সিলেট ০৪:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎গোয়াইনঘাটে অপরাধ দমনে কঠোর প্রশাসন: অপরাধী ও চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি বিয়ানীবাজার থেকে টমটম চালক নিখোঁজ, থানায় জিডি ‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত। ‎গোয়াইনঘাটে ৪ লিস্টার মেশিন ধ্বংস, ডুবিয়ে দেওয়া হলো বালুভর্তি বাল্কহেড শান্তিগঞ্জে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ ‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎ নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‎জৈন্তাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত একই পরিবারের ৩  ভাইসহ একাধিক সদস্য। ‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা

‎ছাতকে দোকানে হামলা-ভাঙচুর ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ, থানায় লিখিত আবেদন


‎
‎সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার উত্তর খুরমা ইউনিয়নের গাবুরগাঁও পয়েন্টে দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর, মারধর ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগে থানায় লিখিত আবেদন করা হয়েছে।
‎
‎অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গাবুরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা আরজক আলী শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে সংঘটিত ঘটনার অভিযোগ এনে ছাতক থানায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে লিখিত আবেদন দায়ের করেন।
‎
‎অভিযোগে বলা হয়, জুমার নামাজ শেষে আরজক আলীর দুই ভাই জুবেদ আলী ও চমক আলী তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলতে গেলে পূর্ববিরোধের জেরে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে হামলা চালায়। এ সময় জুবেদ আলীকে মারধর করে আহত করা হয়। তাঁর চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা মা স্টুডিওসহ দুটি দোকানে ভাঙচুর চালায়।
‎
‎অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলার সময় একটি দোকানের ক্যাশবক্স থেকে বিকাশ ব্যবসার ৫ লাখ টাকা, দুটি কম্পিউটার মনিটর ও একটি প্রিন্টার এবং অপর একটি দোকানের ক্যাশবক্স থেকে আরও ৪ লাখ টাকা নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন। এছাড়া দোকানের গ্লাস ও বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি করা হয়েছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়।


‎
‎লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনাস্থল ত্যাগের আগে অভিযুক্তরা বাদীর বসতবাড়িতে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং মামলা করলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। আহত জুবেদ আলীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবহিত করে থানায় লিখিত আবেদন করা হয়। বাদী আরজক আলী বলেন,পূর্ববিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে আমার ভাইদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছে। মারধরের পাশাপাশি দোকান ভাঙচুর করে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা ও মালামাল নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
‎
‎তবে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান অভিযুক্ত কামাল উদ্দিন বলেন,আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমরা কোনো হামলা, ভাঙচুর বা লুটপাটের সঙ্গে জড়িত নই। বিষয়টি গ্রামের মসজিদের ইমামকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জের। এ নিয়ে গ্রামে শালিসও হয়েছে, কিন্তু তারা তা মানেননি। এখন আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।
‎
‎ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন,এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎গোয়াইনঘাটে অপরাধ দমনে কঠোর প্রশাসন: অপরাধী ও চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি

‎ছাতকে দোকানে হামলা-ভাঙচুর ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ, থানায় লিখিত আবেদন

সময় ০৬:২৭:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬


‎
‎সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার উত্তর খুরমা ইউনিয়নের গাবুরগাঁও পয়েন্টে দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর, মারধর ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগে থানায় লিখিত আবেদন করা হয়েছে।
‎
‎অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গাবুরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা আরজক আলী শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে সংঘটিত ঘটনার অভিযোগ এনে ছাতক থানায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে লিখিত আবেদন দায়ের করেন।
‎
‎অভিযোগে বলা হয়, জুমার নামাজ শেষে আরজক আলীর দুই ভাই জুবেদ আলী ও চমক আলী তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলতে গেলে পূর্ববিরোধের জেরে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে হামলা চালায়। এ সময় জুবেদ আলীকে মারধর করে আহত করা হয়। তাঁর চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা মা স্টুডিওসহ দুটি দোকানে ভাঙচুর চালায়।
‎
‎অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলার সময় একটি দোকানের ক্যাশবক্স থেকে বিকাশ ব্যবসার ৫ লাখ টাকা, দুটি কম্পিউটার মনিটর ও একটি প্রিন্টার এবং অপর একটি দোকানের ক্যাশবক্স থেকে আরও ৪ লাখ টাকা নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন। এছাড়া দোকানের গ্লাস ও বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি করা হয়েছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়।


‎
‎লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনাস্থল ত্যাগের আগে অভিযুক্তরা বাদীর বসতবাড়িতে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং মামলা করলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। আহত জুবেদ আলীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবহিত করে থানায় লিখিত আবেদন করা হয়। বাদী আরজক আলী বলেন,পূর্ববিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে আমার ভাইদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছে। মারধরের পাশাপাশি দোকান ভাঙচুর করে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা ও মালামাল নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
‎
‎তবে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান অভিযুক্ত কামাল উদ্দিন বলেন,আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমরা কোনো হামলা, ভাঙচুর বা লুটপাটের সঙ্গে জড়িত নই। বিষয়টি গ্রামের মসজিদের ইমামকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জের। এ নিয়ে গ্রামে শালিসও হয়েছে, কিন্তু তারা তা মানেননি। এখন আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।
‎
‎ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন,এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।