সিলেট ০৭:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
‎জামালপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মাধ্যমে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত লাখাইয়ে নতুন ইউএনও তারেক হাসান, এর যোগদান ‎বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বানিয়াচংয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালী। ইয়াবা সেবনের দায়ে বাহুবলে এক ব্যক্তির ৬ মাসের কারাদণ্ড ‎স্পেনে বাইসাইকেল গ্যারেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশীর তরুণে মৃত্যু বানিয়াচং জনাব আলী সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক অনুপ রায় এর অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা ‎মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু: বানিয়াচংয়ের বিদায়ী ইউএনও কে সংবর্ধনা প্রদান। ‎গোয়াইনঘাটে নজরুল বিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হবিগঞ্জে সংরক্ষিত বন থেকে বাঁশ পাচার, মিনি ট্রাক জব্দ ‎প্রশাসন ক্যাডারের ২৭ উপসচিবকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পদায়ন

‎টাঙ্গাইলের সখীপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী সামিয়াকে অপহরণ ও হত্যা: আসামির মৃত্যুদণ্ড



‎টাঙ্গাইলের সখীপুরে তৃতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী সামিয়া আক্তারকে (৯) অপহরণের পর হত্যা, মুক্তিপণ দাবি ও লাশ গুমের চেষ্টার মামলায় সাব্বির মিয়া (২১) নামে এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

‎বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ ন ম ইলিয়াস এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কড়া নিরাপত্তায় টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। দণ্ডিত সাব্বির মিয়া সখীপুর উপজেলার দাড়িয়াপুর (উত্তরপাড়া) গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে।

‎আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার তদন্ত প্রতিবেদন, চিকিৎসা সনদ, সাক্ষীদের সাক্ষ্য এবং উভয় পক্ষের আইনজীবীদের দীর্ঘ যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক এই রায় প্রদান করেন।
‎রায় ঘোষণার সময় আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, অপহরণের পর শিশু ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ সমাজে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এ ধরনের সামাজিক অপরাধ দমনে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন।

‎এদিকে রায় ঘোষণার সময় আদালত প্রাঙ্গণে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। রায় শুনে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ভুক্তভোগী শিশু সামিয়ার পরিবারের সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান।

‎রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) জানান, আদালতে উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণে আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করেছেন। আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট।

‎অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন, তারা এই রায়ের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।
‎উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর করার আগে উচ্চ আদালতের (হাইকোর্ট) অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) এবং আপিলসহ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

‎জামালপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মাধ্যমে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

‎টাঙ্গাইলের সখীপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী সামিয়াকে অপহরণ ও হত্যা: আসামির মৃত্যুদণ্ড

সময় ১২:৪৩:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬



‎টাঙ্গাইলের সখীপুরে তৃতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী সামিয়া আক্তারকে (৯) অপহরণের পর হত্যা, মুক্তিপণ দাবি ও লাশ গুমের চেষ্টার মামলায় সাব্বির মিয়া (২১) নামে এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

‎বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ ন ম ইলিয়াস এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কড়া নিরাপত্তায় টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। দণ্ডিত সাব্বির মিয়া সখীপুর উপজেলার দাড়িয়াপুর (উত্তরপাড়া) গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে।

‎আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার তদন্ত প্রতিবেদন, চিকিৎসা সনদ, সাক্ষীদের সাক্ষ্য এবং উভয় পক্ষের আইনজীবীদের দীর্ঘ যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক এই রায় প্রদান করেন।
‎রায় ঘোষণার সময় আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, অপহরণের পর শিশু ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ সমাজে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এ ধরনের সামাজিক অপরাধ দমনে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন।

‎এদিকে রায় ঘোষণার সময় আদালত প্রাঙ্গণে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। রায় শুনে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ভুক্তভোগী শিশু সামিয়ার পরিবারের সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান।

‎রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) জানান, আদালতে উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণে আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করেছেন। আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট।

‎অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন, তারা এই রায়ের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।
‎উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর করার আগে উচ্চ আদালতের (হাইকোর্ট) অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) এবং আপিলসহ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়।