সিলেট ০৩:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
‎সাজেকে রাজনৈতিক “জয় বাংলা “স্লোগানের অভিযোগে হবিগঞ্জের ৩ জনসহ আটক ৬ বানিয়াচংয়ে ইনডোর প্লে-গ্রাউন্ডের শুভ উদ্বোধন: মুখরিত ক্রীড়াঙ্গন, উদ্বেলিত তরুণ সমাজ‎ নবীগঞ্জে মশাল মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলায় গ্রেপ্তার ৫ ‎লাখাইয়ে যথাযথ মর্যাদায় কৃষ্ণপুর গণহত্যা দিবস পালিত হবিগঞ্জে জামিনে বেরিয়ে বিয়ে, দুই সপ্তাহ পরই চুরি-মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হবিগঞ্জে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তার বাড়ি থেকে নগদ টাকা-স্বর্ণালংকার চুরি ‎পূর্ববিরোধের জেরে বানিয়াচংয়ে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে জামালপুরে রোটারী ক্লাবের বর্ণাঢ্য মাদকবিরোধী র‍্যালি ‎শুধু দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ নয়, গোটা জামালপুর আমার: জামালপুর সমিতির সংবর্ধনায় মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ‎মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন তিন সাংবাদিক, কুলাউড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা

‎মৌলভীবাজারে বড় ব্যবধানে পরাজয়, ‎জামানত রক্ষা করতে পারলেন না ১৪ প্রার্থী‎




‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মোট ২৪ জন প্রার্থী। এর মধ্যে মাত্র ১০ জন প্রার্থী তাদের জামানত রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন। বাকি ১৪ জন প্রার্থী নির্ধারিত ভোটের হার পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
‎নির্বাচন কমিশন-এর বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনে প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশ (১২.৫ শতাংশ) ভোট অর্জনে ব্যর্থ হলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
‎এবারের নির্বাচনে মৌলভীবাজার জেলার চারটি আসনেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থী এই শর্ত পূরণ করতে পারেননি!

‎বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে ভোট গণনা শেষে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, একাধিক আসনে একতরফা ভোটের চিত্র স্পষ্ট হওয়ায় অনেক প্রার্থী উল্লেখযোগ্য ভোট সংগ্রহে ব্যর্থ হয়েছেন।

‎মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা–জুড়ী):
‎৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন, লাঙল প্রতীকের আহমেদ রিয়াজ উদ্দিন, কাপ-পিরিচ প্রতীকের বেলাল আহমদ, ট্রাক প্রতীকের মো. আব্দুন নূর এবং মাছ প্রতীকের মো. শরিফুল ইসলাম।

‎মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া):
‎৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জন জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, হাতপাখা প্রতীকের আব্দুল কুদ্দুছ, ঘোড়া প্রতীকের এম জিমিউর রহমান চৌধুরী, ফুটবল প্রতীকের নওয়াব আলী আব্বাছ খাঁন, লাঙল প্রতীকের মো. আব্দুল মালিক এবং কাঁচি প্রতীকের সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী।


‎মৌলভীবাজার-৩ (সদর–রাজনগর):
‎৪ জন প্রার্থীর মধ্যে ২ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন, দেয়ালঘড়ি প্রতীকের আহমদ বিলাল ও কাস্তে প্রতীকের জহর লাল দত্ত।
‎মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল–কমলগঞ্জ):


‎৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জন জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, শাপলা কলি প্রতীকের প্রীতম দাশ, লাঙল প্রতীকের মোহাম্মদ জরিফ হোসেন এবং মই প্রতীকের মো. আবুল হাসান।

‎স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় সাংগঠনিক শক্তি, প্রার্থীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা, নির্বাচনী কৌশল এবং ভোটারদের কৌশলগত ভোট প্রদানের প্রবণতা—এসবই জামানত হারানোর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। অনেক আসনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে ভোটের ব্যবধান বেশি হওয়ায় ছোট দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রত্যাশিত সমর্থন পাননি। সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচনে মৌলভীবাজারে বড় ব্যবধানের ফলাফল যেমন আলোচনার জন্ম দিয়েছে,তেমনি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থীর জামানত হারানোর ঘটনাও জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিশ্লেষণের বিষয় হয়ে উঠেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎সাজেকে রাজনৈতিক “জয় বাংলা “স্লোগানের অভিযোগে হবিগঞ্জের ৩ জনসহ আটক ৬

‎মৌলভীবাজারে বড় ব্যবধানে পরাজয়, ‎জামানত রক্ষা করতে পারলেন না ১৪ প্রার্থী‎

সময় ০৯:১৪:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬




‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মোট ২৪ জন প্রার্থী। এর মধ্যে মাত্র ১০ জন প্রার্থী তাদের জামানত রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন। বাকি ১৪ জন প্রার্থী নির্ধারিত ভোটের হার পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
‎নির্বাচন কমিশন-এর বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনে প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশ (১২.৫ শতাংশ) ভোট অর্জনে ব্যর্থ হলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
‎এবারের নির্বাচনে মৌলভীবাজার জেলার চারটি আসনেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থী এই শর্ত পূরণ করতে পারেননি!

‎বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে ভোট গণনা শেষে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, একাধিক আসনে একতরফা ভোটের চিত্র স্পষ্ট হওয়ায় অনেক প্রার্থী উল্লেখযোগ্য ভোট সংগ্রহে ব্যর্থ হয়েছেন।

‎মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা–জুড়ী):
‎৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন, লাঙল প্রতীকের আহমেদ রিয়াজ উদ্দিন, কাপ-পিরিচ প্রতীকের বেলাল আহমদ, ট্রাক প্রতীকের মো. আব্দুন নূর এবং মাছ প্রতীকের মো. শরিফুল ইসলাম।

‎মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া):
‎৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জন জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, হাতপাখা প্রতীকের আব্দুল কুদ্দুছ, ঘোড়া প্রতীকের এম জিমিউর রহমান চৌধুরী, ফুটবল প্রতীকের নওয়াব আলী আব্বাছ খাঁন, লাঙল প্রতীকের মো. আব্দুল মালিক এবং কাঁচি প্রতীকের সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী।


‎মৌলভীবাজার-৩ (সদর–রাজনগর):
‎৪ জন প্রার্থীর মধ্যে ২ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন, দেয়ালঘড়ি প্রতীকের আহমদ বিলাল ও কাস্তে প্রতীকের জহর লাল দত্ত।
‎মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল–কমলগঞ্জ):


‎৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জন জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, শাপলা কলি প্রতীকের প্রীতম দাশ, লাঙল প্রতীকের মোহাম্মদ জরিফ হোসেন এবং মই প্রতীকের মো. আবুল হাসান।

‎স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় সাংগঠনিক শক্তি, প্রার্থীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা, নির্বাচনী কৌশল এবং ভোটারদের কৌশলগত ভোট প্রদানের প্রবণতা—এসবই জামানত হারানোর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। অনেক আসনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে ভোটের ব্যবধান বেশি হওয়ায় ছোট দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রত্যাশিত সমর্থন পাননি। সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচনে মৌলভীবাজারে বড় ব্যবধানের ফলাফল যেমন আলোচনার জন্ম দিয়েছে,তেমনি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থীর জামানত হারানোর ঘটনাও জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিশ্লেষণের বিষয় হয়ে উঠেছে।