
জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নে লিজ নেওয়া একটি পুকুরে রাতের আঁধারে নিষিদ্ধ চায়না দোয়ারি জাল দিয়ে মাছ চুরির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় মৎস্য খামারীকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী মৎস্য খামারী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে জামালপুর সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযুক্ত প্রধান ব্যক্তি মো: রফিকুল ইসলাম (৪৫) তিনি রশিদপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ভাটিপাড়া গ্রামের দুদু মিয়ার পুত্র বলে জানা গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জামালপুর সদর উপজেলার ১৫ নং রশিদপুর ইউনিয়নের রশিদপুর ভাটীপাড়া এলাকার মৃত চান মিয়ার ছেলে মো: আসাদ (৩৬) স্থানীয় রকব আলী মাস্টারের নিকট থেকে ২১০ শতাংশ জমির একটি পুকুর দুই বছরের জন্য নগদ ৬৬ হাজার টাকার বিনিময়ে লিজ নেন। ওই পুকুরে তিনি প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার মাছের পোনা ছাড়েন এবং খাবারে প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার টাকা খরচ করেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, বিবাদী মো: রফিকুল ইসলাম (৪৫), মো: সাইফুল ইসলাম (৫০) এবং মো: খোরশেদ আলম (৪৮)—সবাই রশিদপুর ভাটীপাড়া ও রামদেববড়ী এলাকার বাসিন্দা। তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই পুকুর থেকে নিষিদ্ধ চায়না জাল দিয়ে মাছ চুরি করে অন্যত্র বিক্রি করতেন অথবা নিজেদের পুকুরে ছেড়ে দিতেন।
গত ৮ আগস্ট শনিবার রাত আনুমানিক ১০টা ১০ মিনিটে দিকে অভিযুক্তরা পুনরায় নিষিদ্ধ চায়না জাল দিয়ে মাছ ধরার সময় প্রায় ৩৫ কেজি মাছসহ হাতেনাতে ধরা পড়েন। পরবর্তীতে এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে অভিযুক্তরা ও তাদের সহযোগীরা খামারীকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন এবং দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মারপিট করতে উদ্যত হন। এ সময় বাদীকে খুন-জখমসহ বড় ধরনের ক্ষতির হুমকি দেওয়া হয়। বর্তমানে অভিযুক্তরা লাঠিসোটা নিয়ে বসতবাড়ির সামনে অবস্থান করায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
এ বিষয়ে আইনগত প্রতিকার ও নিরাপত্তার জন্য মৎস্য খামারী মো.আসাদ বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ফারুক আহমেদ ভূঁইয়া,জামালপুর। 















