সিলেট ০১:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
News Title :
‎জামালপুরে দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান: আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার আলোচনা সভা সিলেট বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৫৮.৩৩%, বেড়েছে জিপিএ-৫ লাখাইয়ে প্রয়াত ধলাই মিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত। ‎জামালপুরে প্রতিবেশীর পুকুরের মাছ চুরি : প্রতিবাদ করায় খামারীকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ ‎আদিবাসীরা দেশের নাগরিক হলেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে তারা বৈষম্যের শিকারঃ ভিসি মোহাম্মদ জহিরুল হক ১০৫ বছরে থামল ছাদ উল্লাহ মাস্টারের জীবনপ্রদীপ, পিতার জানাজায় অতিরিক্ত সচিব আফতাব আলী ‎পানি ও জ্বালানি সাশ্রয়ে জাফলংয়ে জনসচেতনতামূলক সভা বৈষম্যের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে বানিয়াচং গ্যানিংগঞ্জ বাজার সিএনজি স্ট্যান্ডের শ্রমিকরা‎ হবিগঞ্জে লরি-ট্রাক-সিএনজির ত্রিমুখী সংঘর্ষ,নিহত ২ ‎শান্তিগঞ্জে নোয়াখালী সপ্তগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী এসোসিয়েশনের আত্মপ্রকাশ

‎জামালপুরে প্রতিবেশীর পুকুরের মাছ চুরি : প্রতিবাদ করায় খামারীকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

‎জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নে লিজ নেওয়া একটি পুকুরে রাতের আঁধারে নিষিদ্ধ চায়না দোয়ারি জাল দিয়ে মাছ চুরির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় মৎস্য খামারীকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী মৎস্য খামারী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে জামালপুর সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

‎​অভিযুক্ত প্রধান ব্যক্তি মো: রফিকুল ইসলাম (৪৫) তিনি রশিদপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ভাটিপাড়া গ্রামের দুদু মিয়ার পুত্র বলে জানা গেছে।

‎​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জামালপুর সদর উপজেলার ১৫ নং রশিদপুর ইউনিয়নের রশিদপুর ভাটীপাড়া এলাকার মৃত চান মিয়ার ছেলে মো: আসাদ (৩৬) স্থানীয় রকব আলী মাস্টারের নিকট থেকে ২১০ শতাংশ জমির একটি পুকুর দুই বছরের জন্য নগদ ৬৬ হাজার টাকার বিনিময়ে লিজ নেন। ওই পুকুরে তিনি প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার মাছের পোনা ছাড়েন এবং খাবারে প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার টাকা খরচ করেন।

‎​অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, বিবাদী মো: রফিকুল ইসলাম (৪৫), মো: সাইফুল ইসলাম (৫০) এবং মো: খোরশেদ আলম (৪৮)—সবাই রশিদপুর ভাটীপাড়া ও রামদেববড়ী এলাকার বাসিন্দা। তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই পুকুর থেকে নিষিদ্ধ চায়না জাল দিয়ে মাছ চুরি করে অন্যত্র বিক্রি করতেন অথবা নিজেদের পুকুরে ছেড়ে দিতেন।

‎​গত ৮ আগস্ট শনিবার রাত আনুমানিক ১০টা ১০ মিনিটে দিকে অভিযুক্তরা পুনরায় নিষিদ্ধ চায়না জাল দিয়ে মাছ ধরার সময় প্রায় ৩৫ কেজি মাছসহ হাতেনাতে ধরা পড়েন। পরবর্তীতে এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে অভিযুক্তরা ও তাদের সহযোগীরা খামারীকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন এবং দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মারপিট করতে উদ্যত হন। এ সময় বাদীকে খুন-জখমসহ বড় ধরনের ক্ষতির হুমকি দেওয়া হয়। বর্তমানে অভিযুক্তরা লাঠিসোটা নিয়ে বসতবাড়ির সামনে অবস্থান করায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

‎​এ বিষয়ে আইনগত প্রতিকার ও নিরাপত্তার জন্য মৎস্য খামারী মো.আসাদ বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎জামালপুরে দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান: আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার আলোচনা সভা

‎জামালপুরে প্রতিবেশীর পুকুরের মাছ চুরি : প্রতিবাদ করায় খামারীকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

সময় ০৮:১৪:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

‎জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নে লিজ নেওয়া একটি পুকুরে রাতের আঁধারে নিষিদ্ধ চায়না দোয়ারি জাল দিয়ে মাছ চুরির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় মৎস্য খামারীকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী মৎস্য খামারী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে জামালপুর সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

‎​অভিযুক্ত প্রধান ব্যক্তি মো: রফিকুল ইসলাম (৪৫) তিনি রশিদপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ভাটিপাড়া গ্রামের দুদু মিয়ার পুত্র বলে জানা গেছে।

‎​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জামালপুর সদর উপজেলার ১৫ নং রশিদপুর ইউনিয়নের রশিদপুর ভাটীপাড়া এলাকার মৃত চান মিয়ার ছেলে মো: আসাদ (৩৬) স্থানীয় রকব আলী মাস্টারের নিকট থেকে ২১০ শতাংশ জমির একটি পুকুর দুই বছরের জন্য নগদ ৬৬ হাজার টাকার বিনিময়ে লিজ নেন। ওই পুকুরে তিনি প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার মাছের পোনা ছাড়েন এবং খাবারে প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার টাকা খরচ করেন।

‎​অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, বিবাদী মো: রফিকুল ইসলাম (৪৫), মো: সাইফুল ইসলাম (৫০) এবং মো: খোরশেদ আলম (৪৮)—সবাই রশিদপুর ভাটীপাড়া ও রামদেববড়ী এলাকার বাসিন্দা। তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই পুকুর থেকে নিষিদ্ধ চায়না জাল দিয়ে মাছ চুরি করে অন্যত্র বিক্রি করতেন অথবা নিজেদের পুকুরে ছেড়ে দিতেন।

‎​গত ৮ আগস্ট শনিবার রাত আনুমানিক ১০টা ১০ মিনিটে দিকে অভিযুক্তরা পুনরায় নিষিদ্ধ চায়না জাল দিয়ে মাছ ধরার সময় প্রায় ৩৫ কেজি মাছসহ হাতেনাতে ধরা পড়েন। পরবর্তীতে এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে অভিযুক্তরা ও তাদের সহযোগীরা খামারীকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন এবং দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মারপিট করতে উদ্যত হন। এ সময় বাদীকে খুন-জখমসহ বড় ধরনের ক্ষতির হুমকি দেওয়া হয়। বর্তমানে অভিযুক্তরা লাঠিসোটা নিয়ে বসতবাড়ির সামনে অবস্থান করায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

‎​এ বিষয়ে আইনগত প্রতিকার ও নিরাপত্তার জন্য মৎস্য খামারী মো.আসাদ বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।