সিলেট ০১:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত। ‎গোয়াইনঘাটে ৪ লিস্টার মেশিন ধ্বংস, ডুবিয়ে দেওয়া হলো বালুভর্তি বাল্কহেড শান্তিগঞ্জে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ ‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎ নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‎জৈন্তাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত একই পরিবারের ৩  ভাইসহ একাধিক সদস্য। ‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার

‎বানিয়াচংয়ে বসুন্ধরা গ্যাসের সিলিন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, ডিলার হারুনের বিরুদ্ধে


‎

‎হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে নানা অনিয়ম ও ওজনে কারচুপির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ডিলার হারুন রশিদের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি এক সাংবাদিকের ক্রয় করা সিলিন্ডারে গ্যাস শেষ পর্যায়ে ‘খাদ’ বা তরল জাতীয় পদার্থ পাওয়া যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডিলার ও খুচরা বিক্রেতার মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য পাওয়া গেছে।

‎

‎জানাগেছে, স্থানীয় সাংবাদিক সফিকুল ইসলাম বানিয়াচংয়ের ‘হক ট্রেডার্স’ থেকে বসুন্ধরা কোম্পানির একটি গ্যাস সিলিন্ডার ক্রয় করেন। ব্যবহারের শেষ পর্যায়ে সিলিন্ডারের ভেতরে গ্যাসের পরিবর্তে তরল বা পানি সদৃশ পদার্থ দেখতে পান তিনি। বিষয়টি নিয়ে তিনি বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান হক ট্রেডার্সের কাছে অভিযোগ করেন।

‎

‎অভিযোগের প্রেক্ষিতে হক ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী ফজলুল হক জানান, তিনি সরকারি লাইসেন্স নিয়ে সুনামের সাথে ব্যবসা করছেন। তিনি মূলত বিএম গ্যাসের ডিলার হলেও গ্রাহকের চাহিদায় স্থানীয় বসুন্ধরা ডিলার হারুন রশিদের কাছ থেকে নিয়মিত পাইকারি দামে সিলিন্ডার ক্রয় করে খুচরা বিক্রি করেন। সিলিন্ডারে কোনো ত্রুটি থাকলে তার দায় ডিলারের ওপর বর্তায় বলে তিনি দাবি করেন। তিনি সাংবাদিক শফিক হক ট্রেডার্সের নিয়মিত গ্রাহক। তিনি সাময়িক সমস্যার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।

‎অন্যদিকে, অভিযোগ ওঠার পর ডিলার হারুন রশিদ নিজেকে বাঁচাতে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন। তিনি সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, হক ট্রেডার্স নাকি বাইরে থেকে সিলিন্ডার এনে বিক্রি করে। তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, হক ট্রেডার্স নিয়মিত হারুন রশিদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকার সিলিন্ডার ক্রয় করে আসছে। এবং লেনদেনের সব প্রমাণ হক ট্রেডার্সের খাতায় লিপিবদ্ধ আছে।

‎স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ডিলার হারুন রশিদ অতি মুনাফার লোভে কোম্পানির আইন অমান্য করে কোনো রশিদ ছাড়াই গ্যাস বিক্রি করেন। এছাড়া কোম্পানির নির্ধারিত উৎসের বাইরে থেকেও নিম্নমানের সিলিন্ডার সংগ্রহ করে বাজারে সরবরাহ করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

‎


‎হক ট্রেডার্সের প্রতিবাদ

‎এদিকে, ভুল তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ফজলুল হক। তিনি বলেন, আমি বানিয়াচংয়ে ন্যায্যমূল্যে গ্যাস বিক্রি করে আসছি। সাংবাদিক সফিকুল ইসলাম কিছুদিন আগে সিলিন্ডারটি নিয়েছিলেন, তিনি আমাদের নিয়মিত গ্রাহক। সিলিন্ডারের ভেতরে তরল কিছু থাকলে তার দায় উৎপাদনকারী কোম্পানির বা ডিলারের, খুচরা বিক্রেতার নয়। হারুন রশিদ পাইকারি বিক্রেতা হিসেবে এর দায় এড়াতে পারেন না। আমরা এই বিষয় গুলো সিলিন্ডার কোম্পানির কাছে অভিযোগ জানিয়ে রেখেছি।

‎

‎এ ব্যাপারে বসুন্ধরা ডিলার হারুন রশিদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি আগে হক ট্রেডার্স কে দিতাম এখন কিছুদিন হল দেই না।

‎তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিক্রেতা কে ক্যাশমেমো কেন দেন না? তিনি জানান, আমার কাছে চাইলে দিই, না চাইলে দিই না!

‎তিনি কোম্পানির আইন না মেলে রশিদ বিহীন সিলিন্ডার বিক্রি করে চলেছেন পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের অভিযোগ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত।

‎বানিয়াচংয়ে বসুন্ধরা গ্যাসের সিলিন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, ডিলার হারুনের বিরুদ্ধে

সময় ০১:৪৯:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬


‎

‎হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে নানা অনিয়ম ও ওজনে কারচুপির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ডিলার হারুন রশিদের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি এক সাংবাদিকের ক্রয় করা সিলিন্ডারে গ্যাস শেষ পর্যায়ে ‘খাদ’ বা তরল জাতীয় পদার্থ পাওয়া যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডিলার ও খুচরা বিক্রেতার মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য পাওয়া গেছে।

‎

‎জানাগেছে, স্থানীয় সাংবাদিক সফিকুল ইসলাম বানিয়াচংয়ের ‘হক ট্রেডার্স’ থেকে বসুন্ধরা কোম্পানির একটি গ্যাস সিলিন্ডার ক্রয় করেন। ব্যবহারের শেষ পর্যায়ে সিলিন্ডারের ভেতরে গ্যাসের পরিবর্তে তরল বা পানি সদৃশ পদার্থ দেখতে পান তিনি। বিষয়টি নিয়ে তিনি বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান হক ট্রেডার্সের কাছে অভিযোগ করেন।

‎

‎অভিযোগের প্রেক্ষিতে হক ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী ফজলুল হক জানান, তিনি সরকারি লাইসেন্স নিয়ে সুনামের সাথে ব্যবসা করছেন। তিনি মূলত বিএম গ্যাসের ডিলার হলেও গ্রাহকের চাহিদায় স্থানীয় বসুন্ধরা ডিলার হারুন রশিদের কাছ থেকে নিয়মিত পাইকারি দামে সিলিন্ডার ক্রয় করে খুচরা বিক্রি করেন। সিলিন্ডারে কোনো ত্রুটি থাকলে তার দায় ডিলারের ওপর বর্তায় বলে তিনি দাবি করেন। তিনি সাংবাদিক শফিক হক ট্রেডার্সের নিয়মিত গ্রাহক। তিনি সাময়িক সমস্যার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।

‎অন্যদিকে, অভিযোগ ওঠার পর ডিলার হারুন রশিদ নিজেকে বাঁচাতে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন। তিনি সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, হক ট্রেডার্স নাকি বাইরে থেকে সিলিন্ডার এনে বিক্রি করে। তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, হক ট্রেডার্স নিয়মিত হারুন রশিদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকার সিলিন্ডার ক্রয় করে আসছে। এবং লেনদেনের সব প্রমাণ হক ট্রেডার্সের খাতায় লিপিবদ্ধ আছে।

‎স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ডিলার হারুন রশিদ অতি মুনাফার লোভে কোম্পানির আইন অমান্য করে কোনো রশিদ ছাড়াই গ্যাস বিক্রি করেন। এছাড়া কোম্পানির নির্ধারিত উৎসের বাইরে থেকেও নিম্নমানের সিলিন্ডার সংগ্রহ করে বাজারে সরবরাহ করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

‎


‎হক ট্রেডার্সের প্রতিবাদ

‎এদিকে, ভুল তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ফজলুল হক। তিনি বলেন, আমি বানিয়াচংয়ে ন্যায্যমূল্যে গ্যাস বিক্রি করে আসছি। সাংবাদিক সফিকুল ইসলাম কিছুদিন আগে সিলিন্ডারটি নিয়েছিলেন, তিনি আমাদের নিয়মিত গ্রাহক। সিলিন্ডারের ভেতরে তরল কিছু থাকলে তার দায় উৎপাদনকারী কোম্পানির বা ডিলারের, খুচরা বিক্রেতার নয়। হারুন রশিদ পাইকারি বিক্রেতা হিসেবে এর দায় এড়াতে পারেন না। আমরা এই বিষয় গুলো সিলিন্ডার কোম্পানির কাছে অভিযোগ জানিয়ে রেখেছি।

‎

‎এ ব্যাপারে বসুন্ধরা ডিলার হারুন রশিদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি আগে হক ট্রেডার্স কে দিতাম এখন কিছুদিন হল দেই না।

‎তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিক্রেতা কে ক্যাশমেমো কেন দেন না? তিনি জানান, আমার কাছে চাইলে দিই, না চাইলে দিই না!

‎তিনি কোম্পানির আইন না মেলে রশিদ বিহীন সিলিন্ডার বিক্রি করে চলেছেন পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের অভিযোগ।