সিলেট ০২:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬
News Title :
‎জামালপুরে রাস্তার ইট বিক্রি মামলার আসামিকে আশ্রয় দেওয়া বন্ধুকে নেশাগ্রস্ত করে বসতঘর ও আসবাবপত্র বিক্রির অভিযোগ কুলাউড়ার অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত‎ সিলেটে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন।‎ বানিয়াচংয়ে অভিভাবক সমাবেশ ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় ডা. জীবন ‎জামালপুরে ইউপি শহীদ মিনারে মুরগি জবাই করে রক্ত-ময়লার স্তূপ: প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ হবিগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে ডাকাতি ও ছিনতাইকারী মামলার পলাতক আসামি রিপন গ্রেপ্তার ‎মৌলভীবাজারে ৮ হাজার ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, নগদ ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও প্রাইভেটকার জব্দ‎ ‎জেলা সেরা থেকে রেঞ্জসেরা: শেরপুর ফাঁড়ির এসআই ওবায়দুল্লাহর সাফল্য ‎জামালপুরের মেলান্দহে ব্র্যাকের স্বাস্থ্য কর্মসূচি পরিদর্শন করলেন ইউএনও জিন্নাতুল আরা ‎নগরীর আম্বরখানা থেকে ১০ কেজি গঁজাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী কে গ্রেপ্তার করল র‌্যাব।

‎মৌলভীবাজারে বড় ব্যবধানে পরাজয়, ‎জামানত রক্ষা করতে পারলেন না ১৪ প্রার্থী‎




‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মোট ২৪ জন প্রার্থী। এর মধ্যে মাত্র ১০ জন প্রার্থী তাদের জামানত রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন। বাকি ১৪ জন প্রার্থী নির্ধারিত ভোটের হার পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
‎নির্বাচন কমিশন-এর বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনে প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশ (১২.৫ শতাংশ) ভোট অর্জনে ব্যর্থ হলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
‎এবারের নির্বাচনে মৌলভীবাজার জেলার চারটি আসনেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থী এই শর্ত পূরণ করতে পারেননি!

‎বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে ভোট গণনা শেষে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, একাধিক আসনে একতরফা ভোটের চিত্র স্পষ্ট হওয়ায় অনেক প্রার্থী উল্লেখযোগ্য ভোট সংগ্রহে ব্যর্থ হয়েছেন।

‎মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা–জুড়ী):
‎৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন, লাঙল প্রতীকের আহমেদ রিয়াজ উদ্দিন, কাপ-পিরিচ প্রতীকের বেলাল আহমদ, ট্রাক প্রতীকের মো. আব্দুন নূর এবং মাছ প্রতীকের মো. শরিফুল ইসলাম।

‎মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া):
‎৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জন জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, হাতপাখা প্রতীকের আব্দুল কুদ্দুছ, ঘোড়া প্রতীকের এম জিমিউর রহমান চৌধুরী, ফুটবল প্রতীকের নওয়াব আলী আব্বাছ খাঁন, লাঙল প্রতীকের মো. আব্দুল মালিক এবং কাঁচি প্রতীকের সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী।


‎মৌলভীবাজার-৩ (সদর–রাজনগর):
‎৪ জন প্রার্থীর মধ্যে ২ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন, দেয়ালঘড়ি প্রতীকের আহমদ বিলাল ও কাস্তে প্রতীকের জহর লাল দত্ত।
‎মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল–কমলগঞ্জ):


‎৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জন জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, শাপলা কলি প্রতীকের প্রীতম দাশ, লাঙল প্রতীকের মোহাম্মদ জরিফ হোসেন এবং মই প্রতীকের মো. আবুল হাসান।

‎স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় সাংগঠনিক শক্তি, প্রার্থীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা, নির্বাচনী কৌশল এবং ভোটারদের কৌশলগত ভোট প্রদানের প্রবণতা—এসবই জামানত হারানোর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। অনেক আসনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে ভোটের ব্যবধান বেশি হওয়ায় ছোট দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রত্যাশিত সমর্থন পাননি। সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচনে মৌলভীবাজারে বড় ব্যবধানের ফলাফল যেমন আলোচনার জন্ম দিয়েছে,তেমনি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থীর জামানত হারানোর ঘটনাও জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিশ্লেষণের বিষয় হয়ে উঠেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎জামালপুরে রাস্তার ইট বিক্রি মামলার আসামিকে আশ্রয় দেওয়া বন্ধুকে নেশাগ্রস্ত করে বসতঘর ও আসবাবপত্র বিক্রির অভিযোগ

‎মৌলভীবাজারে বড় ব্যবধানে পরাজয়, ‎জামানত রক্ষা করতে পারলেন না ১৪ প্রার্থী‎

সময় ০৯:১৪:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬




‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মোট ২৪ জন প্রার্থী। এর মধ্যে মাত্র ১০ জন প্রার্থী তাদের জামানত রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন। বাকি ১৪ জন প্রার্থী নির্ধারিত ভোটের হার পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
‎নির্বাচন কমিশন-এর বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনে প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশ (১২.৫ শতাংশ) ভোট অর্জনে ব্যর্থ হলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
‎এবারের নির্বাচনে মৌলভীবাজার জেলার চারটি আসনেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থী এই শর্ত পূরণ করতে পারেননি!

‎বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে ভোট গণনা শেষে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, একাধিক আসনে একতরফা ভোটের চিত্র স্পষ্ট হওয়ায় অনেক প্রার্থী উল্লেখযোগ্য ভোট সংগ্রহে ব্যর্থ হয়েছেন।

‎মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা–জুড়ী):
‎৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন, লাঙল প্রতীকের আহমেদ রিয়াজ উদ্দিন, কাপ-পিরিচ প্রতীকের বেলাল আহমদ, ট্রাক প্রতীকের মো. আব্দুন নূর এবং মাছ প্রতীকের মো. শরিফুল ইসলাম।

‎মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া):
‎৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জন জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, হাতপাখা প্রতীকের আব্দুল কুদ্দুছ, ঘোড়া প্রতীকের এম জিমিউর রহমান চৌধুরী, ফুটবল প্রতীকের নওয়াব আলী আব্বাছ খাঁন, লাঙল প্রতীকের মো. আব্দুল মালিক এবং কাঁচি প্রতীকের সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী।


‎মৌলভীবাজার-৩ (সদর–রাজনগর):
‎৪ জন প্রার্থীর মধ্যে ২ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন, দেয়ালঘড়ি প্রতীকের আহমদ বিলাল ও কাস্তে প্রতীকের জহর লাল দত্ত।
‎মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল–কমলগঞ্জ):


‎৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জন জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, শাপলা কলি প্রতীকের প্রীতম দাশ, লাঙল প্রতীকের মোহাম্মদ জরিফ হোসেন এবং মই প্রতীকের মো. আবুল হাসান।

‎স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় সাংগঠনিক শক্তি, প্রার্থীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা, নির্বাচনী কৌশল এবং ভোটারদের কৌশলগত ভোট প্রদানের প্রবণতা—এসবই জামানত হারানোর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। অনেক আসনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে ভোটের ব্যবধান বেশি হওয়ায় ছোট দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রত্যাশিত সমর্থন পাননি। সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচনে মৌলভীবাজারে বড় ব্যবধানের ফলাফল যেমন আলোচনার জন্ম দিয়েছে,তেমনি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থীর জামানত হারানোর ঘটনাও জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিশ্লেষণের বিষয় হয়ে উঠেছে।