সিলেট ১০:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
গোলাপগঞ্জে ২১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২, নগদ টাকা উদ্ধার ‎জৈন্তাপুর সীমান্তে ওয়াচ টাওয়ারে বিজিবি সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ‎জামালপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মাধ্যমে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত লাখাইয়ে নতুন ইউএনও তারেক হাসান, এর যোগদান ‎বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বানিয়াচংয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালী। ইয়াবা সেবনের দায়ে বাহুবলে এক ব্যক্তির ৬ মাসের কারাদণ্ড ‎স্পেনে বাইসাইকেল গ্যারেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশীর তরুণে মৃত্যু বানিয়াচং জনাব আলী সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক অনুপ রায় এর অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা ‎মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু: বানিয়াচংয়ের বিদায়ী ইউএনও কে সংবর্ধনা প্রদান। ‎গোয়াইনঘাটে নজরুল বিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

‎টাঙ্গাইলে গৃহবধূ নাজমা হত্যা: ২৪ ঘণ্টায় রহস্য উন্মোচন, মোয়াজ্জিনসহ গ্রেফতার ২

পুলিশের অভিযানে আটকৃত মোয়াজ্জিন ও স্বর্ণ ব্যবসায়ী।



‎টাঙ্গাইল শহরে দিনদুপুরে গৃহবধূ নাজমা আলম (৫১) হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ক্লুলেস এই ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় একটি মসজিদের মোয়াজ্জিনসহ দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সাথে উদ্ধার করা হয়েছে লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার মৃত মোতালেব সরকারের ছেলে ও স্থানীয় মসজিদের মোয়াজ্জিন মোশারফ হোসেন (৪২) এবং স্বর্ণ ব্যবসায়ী সন্তোষ কর্মকার (৪৫)।
‎মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এস এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

‎সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, গত রোববার (২৮ জুন) দিনদুপুরে নিজ বাসায় নির্মমভাবে খুন হন গৃহবধূ নাজমা আলম। তিনি ওই এলাকার ভেটেরিনারি ডাক্তার শফিউল আলম শাহীনের স্ত্রী। খবর পেয়ে পুলিশ তার হাত-পা বাঁধা ও গলায় রশি পেঁচানো রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের গলার স্বর্ণের চেইন ও হাতের বালা খোয়া যায়।

‎অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, ঘটনার পর তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণ ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথমে স্বর্ণ ব্যবসায়ী সন্তোষ কর্মকারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার সন্ধ্যায় মূল হত্যাকারী মোশারফ হোসেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

‎পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মোশারফ হোসেন স্বীকার করেছেন, তিনি গৃহবধূ নাজমার হাতে ও গলায় থাকা স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় নাজমা আলম বাধা দিলে মোশারফ হাতুড়ি দিয়ে তার মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে হত্যা করেন। প্রমাণ লোপাটের জন্য তিনি ঘরের সিসি ক্যামেরা ভেঙে ফেলেন এবং স্বর্ণালংকারের পাশাপাশি রক্তমাখা হাতুড়ি ও সিসি ক্যামেরার ডিভিডি সাথে করে নিয়ে যান।
‎পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের আজ মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

গোলাপগঞ্জে ২১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২, নগদ টাকা উদ্ধার

‎টাঙ্গাইলে গৃহবধূ নাজমা হত্যা: ২৪ ঘণ্টায় রহস্য উন্মোচন, মোয়াজ্জিনসহ গ্রেফতার ২

সময় ১০:১৬:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
পুলিশের অভিযানে আটকৃত মোয়াজ্জিন ও স্বর্ণ ব্যবসায়ী।



‎টাঙ্গাইল শহরে দিনদুপুরে গৃহবধূ নাজমা আলম (৫১) হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ক্লুলেস এই ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় একটি মসজিদের মোয়াজ্জিনসহ দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সাথে উদ্ধার করা হয়েছে লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার মৃত মোতালেব সরকারের ছেলে ও স্থানীয় মসজিদের মোয়াজ্জিন মোশারফ হোসেন (৪২) এবং স্বর্ণ ব্যবসায়ী সন্তোষ কর্মকার (৪৫)।
‎মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এস এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

‎সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, গত রোববার (২৮ জুন) দিনদুপুরে নিজ বাসায় নির্মমভাবে খুন হন গৃহবধূ নাজমা আলম। তিনি ওই এলাকার ভেটেরিনারি ডাক্তার শফিউল আলম শাহীনের স্ত্রী। খবর পেয়ে পুলিশ তার হাত-পা বাঁধা ও গলায় রশি পেঁচানো রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের গলার স্বর্ণের চেইন ও হাতের বালা খোয়া যায়।

‎অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, ঘটনার পর তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণ ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথমে স্বর্ণ ব্যবসায়ী সন্তোষ কর্মকারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার সন্ধ্যায় মূল হত্যাকারী মোশারফ হোসেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

‎পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মোশারফ হোসেন স্বীকার করেছেন, তিনি গৃহবধূ নাজমার হাতে ও গলায় থাকা স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় নাজমা আলম বাধা দিলে মোশারফ হাতুড়ি দিয়ে তার মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে হত্যা করেন। প্রমাণ লোপাটের জন্য তিনি ঘরের সিসি ক্যামেরা ভেঙে ফেলেন এবং স্বর্ণালংকারের পাশাপাশি রক্তমাখা হাতুড়ি ও সিসি ক্যামেরার ডিভিডি সাথে করে নিয়ে যান।
‎পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের আজ মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়েছে।