দেশে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয়। ওই বছরের ১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ রাইফেলসের একটি দল ভারতের ত্রিপুরা সীমান্ত থেকে তাঁর দেহাবশেষ গ্রহণ করে। পরে ১১ ডিসেম্বর ঢাকার শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁকে পুনরায় সমাহিত করা হয়।
‎
‎প্রতি বছর ২৮ অক্টোবর বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, বিজিবি ও কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে দলই সীমান্তের স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
‎
‎এবারও বুধবার উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, বিজিবি ও প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে বলে জানা গেছে।
‎
‎তবে স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর জীবন, বীরত্বগাথা ও আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয় না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের দিবসে আলোচনা সভা, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক তথ্যচিত্র প্রদর্শন এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজন করা হলে তরুণ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের অবদান সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানতে পারবে।
‎
‎দলই সীমান্তের মাটি আজও স্মরণ করিয়ে দেয় এক অকুতোভয় তরুণের আত্মত্যাগের ইতিহাস। দেশের স্বাধীনতা অর্জনে তাঁর অবদান শুধু একটি যুদ্ধজয়ের কাহিনি নয়, বরং দেশপ্রেম, সাহস ও আত্মত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।