সিলেট ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার এক বন্দির মৃত্যু ‎লাখাইয়ে পুলিশের উদ্যোগে মাদক ও অপরাধবিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি মানিক,সম্পাদক সুধা রঞ্জন

‎জামালপুরে প্রতিবেশীর পুকুরের মাছ চুরি : প্রতিবাদ করায় খামারীকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

‎জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নে লিজ নেওয়া একটি পুকুরে রাতের আঁধারে নিষিদ্ধ চায়না দোয়ারি জাল দিয়ে মাছ চুরির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় মৎস্য খামারীকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী মৎস্য খামারী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে জামালপুর সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

‎​অভিযুক্ত প্রধান ব্যক্তি মো: রফিকুল ইসলাম (৪৫) তিনি রশিদপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ভাটিপাড়া গ্রামের দুদু মিয়ার পুত্র বলে জানা গেছে।

‎​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জামালপুর সদর উপজেলার ১৫ নং রশিদপুর ইউনিয়নের রশিদপুর ভাটীপাড়া এলাকার মৃত চান মিয়ার ছেলে মো: আসাদ (৩৬) স্থানীয় রকব আলী মাস্টারের নিকট থেকে ২১০ শতাংশ জমির একটি পুকুর দুই বছরের জন্য নগদ ৬৬ হাজার টাকার বিনিময়ে লিজ নেন। ওই পুকুরে তিনি প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার মাছের পোনা ছাড়েন এবং খাবারে প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার টাকা খরচ করেন।

‎​অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, বিবাদী মো: রফিকুল ইসলাম (৪৫), মো: সাইফুল ইসলাম (৫০) এবং মো: খোরশেদ আলম (৪৮)—সবাই রশিদপুর ভাটীপাড়া ও রামদেববড়ী এলাকার বাসিন্দা। তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই পুকুর থেকে নিষিদ্ধ চায়না জাল দিয়ে মাছ চুরি করে অন্যত্র বিক্রি করতেন অথবা নিজেদের পুকুরে ছেড়ে দিতেন।

‎​গত ৮ আগস্ট শনিবার রাত আনুমানিক ১০টা ১০ মিনিটে দিকে অভিযুক্তরা পুনরায় নিষিদ্ধ চায়না জাল দিয়ে মাছ ধরার সময় প্রায় ৩৫ কেজি মাছসহ হাতেনাতে ধরা পড়েন। পরবর্তীতে এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে অভিযুক্তরা ও তাদের সহযোগীরা খামারীকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন এবং দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মারপিট করতে উদ্যত হন। এ সময় বাদীকে খুন-জখমসহ বড় ধরনের ক্ষতির হুমকি দেওয়া হয়। বর্তমানে অভিযুক্তরা লাঠিসোটা নিয়ে বসতবাড়ির সামনে অবস্থান করায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

‎​এ বিষয়ে আইনগত প্রতিকার ও নিরাপত্তার জন্য মৎস্য খামারী মো.আসাদ বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা

‎জামালপুরে প্রতিবেশীর পুকুরের মাছ চুরি : প্রতিবাদ করায় খামারীকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

সময় ০৮:১৪:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

‎জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নে লিজ নেওয়া একটি পুকুরে রাতের আঁধারে নিষিদ্ধ চায়না দোয়ারি জাল দিয়ে মাছ চুরির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় মৎস্য খামারীকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী মৎস্য খামারী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে জামালপুর সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

‎​অভিযুক্ত প্রধান ব্যক্তি মো: রফিকুল ইসলাম (৪৫) তিনি রশিদপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ভাটিপাড়া গ্রামের দুদু মিয়ার পুত্র বলে জানা গেছে।

‎​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জামালপুর সদর উপজেলার ১৫ নং রশিদপুর ইউনিয়নের রশিদপুর ভাটীপাড়া এলাকার মৃত চান মিয়ার ছেলে মো: আসাদ (৩৬) স্থানীয় রকব আলী মাস্টারের নিকট থেকে ২১০ শতাংশ জমির একটি পুকুর দুই বছরের জন্য নগদ ৬৬ হাজার টাকার বিনিময়ে লিজ নেন। ওই পুকুরে তিনি প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার মাছের পোনা ছাড়েন এবং খাবারে প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার টাকা খরচ করেন।

‎​অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, বিবাদী মো: রফিকুল ইসলাম (৪৫), মো: সাইফুল ইসলাম (৫০) এবং মো: খোরশেদ আলম (৪৮)—সবাই রশিদপুর ভাটীপাড়া ও রামদেববড়ী এলাকার বাসিন্দা। তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই পুকুর থেকে নিষিদ্ধ চায়না জাল দিয়ে মাছ চুরি করে অন্যত্র বিক্রি করতেন অথবা নিজেদের পুকুরে ছেড়ে দিতেন।

‎​গত ৮ আগস্ট শনিবার রাত আনুমানিক ১০টা ১০ মিনিটে দিকে অভিযুক্তরা পুনরায় নিষিদ্ধ চায়না জাল দিয়ে মাছ ধরার সময় প্রায় ৩৫ কেজি মাছসহ হাতেনাতে ধরা পড়েন। পরবর্তীতে এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে অভিযুক্তরা ও তাদের সহযোগীরা খামারীকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন এবং দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মারপিট করতে উদ্যত হন। এ সময় বাদীকে খুন-জখমসহ বড় ধরনের ক্ষতির হুমকি দেওয়া হয়। বর্তমানে অভিযুক্তরা লাঠিসোটা নিয়ে বসতবাড়ির সামনে অবস্থান করায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

‎​এ বিষয়ে আইনগত প্রতিকার ও নিরাপত্তার জন্য মৎস্য খামারী মো.আসাদ বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

‎