সিলেট ১০:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
News Title :
বানিয়াচংয়ে মোবাইল কোর্টের অভিযান: দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা‎ দীর্ঘ ৪৫ বছরের অপেক্ষা শেষ: প্রথমবার এমপি হয়েই পূর্ণ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন ‎গোপালপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালা কেটে প্রজেক্টর ও নগদ টাকা চুরি ‎ভূঞাপুরে পার্টনার প্রকল্পের আওতায় কৃষক-কৃষাণী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ‎ওসমানীনগরে পুকুর ঘাট থেকে বিদেশি রিভলবার উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ ‎মানবিক উদ্যোগে আলোকিত ভবিষ্যৎ—গোরারাইয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে প্রাক্তন ছাত্ররা‎ ‎বিয়ানীবাজারে সড়ক দূর্ঘটনায় দুই তরুণের মৃত্যু ‎টাঙ্গাইলে র‍্যাবের জোড়া অভিযান: ১৪৫ বোতল ফেনসিডিলসহ ২ কারবারি আটক, অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধার ‎টাঙ্গাইল আড়ংয়ের সিকিউরিটি সুপারভাইজার গৌরাঙ্গের বিরুদ্ধে নারী কর্মীকে হয়রানি ও ঘুষের অভিযোগ! ওয়ার্ড কাউন্সিলর থেকে পূর্ণ মন্ত্রী: সিলেটের রাজনীতিতে আরিফুল হক চৌধুরীর ‘ম্যাজিক’

দীর্ঘ ৪৫ বছরের অপেক্ষা শেষ: প্রথমবার এমপি হয়েই পূর্ণ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন

ফকির মাহবুব আনাম স্বপন (ফাইল ছবি)


‎দীর্ঘ সাড়ে চার দশকের রাজনৈতিক খরা কাটিয়ে টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে বইছে আনন্দের জোয়ার। সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে ইতিহাস গড়েছেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ফকির মাহবুব আনাম স্বপন।

‎তবে চমক শুধু বিজয়েই সীমাবদ্ধ থাকেননি, প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েই তিনি নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন।


‎টাঙ্গাইল-১ আসনে দীর্ঘ ৪৫ বছর বিএনপি’র কোনো মন্ত্রী ছিল না। এই দীর্ঘ সময় আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে ছিল,যেখানে সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক সহ অনেকেই প্রতিনিধিত্ব করতেন। এবারের নির্বাচনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের এই বিশাল জয় এবং একই সাথে গুরুত্বপূর্ণ দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্তিকে এলাকার মানুষ দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান হিসেবে দেখছেন দুই উপজেলার মানুষ।


‎নির্বাচনী প্রচারণাকালে ফকির মাহবুব আনাম স্বপন মধুপুর-ধনবাড়ীর বেকারত্ব দূরীকরণ ও জনশক্তি রপ্তানিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আর প্রত্যাশা বেড়েছে মানুষের মধ্যে।  মাহবুব আনাম স্বপনের পরিকল্পনা গুলোর মধ্যে রয়েছে,ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র গড়ে তোলা। এখানে শিক্ষার্থী সহ বেকার যুবকেরা ইংরেজি,জাপানি ও কোরিয়ানসহ বিভিন্ন ভাষা শেখার প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে বলে তিনি নির্বাচনী জনসভায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ আছেন।


‎তিনি স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কলকারখানা স্থাপন, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, তথ্য ও প্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় এই অঞ্চলকে একটি টেকনোলজিক্যাল হাব হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

‎ফকির মাহবুব আনান স্বপন দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং তৃণমূলের সঙ্গে গভীর সম্পৃক্ততার কারণেই তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তার সততা সর্ব মহলে সমাদৃত। একজন সৎ মানুষ হিসবে দুই উপজেলার মানুষ উনাকে ভালবেসে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছেন।

‎তাই মধুপুর ধনবাড়ী দুই উপজেলার মানুষের প্রত্যাশা খুবই বেশি। সাধারণ ভোটারদের দাবী আমরা একজন ভালমানুষ কে সংসদে আমাদের প্রতিনিধি পাঠিয়েছি। আশা করি মাননীয় মন্ত্রী মাহবুব আনাম স্বপন মানুষের ভোটের জয়ী হয়েছেন। উনি দুই উপজেলার মানুষের দাবী গুলো পর্যায়ে ক্রমে বাস্তবায়ন করবেন।


‎মাহবুব আনাম স্বপন,তিনি সংসদ নির্বাচিত হয়ে প্রথম ভাষনে বলেন, চাঁদাবাজ দখলবাজ ও সত্রাসে কোন স্থান হবে না মধুপুর ধনবাড়ীতে। সবার জন্য একটি সুন্দর সমাজ উপহার দিতে চান। তিনি বলেন, আমি এখন সবার এমপি। আমার কাছে সবার অধিকার আছে কথা বলার। তিনি একজন মানবিক এমপি হিসেবে সবার কল্যাণে কাজ করবেন বলে দুই উপজেলার মানুষের প্রত্যাশা।


‎উল্লেখ্য যে, ফকির মাহবুব আনাম স্বপন সংসদ সদস্য না হয়েও ২০০৬ সালে মধুপুর উপজেলাকে বিভক্ত করে ধনবাড়ী উপজেলা গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাধ্যমে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে এই অঞ্চলের উন্নয়নের দ্বার উন্মোচন করেছিলেন তিনি। সেই সময় থেকেই এলাকার মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা দৃঢ় হয়।


‎মধুপুর ও ধনবাড়ী উপজেলার সাধারণ মানুষের এখন প্রধান দাবি—এলাকাকে পুরোপুরি সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত ও দখলবাজ মুক্ত রাখা। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আশা প্রকাশ করছেন যে, নতুন মন্ত্রীর এলাকা মধুপুর ও ধনবাড়ী দুই উপজেলার ব্যবসায়ীগণ উনার বলিষ্ঠ  নেতৃত্বে তারা নির্বিঘ্নে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করবেন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপদ চলাফেরা নিশ্চিত হবে এটা সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা। পাশাপাশি এখানে আদিবাসী আছেন তাদেরও যেন জীবনমানে নিশ্চিয়তা থাকে। এবং বাঙালি আদিবাসী একে অপরের পরিপূরক হিসবে থাকবে বলে সবাই প্রত্যাশা করেন।


ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বানিয়াচংয়ে মোবাইল কোর্টের অভিযান: দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা‎

দীর্ঘ ৪৫ বছরের অপেক্ষা শেষ: প্রথমবার এমপি হয়েই পূর্ণ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন

সময় ০৬:৫২:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ফকির মাহবুব আনাম স্বপন (ফাইল ছবি)


‎দীর্ঘ সাড়ে চার দশকের রাজনৈতিক খরা কাটিয়ে টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে বইছে আনন্দের জোয়ার। সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে ইতিহাস গড়েছেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ফকির মাহবুব আনাম স্বপন।

‎তবে চমক শুধু বিজয়েই সীমাবদ্ধ থাকেননি, প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েই তিনি নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন।


‎টাঙ্গাইল-১ আসনে দীর্ঘ ৪৫ বছর বিএনপি’র কোনো মন্ত্রী ছিল না। এই দীর্ঘ সময় আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে ছিল,যেখানে সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক সহ অনেকেই প্রতিনিধিত্ব করতেন। এবারের নির্বাচনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের এই বিশাল জয় এবং একই সাথে গুরুত্বপূর্ণ দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্তিকে এলাকার মানুষ দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান হিসেবে দেখছেন দুই উপজেলার মানুষ।


‎নির্বাচনী প্রচারণাকালে ফকির মাহবুব আনাম স্বপন মধুপুর-ধনবাড়ীর বেকারত্ব দূরীকরণ ও জনশক্তি রপ্তানিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আর প্রত্যাশা বেড়েছে মানুষের মধ্যে।  মাহবুব আনাম স্বপনের পরিকল্পনা গুলোর মধ্যে রয়েছে,ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র গড়ে তোলা। এখানে শিক্ষার্থী সহ বেকার যুবকেরা ইংরেজি,জাপানি ও কোরিয়ানসহ বিভিন্ন ভাষা শেখার প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে বলে তিনি নির্বাচনী জনসভায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ আছেন।


‎তিনি স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কলকারখানা স্থাপন, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, তথ্য ও প্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় এই অঞ্চলকে একটি টেকনোলজিক্যাল হাব হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

‎ফকির মাহবুব আনান স্বপন দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং তৃণমূলের সঙ্গে গভীর সম্পৃক্ততার কারণেই তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তার সততা সর্ব মহলে সমাদৃত। একজন সৎ মানুষ হিসবে দুই উপজেলার মানুষ উনাকে ভালবেসে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছেন।

‎তাই মধুপুর ধনবাড়ী দুই উপজেলার মানুষের প্রত্যাশা খুবই বেশি। সাধারণ ভোটারদের দাবী আমরা একজন ভালমানুষ কে সংসদে আমাদের প্রতিনিধি পাঠিয়েছি। আশা করি মাননীয় মন্ত্রী মাহবুব আনাম স্বপন মানুষের ভোটের জয়ী হয়েছেন। উনি দুই উপজেলার মানুষের দাবী গুলো পর্যায়ে ক্রমে বাস্তবায়ন করবেন।


‎মাহবুব আনাম স্বপন,তিনি সংসদ নির্বাচিত হয়ে প্রথম ভাষনে বলেন, চাঁদাবাজ দখলবাজ ও সত্রাসে কোন স্থান হবে না মধুপুর ধনবাড়ীতে। সবার জন্য একটি সুন্দর সমাজ উপহার দিতে চান। তিনি বলেন, আমি এখন সবার এমপি। আমার কাছে সবার অধিকার আছে কথা বলার। তিনি একজন মানবিক এমপি হিসেবে সবার কল্যাণে কাজ করবেন বলে দুই উপজেলার মানুষের প্রত্যাশা।


‎উল্লেখ্য যে, ফকির মাহবুব আনাম স্বপন সংসদ সদস্য না হয়েও ২০০৬ সালে মধুপুর উপজেলাকে বিভক্ত করে ধনবাড়ী উপজেলা গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাধ্যমে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে এই অঞ্চলের উন্নয়নের দ্বার উন্মোচন করেছিলেন তিনি। সেই সময় থেকেই এলাকার মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা দৃঢ় হয়।


‎মধুপুর ও ধনবাড়ী উপজেলার সাধারণ মানুষের এখন প্রধান দাবি—এলাকাকে পুরোপুরি সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত ও দখলবাজ মুক্ত রাখা। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আশা প্রকাশ করছেন যে, নতুন মন্ত্রীর এলাকা মধুপুর ও ধনবাড়ী দুই উপজেলার ব্যবসায়ীগণ উনার বলিষ্ঠ  নেতৃত্বে তারা নির্বিঘ্নে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করবেন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপদ চলাফেরা নিশ্চিত হবে এটা সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা। পাশাপাশি এখানে আদিবাসী আছেন তাদেরও যেন জীবনমানে নিশ্চিয়তা থাকে। এবং বাঙালি আদিবাসী একে অপরের পরিপূরক হিসবে থাকবে বলে সবাই প্রত্যাশা করেন।