
সিলেটের মোগলাবাজার এলাকায় পর্নোগ্রাফি মামলার একমাত্র পলাতক আসামি রুকন মিয়াকে (৩৫) ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯। আজ শনিবার (০৭ মার্চ) বিকেলে মোগলাবাজার থানাধীন সেলিম ডেকোরেশনের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত রুকন মিয়া ভিকটিমের বোন জামাই। সেই সুবাদে সে প্রায়ই ভিকটিমের বাড়িতে যাতায়াত করত। একপর্যায়ে ভিকটিমের অজান্তে তার কিছু আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে রুকন। পরবর্তীতে সেই ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে সে ভিকটিমের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করে।
বিষয়টি ভিকটিমের বোন জানতে পারলে রুকন ক্ষিপ্ত হয়ে গত বছরের ১৭ জুন তার স্ত্রীকে মৌখিকভাবে তালাক দেয়। এরপর সে ভিকটিমের কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করে এবং দাবি পূরণ না হওয়ায় ফেসবুকে ভিকটিমের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেয়। এই ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে এসএমপি সিলেটের মোগলাবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর আসামি রুকন মিয়া আত্মগোপনে চলে যায়। র্যাব-৯ এই ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। এরই ধারাবাহিকতায়, আজ ৭ মার্চ ২০২৬ তারিখ বিকাল আনুমানিক ৫:০৫ ঘটিকায় মোগলাবাজারের সেলিম ডেকোরেশনের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
রুকন মিয়া (৩৫), পিতা- লাল মিয়া, গ্রাম- বীরমঙ্গল, থানা- মোগলাবাজার, জেলা- সিলেট।
র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় (মোগলাবাজার থানা) হস্তান্তর করা হয়েছে। অপরাধ নির্মূলে র্যাবের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
স্টাফ রিপোর্টার 


















