সিলেট ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
News Title :
‎বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জের উন্নয়নে আমাকে একটি বারের সুযোগ দিন।- ডা. জীবন গণভোট ক্যাম্পেইন সফলের লক্ষে‎ বানিয়াচংয়ে এনসিপির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত। ‘আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না, জাতিকে সামনে নিয়ে যেতে চাই’: টাঙ্গাইলে ডা. শফিকুর রহমান‎ সম্প্রচারে ফিরছে চ্যানেল ওয়ান: মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি মনোনীত হলেন শাহজাহান মিয়া। স্কুলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে জামায়াত নেতার বাঁধা,শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ক্ষোভ! ধনবাড়ীতে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: ৪৮ ঘণ্টার ‘ক্লুলেস’ রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৩ শহীদ ৯ ছাত্র-জনতার কবরে শ্রদ্ধায়‎বানিয়াচংয়ে এনসিপির কার্যক্রম শুরু নবীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযান: ২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক ‎হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ১৭শতক সরকারি খাস জমি উদ্ধার করলো প্রশাসন। সত্য প্রকাশে অবিচল’ স্লোগানে টাঙ্গাইল-জামালপুর জেলা প্রেস ক্লাবের আত্মপ্রকাশ
মঞ্চে উঠে ভোট চাওয়ার অভিযোগ .....

স্কুলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে জামায়াত নেতার বাঁধা,শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ক্ষোভ!

মঞ্চে উঠে জামাত নেতা আতিকের মারমুখি আচরণ


‎টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার ধোপাখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩০তম বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আকস্মিক বাঁধা প্রদানের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে।

‎অভিযুক্ত আতিকুর রহমান ধোপাখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি বলে জানা গেছে। অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে মঞ্চে উঠে উপস্থাকের হাত থেকে মাইক্রোন কেড়ে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং অনুষ্ঠান বন্ধের হুমকির ঘটনায় শিক্ষক, কোমলমতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।


‎প্রত্যক্ষদর্শী ও স্কুল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার বিদ্যালয়ের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালীন কোনো প্রকার অনুমতি ছাড়াই আকস্মিক মঞ্চে উঠে পড়েন আতিকুর রহমান। তিনি শুরুতেই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ধমক দিয়ে অনুষ্ঠান বন্ধ করার নির্দেশ দেন। কার অনুমতিতে এই অনুষ্ঠান হচ্ছে—এমন প্রশ্ন তুলে তিনি শিক্ষকদের সাথে চরম অসদাচরণ করেন। একপর্যায়ে তিনি উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রদান শুরু করেন এবং উপস্থিত সবার কাছে দাঁড়িপাল্লার প্রতীকের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন!
‎এটা নির্বাচনী আচরণবিধির চরম লঙ্ঘন বলে প্রতিপক্ষের রাজনীতিবিদরা মতামত দেন!


‎সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মতো একটি আনন্দঘন পরিবেশে এমন আকস্মিক বাধায় শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। অনেক শিক্ষার্থীকে কান্নাকাটি করতেও দেখা যায়। উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের অভিযোগ,আতিকুর রহমান শুধু অনুষ্ঠান বন্ধ করতেই আসেননি, বরং তিনি রাজনৈতিক প্রচারণার জন্য মঞ্চটি ব্যবহার করার চেষ্টা করেন এবং অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন।



‎বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই ঘটনায় হতবিহ্বল ও গভীরভাবে মর্মাহত। প্রধান শিক্ষক আলী আকবর জানান, আতিকুর রহমান স্কুলের কোনো অভিভাবক বা পরিচালনা পর্ষদের সদস্য নন।

‎সম্পূর্ণ বহিরাগত হওয়া সত্ত্বেও তিনি যেভাবে মঞ্চে উঠে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের লাঞ্ছিত করেছেন, তা নজিরবিহীন। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

‎জামাত নেতার এহেনও কার্যকলাপে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ। তারা দাবী করেন, এলাকায় বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হাজার শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সহ এলাকাবাসী অনুষ্ঠান উপভোগ করছিলেন।তার আচরণে এলাবাসী ফুঁসে উঠেছেন। স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় সুশীল সমাজ এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

‎অভিযুক্ত আতিকের বিরুদ্ধে স্কুলের অনেক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সে (আতিক) প্রায় সময় স্কুলে কোন অনুষ্ঠানে বাঁধা প্রদান করে থাকে। অনেক শিক্ষক কে নানান প্রকার হুমকিও দিতে থাকে বলে শিক্ষকগণ অভিযোগ করেন!

‎এসব অভিযোগে আতিকের বক্তব্য জানতে চাইলে সে,সাংবাদিকদের সাথেও অসদাচরণ করে। সাংবাদিকদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতে ও দ্বিধাবোধ করেনি! সে সাংবাদিকরা যা পারে করুক এসব বাক্যও ব্যবহার করেন তিনি!


‎এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ডা. আব্দুল্লাহেল কাফি এবং উপজেলা জামায়াত নেতাদের বিষয়টি মৌখিকভাবে অবহিত করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জের উন্নয়নে আমাকে একটি বারের সুযোগ দিন।- ডা. জীবন

মঞ্চে উঠে ভোট চাওয়ার অভিযোগ .....

স্কুলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে জামায়াত নেতার বাঁধা,শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ক্ষোভ!

সময় ০৫:৫৬:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
মঞ্চে উঠে জামাত নেতা আতিকের মারমুখি আচরণ


‎টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার ধোপাখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩০তম বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আকস্মিক বাঁধা প্রদানের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে।

‎অভিযুক্ত আতিকুর রহমান ধোপাখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি বলে জানা গেছে। অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে মঞ্চে উঠে উপস্থাকের হাত থেকে মাইক্রোন কেড়ে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং অনুষ্ঠান বন্ধের হুমকির ঘটনায় শিক্ষক, কোমলমতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।


‎প্রত্যক্ষদর্শী ও স্কুল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার বিদ্যালয়ের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালীন কোনো প্রকার অনুমতি ছাড়াই আকস্মিক মঞ্চে উঠে পড়েন আতিকুর রহমান। তিনি শুরুতেই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ধমক দিয়ে অনুষ্ঠান বন্ধ করার নির্দেশ দেন। কার অনুমতিতে এই অনুষ্ঠান হচ্ছে—এমন প্রশ্ন তুলে তিনি শিক্ষকদের সাথে চরম অসদাচরণ করেন। একপর্যায়ে তিনি উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রদান শুরু করেন এবং উপস্থিত সবার কাছে দাঁড়িপাল্লার প্রতীকের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন!
‎এটা নির্বাচনী আচরণবিধির চরম লঙ্ঘন বলে প্রতিপক্ষের রাজনীতিবিদরা মতামত দেন!


‎সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মতো একটি আনন্দঘন পরিবেশে এমন আকস্মিক বাধায় শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। অনেক শিক্ষার্থীকে কান্নাকাটি করতেও দেখা যায়। উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের অভিযোগ,আতিকুর রহমান শুধু অনুষ্ঠান বন্ধ করতেই আসেননি, বরং তিনি রাজনৈতিক প্রচারণার জন্য মঞ্চটি ব্যবহার করার চেষ্টা করেন এবং অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন।



‎বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই ঘটনায় হতবিহ্বল ও গভীরভাবে মর্মাহত। প্রধান শিক্ষক আলী আকবর জানান, আতিকুর রহমান স্কুলের কোনো অভিভাবক বা পরিচালনা পর্ষদের সদস্য নন।

‎সম্পূর্ণ বহিরাগত হওয়া সত্ত্বেও তিনি যেভাবে মঞ্চে উঠে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের লাঞ্ছিত করেছেন, তা নজিরবিহীন। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

‎জামাত নেতার এহেনও কার্যকলাপে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ। তারা দাবী করেন, এলাকায় বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হাজার শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সহ এলাকাবাসী অনুষ্ঠান উপভোগ করছিলেন।তার আচরণে এলাবাসী ফুঁসে উঠেছেন। স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় সুশীল সমাজ এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

‎অভিযুক্ত আতিকের বিরুদ্ধে স্কুলের অনেক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সে (আতিক) প্রায় সময় স্কুলে কোন অনুষ্ঠানে বাঁধা প্রদান করে থাকে। অনেক শিক্ষক কে নানান প্রকার হুমকিও দিতে থাকে বলে শিক্ষকগণ অভিযোগ করেন!

‎এসব অভিযোগে আতিকের বক্তব্য জানতে চাইলে সে,সাংবাদিকদের সাথেও অসদাচরণ করে। সাংবাদিকদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতে ও দ্বিধাবোধ করেনি! সে সাংবাদিকরা যা পারে করুক এসব বাক্যও ব্যবহার করেন তিনি!


‎এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ডা. আব্দুল্লাহেল কাফি এবং উপজেলা জামায়াত নেতাদের বিষয়টি মৌখিকভাবে অবহিত করা হয়েছে।