সিলেট ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
বর্তমান বাস্তবতায় যুক্তিনির্ভর চিন্তার গুরুত্ব অপরিসীমঃ ভাইস চান্সেলর প্রফেসর ড.মোহাম্মদ জহিরুল হক বানিয়াচংয়ে নিখোঁজ শিক্ষার্থী ফাবিয়া তাবাসসুম মীম এঁর বাড়িতে : এমপি ডা. জীবন জামালপুরে জেলা গ্রাম আদালত ব্যবস্থাপনা কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত ‎ ‎শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আলোচিত কলেজছাত্র নাঈম হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৫ জন খালাস লাখাইয়ে সাজা শেষে জামিনে মুক্তি, পরোয়ানায় ফের গ্রেপ্তার মাহফু ‎অযত্নে-অবহেলায় বাহুবলের ফয়জাবাদ বধ্যভূমি, রাতে মাদকসেবীদের আড্ডার অভিযোগ ‎দিরাইয়ে এক বিধবা নারীর পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের ষড়যন্ত্র, চলাচলের পথ অবরুদ্ধ, থানায় অভিযোগ। ‎জনবল-সংকটে জর্জরিত স্বাস্থ্যসেবা: কর্মীদের মানসিক ঝুঁকির এক অদৃশ্য মহামারি ধনবাড়ীতে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ: প্রধান আসামি সুরুজ গ্রেপ্তার

ইউরোপে পাঠানোর নামে ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ: সিলেটে র‍্যাবের হাতে প্রতারক চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার


‎ইউরোপের দেশ সার্বিয়ায় পাঠানোর নামে ১৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে একটি প্রতারক চক্রের মূলহোতা আই এ মারুফ আহমদকে (৩৪) গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯ (র‍্যাব-৯)।
‎
‎বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত আনুমানিক ১১টা ৫ মিনিটে সিলেটের কোতোয়ালী থানাধীন আম্বরখানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মারুফ আহমদ সিলেট জেলার জালালাবাদ থানার পাইকরাজ গ্রামের মৃত হাবীব আহমদের ছেলে।
‎
র‍্যাব-৯ এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সিলেট শহরের আম্বরখানাস্থ ‘গোল্ডেন টাওয়ারে’ একটি ট্রাভেলস এজেন্সি খুলে আসামিরা ইউরোপ, আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় লোক পাঠানোর নামে প্রচারণা চালিয়ে আসছিল। এই প্রচারণায় বিশ্বাস করে সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জের মোস্তফানগরের বাসিন্দা আফতাব উদ্দিন তার ছেলে ও শ্যালকের ছেলেকে সার্বিয়ায় পাঠানোর জন্য মারুফ ও তার সহযোগীদের সাথে ১৮ লাখ টাকার চুক্তি করেন।
‎চুক্তি অনুযায়ী ১৮ লাখ টাকা পরিশোধ করার পর গত বছরের ২০ নভেম্বর ভুক্তভোগীদের হাতে ভিসা তুলে দেওয়া হয়।
‎
‎পরবর্তীতে ১৬ ডিসেম্বর মারুফ ও তার সহযোগী কে এম জাকির আহমদ মনি ভুক্তভোগীদের ফ্লাইটে তুলে দেওয়ার কথা বলে ঢাকার বিমানবন্দরে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের বসিয়ে রেখে আসামিরা কৌশলে সটকে পড়ে এবং পরে ফোন করে ফ্লাইটের সময় পরিবর্তনের অজুহাত দিয়ে তাদের সিলেটে ফেরত পাঠায়।
‎
‎পরবর্তীতে ভুক্তভোগীরা সিলেটের বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সিতে খোঁজ নিয়ে নিশ্চিত হন যে, তাদের দেওয়া ভিসাগুলো সম্পূর্ণ ভুয়া এবং অনলাইনে এগুলোর কোনো অস্তিত্ব নেই। প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে টাকা ফেরত চাইলে আসামিরা ভুক্তভোগীদের বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে।
‎
‎এ ঘটনায় আফতাব উদ্দিন বাদী হয়ে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা (মামলা নং-৩, তারিখ: ০৪/০৭/২০২৬ খ্রিঃ) দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে র‍্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে মূলহোতা মারুফ আহমদকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
‎
‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোম্পানীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রতারক চক্রের অন্যান্য সদস্যদের ধরতে র‍্যাবের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বর্তমান বাস্তবতায় যুক্তিনির্ভর চিন্তার গুরুত্ব অপরিসীমঃ ভাইস চান্সেলর প্রফেসর ড.মোহাম্মদ জহিরুল হক

ইউরোপে পাঠানোর নামে ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ: সিলেটে র‍্যাবের হাতে প্রতারক চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার

সময় ০৬:৫৭:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬


‎ইউরোপের দেশ সার্বিয়ায় পাঠানোর নামে ১৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে একটি প্রতারক চক্রের মূলহোতা আই এ মারুফ আহমদকে (৩৪) গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯ (র‍্যাব-৯)।
‎
‎বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত আনুমানিক ১১টা ৫ মিনিটে সিলেটের কোতোয়ালী থানাধীন আম্বরখানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মারুফ আহমদ সিলেট জেলার জালালাবাদ থানার পাইকরাজ গ্রামের মৃত হাবীব আহমদের ছেলে।
‎
র‍্যাব-৯ এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সিলেট শহরের আম্বরখানাস্থ ‘গোল্ডেন টাওয়ারে’ একটি ট্রাভেলস এজেন্সি খুলে আসামিরা ইউরোপ, আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় লোক পাঠানোর নামে প্রচারণা চালিয়ে আসছিল। এই প্রচারণায় বিশ্বাস করে সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জের মোস্তফানগরের বাসিন্দা আফতাব উদ্দিন তার ছেলে ও শ্যালকের ছেলেকে সার্বিয়ায় পাঠানোর জন্য মারুফ ও তার সহযোগীদের সাথে ১৮ লাখ টাকার চুক্তি করেন।
‎চুক্তি অনুযায়ী ১৮ লাখ টাকা পরিশোধ করার পর গত বছরের ২০ নভেম্বর ভুক্তভোগীদের হাতে ভিসা তুলে দেওয়া হয়।
‎
‎পরবর্তীতে ১৬ ডিসেম্বর মারুফ ও তার সহযোগী কে এম জাকির আহমদ মনি ভুক্তভোগীদের ফ্লাইটে তুলে দেওয়ার কথা বলে ঢাকার বিমানবন্দরে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের বসিয়ে রেখে আসামিরা কৌশলে সটকে পড়ে এবং পরে ফোন করে ফ্লাইটের সময় পরিবর্তনের অজুহাত দিয়ে তাদের সিলেটে ফেরত পাঠায়।
‎
‎পরবর্তীতে ভুক্তভোগীরা সিলেটের বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সিতে খোঁজ নিয়ে নিশ্চিত হন যে, তাদের দেওয়া ভিসাগুলো সম্পূর্ণ ভুয়া এবং অনলাইনে এগুলোর কোনো অস্তিত্ব নেই। প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে টাকা ফেরত চাইলে আসামিরা ভুক্তভোগীদের বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে।
‎
‎এ ঘটনায় আফতাব উদ্দিন বাদী হয়ে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা (মামলা নং-৩, তারিখ: ০৪/০৭/২০২৬ খ্রিঃ) দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে র‍্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে মূলহোতা মারুফ আহমদকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
‎
‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোম্পানীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রতারক চক্রের অন্যান্য সদস্যদের ধরতে র‍্যাবের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
‎