সিলেট ১২:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
News Title :
‎লস্করপুর থেকে উদ্ধার তক্ষক সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত ‎জামালপুরে টেকসই কৃষি,পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বায়ােপেস্টিসাইডের ব্যবহার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত।‎ মাধআপুরে ৩০ বছরের জরাজীর্ণ ভবন, ছাদ ধসে আহত দপ্তরি, বন্ধ পাঠদান ১০ দফা দাবিতে শান্তিগঞ্জে কৃষক-মজুর-মৎস্যজীবীদের বৈঠক‎,আন্দোলন জোরদারের ঘোষণা ‎সিলেটে র‍্যাব-বিজিবির যৌথ অভিযান: ১৩ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাচালান পণ্যসহ ট্রাক জব্দ ‎ছাতকে মাদকবিরোধী ও আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ‎আদালতে অভিযোগ- বিশ্বনাথে সংবাদ সম্মেলন,‎ বিদেশে যেতে দালালের খপ্পরে সর্বস্বান্ত ২১ পরিবার‎ ‎বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন‎সভাপতি, শিব্বির আহমদ, সেক্রেটারি, আব্দাল মিয়া ‎শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবকে অভিনন্দন, সাংবাদিকদের প্রশংসা করলেন ফারুক আহমদ‎ ‎সিলেটে অনলাইন জুয়া চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার: উদ্ধার ৪ খাতা ও মোবাইল

‎লস্করপুর থেকে উদ্ধার তক্ষক সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত





‎হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর এলাকা থেকে উদ্ধার করা একটি তক্ষক (গেকো) সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করেছে বন বিভাগ। উদ্ধার-পরবর্তী পর্যবেক্ষণ শেষে প্রাণীটিকে তার প্রাকৃতিক আবাসস্থলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

‎বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১৯ জুন) গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হবিগঞ্জের বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তারা সদর উপজেলার লস্করপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তক্ষকটি উদ্ধার করেন। পরে প্রাণীটিকে বন বিভাগের হেফাজতে রেখে স্বাস্থ্যগত অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় পরিচর্যা করা হয়।

‎পরদিন শনিবার (২০ জুন) বিকেলে চুনারুঘাট উপজেলার রঘুনন্দন রেঞ্জের আওতাধীন সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে তক্ষকটি অবমুক্ত করা হয়। অবমুক্তির পর প্রাণীটি দ্রুত বনের ভেতরে চলে যায়।

‎অবমুক্তি কার্যক্রমে বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাতছড়ি সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এবং স্থানীয় সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।



‎হবিগঞ্জের বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন বলেন, উদ্ধার করা তক্ষকটি পর্যবেক্ষণে সুস্থ পাওয়া যাওয়ায় সেটিকে প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়েছে। বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনের আওতায় উদ্ধারকৃত প্রাণীদের উপযুক্ত আবাসস্থলে ফিরিয়ে দেওয়ার কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে।

‎বন বিভাগ জানায়, তক্ষক গেকোনিডি গোত্রের একটি সরীসৃপ প্রজাতি। এটি সাধারণত বনাঞ্চল, গাছের কোটর, ভবনের ছাদ ও বিভিন্ন ফাঁকফোকরে বসবাস করে। কীটপতঙ্গ, ছোট সরীসৃপ ও ক্ষুদ্র প্রাণী এদের প্রধান খাদ্য।

‎সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, অবৈধ বাণিজ্য, শিকার এবং বিভিন্ন কুসংস্কারের কারণে দেশে তক্ষকের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রাণীটিকে ঘিরে প্রচলিত ভুল তথ্য ও গুজবও এর অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ কারণে বন্য প্রাণী সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইন প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করছেন বন বিভাগের কর্মকর্তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎লস্করপুর থেকে উদ্ধার তক্ষক সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত

‎লস্করপুর থেকে উদ্ধার তক্ষক সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত

সময় ০৮:৪৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬





‎হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর এলাকা থেকে উদ্ধার করা একটি তক্ষক (গেকো) সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করেছে বন বিভাগ। উদ্ধার-পরবর্তী পর্যবেক্ষণ শেষে প্রাণীটিকে তার প্রাকৃতিক আবাসস্থলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

‎বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১৯ জুন) গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হবিগঞ্জের বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তারা সদর উপজেলার লস্করপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তক্ষকটি উদ্ধার করেন। পরে প্রাণীটিকে বন বিভাগের হেফাজতে রেখে স্বাস্থ্যগত অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় পরিচর্যা করা হয়।

‎পরদিন শনিবার (২০ জুন) বিকেলে চুনারুঘাট উপজেলার রঘুনন্দন রেঞ্জের আওতাধীন সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে তক্ষকটি অবমুক্ত করা হয়। অবমুক্তির পর প্রাণীটি দ্রুত বনের ভেতরে চলে যায়।

‎অবমুক্তি কার্যক্রমে বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাতছড়ি সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এবং স্থানীয় সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।



‎হবিগঞ্জের বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন বলেন, উদ্ধার করা তক্ষকটি পর্যবেক্ষণে সুস্থ পাওয়া যাওয়ায় সেটিকে প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়েছে। বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনের আওতায় উদ্ধারকৃত প্রাণীদের উপযুক্ত আবাসস্থলে ফিরিয়ে দেওয়ার কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে।

‎বন বিভাগ জানায়, তক্ষক গেকোনিডি গোত্রের একটি সরীসৃপ প্রজাতি। এটি সাধারণত বনাঞ্চল, গাছের কোটর, ভবনের ছাদ ও বিভিন্ন ফাঁকফোকরে বসবাস করে। কীটপতঙ্গ, ছোট সরীসৃপ ও ক্ষুদ্র প্রাণী এদের প্রধান খাদ্য।

‎সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, অবৈধ বাণিজ্য, শিকার এবং বিভিন্ন কুসংস্কারের কারণে দেশে তক্ষকের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রাণীটিকে ঘিরে প্রচলিত ভুল তথ্য ও গুজবও এর অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ কারণে বন্য প্রাণী সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইন প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করছেন বন বিভাগের কর্মকর্তারা।