সিলেট ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
News Title :
‎সিলেটে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়কারী চক্রের ১০ সদস্য গ্রেপ্তার: ২ ভিকটিম উদ্ধার সখীপুরে মাটিবাহী ডাম্প ট্রাক উল্টে খাদে  অল্পের জন্য রক্ষা চালক সখিপুরে বেশি দামে তেল বিক্রি: দুই দোকানিকে জরিমানা‎ ‎সৌদি আরবে মিসাইল হামলায় টাঙ্গাইলের রেমিট্যান্স যোদ্ধা নিহত ‎লাখাইয়ে তুচ্ছ ঘটনায় পৃথক সংঘর্ষ: আহত ২৫ বানিয়াচংয়ে কৃষক ঐক্য সমবায়ের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত।‎ সিলেটে ‘হবিগঞ্জ সমিতি’র দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত‎ বিশ্বনাথে ফুটবল খেলো নিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ, বাকপ্রতিবন্ধি ও স্কুলছাত্রসহ আহত অর্ধশতাধিক ‎ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়ক পরিদর্শনে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার ‎স্বপ্নপূরণের শেষে নিথর দেহ: ৩৫ বছরের প্রবাস জীবন শেষে কফিনে ফিরলেন সালেহ উদ্দিন
‎৪৮ ঘণ্টার মধ্যে র‍্যাব-৯ সাফল্য....

‎সিলেটে পর্নোগ্রাফি মামলার পলাতক আসামি রুকন মিয়া গ্রেফতার।




‎সিলেটের মোগলাবাজার এলাকায় পর্নোগ্রাফি মামলার একমাত্র পলাতক আসামি রুকন মিয়াকে (৩৫) ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৯। আজ শনিবার (০৭ মার্চ) বিকেলে মোগলাবাজার থানাধীন সেলিম ডেকোরেশনের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।


‎সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত রুকন মিয়া ভিকটিমের বোন জামাই। সেই সুবাদে সে প্রায়ই ভিকটিমের বাড়িতে যাতায়াত করত। একপর্যায়ে ভিকটিমের অজান্তে তার কিছু আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে রুকন। পরবর্তীতে সেই ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে সে ভিকটিমের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করে।


‎বিষয়টি ভিকটিমের বোন জানতে পারলে রুকন ক্ষিপ্ত হয়ে গত বছরের ১৭ জুন তার স্ত্রীকে মৌখিকভাবে তালাক দেয়। এরপর সে ভিকটিমের কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করে এবং দাবি পূরণ না হওয়ায় ফেসবুকে ভিকটিমের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেয়। এই ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে এসএমপি সিলেটের মোগলাবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।


‎মামলা দায়েরের পর আসামি রুকন মিয়া আত্মগোপনে চলে যায়। র‍্যাব-৯ এই ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। এরই ধারাবাহিকতায়, আজ ৭ মার্চ ২০২৬ তারিখ বিকাল আনুমানিক ৫:০৫ ঘটিকায় মোগলাবাজারের সেলিম ডেকোরেশনের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।


‎রুকন মিয়া (৩৫), পিতা- লাল মিয়া, গ্রাম- বীরমঙ্গল, থানা- মোগলাবাজার, জেলা- সিলেট।


‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় (মোগলাবাজার থানা) হস্তান্তর করা হয়েছে। অপরাধ নির্মূলে র‍্যাবের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎সিলেটে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়কারী চক্রের ১০ সদস্য গ্রেপ্তার: ২ ভিকটিম উদ্ধার

‎৪৮ ঘণ্টার মধ্যে র‍্যাব-৯ সাফল্য....

‎সিলেটে পর্নোগ্রাফি মামলার পলাতক আসামি রুকন মিয়া গ্রেফতার।

সময় ০৯:৫৭:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬




‎সিলেটের মোগলাবাজার এলাকায় পর্নোগ্রাফি মামলার একমাত্র পলাতক আসামি রুকন মিয়াকে (৩৫) ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৯। আজ শনিবার (০৭ মার্চ) বিকেলে মোগলাবাজার থানাধীন সেলিম ডেকোরেশনের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।


‎সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত রুকন মিয়া ভিকটিমের বোন জামাই। সেই সুবাদে সে প্রায়ই ভিকটিমের বাড়িতে যাতায়াত করত। একপর্যায়ে ভিকটিমের অজান্তে তার কিছু আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে রুকন। পরবর্তীতে সেই ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে সে ভিকটিমের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করে।


‎বিষয়টি ভিকটিমের বোন জানতে পারলে রুকন ক্ষিপ্ত হয়ে গত বছরের ১৭ জুন তার স্ত্রীকে মৌখিকভাবে তালাক দেয়। এরপর সে ভিকটিমের কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করে এবং দাবি পূরণ না হওয়ায় ফেসবুকে ভিকটিমের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেয়। এই ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে এসএমপি সিলেটের মোগলাবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।


‎মামলা দায়েরের পর আসামি রুকন মিয়া আত্মগোপনে চলে যায়। র‍্যাব-৯ এই ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। এরই ধারাবাহিকতায়, আজ ৭ মার্চ ২০২৬ তারিখ বিকাল আনুমানিক ৫:০৫ ঘটিকায় মোগলাবাজারের সেলিম ডেকোরেশনের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।


‎রুকন মিয়া (৩৫), পিতা- লাল মিয়া, গ্রাম- বীরমঙ্গল, থানা- মোগলাবাজার, জেলা- সিলেট।


‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় (মোগলাবাজার থানা) হস্তান্তর করা হয়েছে। অপরাধ নির্মূলে র‍্যাবের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।