সিলেট ০৮:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
নবীগঞ্জ-বানিয়াচং সড়কে মাইক্রোর ধাক্কায় সিএনজি চূর্ণ-বিচূর্ণ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় বানিয়াচংয়ের আব্দুল খালিকের মৃত্যু, আহত ২‎ ‎সিলেটে সিএনজি-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে শিশু নিহত: ঘাতক চালক রুমেল গ্রেপ্তার ‎৩৭ বছরে চুনারুঘাট সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ, ‘বৈচিত্র্যের উৎসব ‎সিলেটে শব্দ ও পরিবেশ দূষণের দায়ে ১৪ ট্রাকচালককে জরিমানা ‎লাউয়াছড়ায় পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের বগির হুক ছিঁড়ে রেল যোগাযোগ বন্ধ‎ ১৪৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা চালুর উদ্যোগ মাধবপুরে ‎গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবে টানা দ্বিতীয়বার সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন কে এম লিমন জামালপুরে ট্রেনের ধাক্কায় বয়োবৃদ্ধ জেলের মর্মান্তিক মৃত্যু জামালপুরে ৫ম উপজেলা কাব ক্যাম্পুরী উদ্বোধনে আদর্শিক চর্চা বাড়ানোর আহ্বান এমপি মামুনের কুলাউড়ায় ৮ হাজারের বেশি পানগাছ রাতে আঁধারে কেটে ফেলেছে দূর্বৃত্তরা!

হবিগঞ্জে ভুল প্রশ্নে দাখিল পরীক্ষা, পরে ধরা পড়ল ১০০ খাতা জব্দ, দায়িত্ব হারালেন ৩ কর্মকর্তা


‎
‎
‎হবিগঞ্জে দাখিল পরীক্ষার প্রথম দিনে একটি কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ১০০ পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং কেন্দ্র সচিবসহ তিনজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
‎
‎জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত দাখিলের কুরআন মজিদ বিষয়ের পরীক্ষায় সারাদেশে ‘যমুনা-১’ সেটে প্রশ্নপত্র দেওয়ার নির্দেশনা ছিল। তবে হবিগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে একটি কক্ষে ভুলবশত ১০০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ‘মেঘনা-১’ সেটের প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়।
‎
‎ওই কেন্দ্রে নিবন্ধিত পরীক্ষার্থী ছিল ৬২৪ জন। এর মধ্যে ৬০৮ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা কেন্দ্র ত্যাগ করার পর বিষয়টি শনাক্ত হয়। খবর পেয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাপিয়া আক্তার কেন্দ্রে যান এবং সংশ্লিষ্ট ১০০টি উত্তরপত্র সংগ্রহ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে যান। পরবর্তীতে সেগুলো পৃথকভাবে সংরক্ষণ করা হয়।
‎
‎এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কেন্দ্র সচিব মো. ফারুক মিয়া, হল সুপার মো.খাইরুদ্দীন এবং চেক অফিসার মিজানুর রহমানকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে তারা দায়িত্ব পালন করবেন না।
‎
‎কেন্দ্র সচিব মো. ফারুক মিয়া বলেন, প্রশ্নপত্র বিতরণের আগে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তবুও অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে ভুলটি ঘটে।
‎
‎অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পাপিয়া আক্তার বলেন, বিষয়টি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের নজরে আনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট খাতাগুলো আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা হবে, যাতে পরীক্ষার্থীদের ফলাফলে কোনো নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে।
‎
‎শিক্ষা সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, দাখিলসহ পাবলিক পরীক্ষায় সাধারণত একাধিক সেটের প্রশ্নপত্র প্রস্তুত রাখা হয়। নির্ধারিত সেটের পরিবর্তে অন্য সেট বিতরণ হলে পরীক্ষার মান ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হতে পারে। এজন্য প্রশ্নপত্র বিতরণে কঠোর তদারকি জরুরি বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নবীগঞ্জ-বানিয়াচং সড়কে মাইক্রোর ধাক্কায় সিএনজি চূর্ণ-বিচূর্ণ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় বানিয়াচংয়ের আব্দুল খালিকের মৃত্যু, আহত ২‎

হবিগঞ্জে ভুল প্রশ্নে দাখিল পরীক্ষা, পরে ধরা পড়ল ১০০ খাতা জব্দ, দায়িত্ব হারালেন ৩ কর্মকর্তা

সময় ১০:২২:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬


‎
‎
‎হবিগঞ্জে দাখিল পরীক্ষার প্রথম দিনে একটি কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ১০০ পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং কেন্দ্র সচিবসহ তিনজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
‎
‎জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত দাখিলের কুরআন মজিদ বিষয়ের পরীক্ষায় সারাদেশে ‘যমুনা-১’ সেটে প্রশ্নপত্র দেওয়ার নির্দেশনা ছিল। তবে হবিগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে একটি কক্ষে ভুলবশত ১০০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ‘মেঘনা-১’ সেটের প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়।
‎
‎ওই কেন্দ্রে নিবন্ধিত পরীক্ষার্থী ছিল ৬২৪ জন। এর মধ্যে ৬০৮ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা কেন্দ্র ত্যাগ করার পর বিষয়টি শনাক্ত হয়। খবর পেয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাপিয়া আক্তার কেন্দ্রে যান এবং সংশ্লিষ্ট ১০০টি উত্তরপত্র সংগ্রহ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে যান। পরবর্তীতে সেগুলো পৃথকভাবে সংরক্ষণ করা হয়।
‎
‎এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কেন্দ্র সচিব মো. ফারুক মিয়া, হল সুপার মো.খাইরুদ্দীন এবং চেক অফিসার মিজানুর রহমানকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে তারা দায়িত্ব পালন করবেন না।
‎
‎কেন্দ্র সচিব মো. ফারুক মিয়া বলেন, প্রশ্নপত্র বিতরণের আগে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তবুও অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে ভুলটি ঘটে।
‎
‎অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পাপিয়া আক্তার বলেন, বিষয়টি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের নজরে আনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট খাতাগুলো আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা হবে, যাতে পরীক্ষার্থীদের ফলাফলে কোনো নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে।
‎
‎শিক্ষা সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, দাখিলসহ পাবলিক পরীক্ষায় সাধারণত একাধিক সেটের প্রশ্নপত্র প্রস্তুত রাখা হয়। নির্ধারিত সেটের পরিবর্তে অন্য সেট বিতরণ হলে পরীক্ষার মান ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হতে পারে। এজন্য প্রশ্নপত্র বিতরণে কঠোর তদারকি জরুরি বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।