
ছবি- চ্যানলে ২৪ এর সৌজন্যে।
সিলেট থেকে নবীগঞ্জগামী ‘মা এন্টারপ্রাইজ’ নামক একটি বাসে এক নারী যাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এই জঘন্য ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বাসের চালককে আটক করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে আজ ১৬ জুন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) এন এম সাজেদুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ জুন সিলেট থেকে নবীগঞ্জ যাওয়ার পথে ‘মা এন্টারপ্রাইজ’ বাসের চালক ও তার সহযোগী মিলে এক নারী যাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর নবীগঞ্জ থানায় একটি মামলা (নম্বর উল্লেখ নেই) দায়ের করা হয়েছে।
ধর্ষণের ঘটনার খবর পেয়ে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার তাৎক্ষণিকভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। আজ তিনি নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন এবং মামলার তদন্তের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। পুলিশ সুপার দ্রুততম সময়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন।

হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার এন এম সাজেদুর রহমান। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ইতিমধ্যে এই ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত, বাসের চালক সাব্বির কে আটক করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আটককৃত চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এই বর্বরোচিত ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জনতা।
উল্লেখ্য, বানিয়াচং উপজেলার বড় বাজার এলাকার বাসিন্দা এবং ঢাকার ফার্মগেটের একটি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী ভুক্তভোগী ওই তরুণী। তিনি রোববার ঢাকার ফার্মগেট থেকে ‘বিলাশ পরিবহন’ নামের বাসে বাড়ি ফেরার উদ্দেশে রওয়ানা দেন। পথে শায়েস্তাগঞ্জে নামার কথা থাকলেও ওই ছাত্রী ঘুমিয়ে পড়ায় বাসটি সিলেট পর্যন্ত চলে যায়। সিলেটে ঘুম ভেঙে তিনি নবীগঞ্জ হয়ে আজমিরীগঞ্জ যাওয়ার জন্য ‘মা এন্টারপ্রাইজ’ নামের বাসে উঠেন। শেরপুরে অন্যান্য যাত্রীরা নেমে যাওয়ার পর বাসে তিনি একা থাকার এই সুযোগে চালক সাব্বির ও হেলপার লিটন মিলে তরুনীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন।
স্টাফ রিপোর্টার 



















