
সংবাদ কেবল তথ্য নয়—এটি সমাজের দর্পণ, সময়ের সাক্ষ্য। সেই দায়বদ্ধতা আর পেশাদারিত্বের অনন্য উদাহরণ তৈরি করে চলেছেন যাঁরা, তাঁদের স্বীকৃতি দিতেই আবারও আলোচনায় দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ।
সেরা পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ ৮টি ক্যাটাগরিতে ২৪ জন সাংবাদিককে পুরস্কৃত করার ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি, রবিবার দুপুর ১টায় অনুষ্ঠিত হবে সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান—একটি গৌরবময় আয়োজন, যেখানে উদযাপিত হবে পরিশ্রম, সততা আর নিরলস অনুসন্ধান।
কর্তৃপক্ষের ভাষায়, একনিষ্ঠ পেশাদারিত্ব, ধারাবাহিক কর্মদক্ষতা এবং সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্ট প্রকাশের মধ্য দিয়ে যাঁরা পাঠকের আস্থা অর্জন করেছেন, তাঁদের জন্যই এ সম্মাননা। গত মাসগুলোতে প্রকাশিত বহু প্রতিবেদন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে—কিছু রিপোর্ট ভাইরালও হয়েছে—যা প্রমাণ করে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার শক্তি।
রিপোর্টিং বিভাগে জানুয়ারি ২০২৬-এর সেরা তালিকায় উঠে এসেছেন দেশের নানা প্রান্তে কর্মরত সংবাদদাতারা। বরিশাল থেকে মৌলভীবাজার, ফেনী থেকে শেরপুর—মাঠের বাস্তবতা তুলে ধরার এই সৈনিকেরা স্থানীয় সংকট, সম্ভাবনা ও মানুষের কণ্ঠস্বরকে জাতীয় পরিসরে পৌঁছে দিয়েছেন। তাঁদের ধারাবাহিকতায় সংবাদ পেয়েছে গতি, গভীরতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা।
অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে সেরা নির্বাচিত সাংবাদিকরা সমাজের আড়ালে থাকা সত্য উন্মোচনে রেখেছেন সাহসী পদচারণা। অপরাধ, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে তথ্যনির্ভর রিপোর্ট তাঁদের কলমকে করেছে শক্তিশালী—পাঠকের কাছে বিশ্বাসের জায়গা আরও পোক্ত হয়েছে।
বিশেষ অবদান ক্যাটাগরিতে স্বীকৃতি পাওয়া প্রতিনিধিরা দেখিয়েছেন, দায়িত্ববোধ আর দূরদৃষ্টি থাকলে প্রতিবেদনের প্রভাব কতটা বিস্তৃত হতে পারে। একইভাবে ঢাকা নগরীর মাল্টিমিডিয়া বিভাগে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আধুনিক সাংবাদিকতার নতুন ভাষা নির্মাণে ভিডিও, গ্রাফিক্স ও ডিজিটাল স্টোরিটেলিংকে কাজে লাগিয়েছেন দক্ষতার সঙ্গে।
পেছনের সারিতে থেকেও সংবাদপ্রবাহকে সচল রাখে যে হাতগুলো, সেই বার্তা বিভাগের তিন কর্মীকেও দেওয়া হচ্ছে বিশেষ সম্মাননা—একটি নীরব অথচ অপরিহার্য অবদানের স্বীকৃতি।
অনুষ্ঠানে সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কার তুলে দেবেন দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের উপদেষ্টা সম্পাদক আমিরুল ইসলাম আসাদ, সম্পাদক মোঃ খায়রুল আলম রফিকসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।
এই আয়োজন শুধু পুরস্কার বিতরণ নয়—এটি সাংবাদিকতার প্রতি শ্রদ্ধা, দায়িত্বের প্রতি অঙ্গীকার এবং আগামী দিনের জন্য অনুপ্রেরণা।
সত্যের পথে অবিচল থেকে যাঁরা কলম ধরেছেন, ২২ ফেব্রুয়ারি তাঁদেরই জন্য—গৌরবের, সম্মানের, উৎসবের দিন।
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি 

















