
অভাব-অনটনের মধ্যেও অন্যের কুড়িয়ে পাওয়া বিপুল অঙ্কের অর্থ ফেরত দিয়ে সততার এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন হবিগঞ্জের রাজনগর এলাকার বাসিন্দা সুমি আক্তার।
গত বুধবার (৫ নভেম্বর, ২০২৫) হবিগঞ্জ শহরের কলেজ রোড এলাকার বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের সামনে ৭ লাখ টাকা ভর্তি একটি ব্যাগ কুড়িয়ে পান তিনি।
নিজে দরিদ্র হওয়া সত্ত্বেও কয়েক লাখ টাকার প্রতি বিন্দুমাত্র লোভ করেননি সুমি আক্তার। দ্রুততম সময়ে তিনি টাকার আসল মালিককে খুঁজে বের করে সেই টাকা ফিরিয়ে দেন।
এই ঘটনায় সুমি আক্তার কেবল সততার পরিচয় দেননি, স্থাপন করেছেন মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তার এই মহৎ কাজের কথা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে তিনি এখন সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছেন।
অন্যদিকে, সুমি আক্তারের এমন প্রশংসনীয় উদ্যোগের বিপরীতে সমালোচনার মুখে পড়েছেন টাকার মালিক মাধবপুর উপজেলার চারাভাঙ্গা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের দলিল লিখক নাদিম সারোয়ার।
অভিযোগ উঠেছে, হারিয়ে যাওয়া ৭ লাখ টাকা ফেরত পেয়েও তিনি ওই নারীর প্রতি ন্যূনতম কৃতজ্ঞতা জানাননি। এমনকি, ধন্যবাদ জ্ঞাপন না করে উল্টো তড়িঘড়ি করে স্থান ত্যাগ করেন নাদিম সারোয়ার। নেটিজেনরা এই ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।
বিষয়টি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় ওঠে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নাদিম সারোয়ারের এমন আচরণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে নানা মন্তব্য করছেন নেটিজনরা।
নেটিজেনদের মন্তব্য, নিজের কষ্টের টাকা ফিরে পেয়েও যিনি সামান্য ধন্যবাদ জানানোর সৌজন্যতা দেখান না, তার মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে নাদিমের বিরুদ্ধে।
সুমি আক্তারের সততা আর নাদিম সারোয়ারের এমন আচরণে বর্তমানে হবিগঞ্জ জেলায় চলছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা।
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি। 

















