সিলেট ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
News Title :
বানিয়াচংয়ে এইচএসসিতে শীর্ষে শচীন্দ্র কলেজ, আলিমে বিএসডি বালিকা মাদ্রাসা প্রেসক্লাব কুলাউড়ার ৩০ বছর পূর্তি উদযাপন ‎সিলেট সরকারি মহিলা কলেজে পাসের হার ৯৩.৩০ শতাংশ বালাগঞ্জ-সুলতানপুর-সিলেট সড়কে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত যুবক সাইফুরের জানাজা সম্পন্ন ‎ফ্যামিলি কার্ড’ নিয়ে বিরোধী রাজনীতিকেরা তাচ্ছিল্য করেছিলেন: কয়ছর আহমদ ‎গাজীপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে এইচএসসি ফলের বিপর্যয়: পাসের হার ৩২.৪১% বানিয়াচংয়ে বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিদের সাথে সভা করেছেন এমপি ডা. জীবন ‎গোয়াইনঘাটে ৩২ বছরের শিক্ষকতা শেষে অধ্যক্ষ আব্দুছ শহীদের রাজকীয় বিদায় মাধবপুরে বিএডিসির গভীর নলকূপের ট্রান্সফরমার চুরি, ঝুঁকিতে কয়েকশত বিঘা‎জমির সেচ জাফলংয়ে বালুর পাড় ধসে শ্রমিকের মৃত্যু

বানিয়াচংয়ে এইচএসসিতে শীর্ষে শচীন্দ্র কলেজ, আলিমে বিএসডি বালিকা মাদ্রাসা

সদ্য প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় কলেজে পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে শচীন্দ্র কলেজ এবং মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের (আলিম) অধীনে শীর্ষস্থান অধিকার করেছে বিএসডি বালিকা আলিম মাদ্রাসা।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর বানিয়াচং উপজেলায় ৭টি কলেজ থেকে মোট ১ হাজার ৭৮৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৮৭১ জন। উপজেলায় গড় পাসের হার ৪৮ শতাংশ।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, বানিয়াচং উপজেলার কলেজগুলোর মধ্যে বরাবরের মতোই আধিপত্য ধরে রেখেছে শচীন্দ্র কলেজ। এ বছর কলেজটি থেকে সর্বোচ্চ ৯৬১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে ৫৮৪ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৬০.৭৭ শতাংশ।
উপজেলার অন্যান্য কলেজের মধ্যে সুফিয়া মতিন মহিলা কলেজ থেকে ২৩৭ জন অংশ নিয়ে ১০০ জন পাস করেছে (পাসের হার ৪২%), আইডিয়েল কলেজ থেকে ১২৮ জন অংশ নিয়ে ৪১ জন পাস করেছে (পাসের হার ৩২%), এবং উপজেলার অন্যতম প্রধান বিদ্যাপীঠ জনাব আলী সরকারি কলেজ থেকে ৩৫৮ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে মাত্র ১১২ জন (পাসের হার ৩১%)।

এছাড়া শেখ সামছুল হক কলেজ থেকে ৩৬ জন অংশ নিয়ে ১০ জন (পাসের হার ২৭%) এবং বক্তারপুর আবুল খায়ের উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ থেকে ৫৯ জন অংশ নিয়ে ১৩ জন (পাসের হার ২২%) পাস করেছে। অন্যদিকে, এবার উপজেলায় সবচেয়ে সর্বনিম্ন পাসের হার রত্না উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ। এই প্রতিষ্ঠানটি থেকে মাত্র ১০ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ১ জন, যার পাসের হার মাত্র ১০ শতাংশ।

এদিকে, মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় উপজেলার দুটি মাদ্রাসা থেকে মোট ৪১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ২৫ জন। মাদ্রাসা পর্যায়ে উপজেলায় গড় পাসের হার ৬০ শতাংশ। এর মধ্যে ১৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১০ জন পাস করে উপজেলার মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে বিএসডি বালিকা আলিম মাদ্রাসা, যার পাসের হার ৭১.৪২ শতাংশ (সংক্ষিপ্ত হিসাবে ৭১%)। এছাড়া বানিয়াচং সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ২৭ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ১৫ জন, এই প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ৫৫ শতাংশ।

উপজেলার সামগ্রিক ফলাফল নিয়ে শিক্ষানুরাগী ও স্থানীয় অভিভাবকরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। কিছু প্রতিষ্ঠানের গৌরবময় অর্জনে সন্তোষ প্রকাশ করলেও, বেশ কয়েকটি নামী কলেজের পাসের হার আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় শিক্ষার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও জোরদার ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বানিয়াচংয়ে এইচএসসিতে শীর্ষে শচীন্দ্র কলেজ, আলিমে বিএসডি বালিকা মাদ্রাসা

বানিয়াচংয়ে এইচএসসিতে শীর্ষে শচীন্দ্র কলেজ, আলিমে বিএসডি বালিকা মাদ্রাসা

সময় ১০:৪৪:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

সদ্য প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় কলেজে পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে শচীন্দ্র কলেজ এবং মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের (আলিম) অধীনে শীর্ষস্থান অধিকার করেছে বিএসডি বালিকা আলিম মাদ্রাসা।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর বানিয়াচং উপজেলায় ৭টি কলেজ থেকে মোট ১ হাজার ৭৮৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৮৭১ জন। উপজেলায় গড় পাসের হার ৪৮ শতাংশ।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, বানিয়াচং উপজেলার কলেজগুলোর মধ্যে বরাবরের মতোই আধিপত্য ধরে রেখেছে শচীন্দ্র কলেজ। এ বছর কলেজটি থেকে সর্বোচ্চ ৯৬১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে ৫৮৪ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৬০.৭৭ শতাংশ।
উপজেলার অন্যান্য কলেজের মধ্যে সুফিয়া মতিন মহিলা কলেজ থেকে ২৩৭ জন অংশ নিয়ে ১০০ জন পাস করেছে (পাসের হার ৪২%), আইডিয়েল কলেজ থেকে ১২৮ জন অংশ নিয়ে ৪১ জন পাস করেছে (পাসের হার ৩২%), এবং উপজেলার অন্যতম প্রধান বিদ্যাপীঠ জনাব আলী সরকারি কলেজ থেকে ৩৫৮ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে মাত্র ১১২ জন (পাসের হার ৩১%)।

এছাড়া শেখ সামছুল হক কলেজ থেকে ৩৬ জন অংশ নিয়ে ১০ জন (পাসের হার ২৭%) এবং বক্তারপুর আবুল খায়ের উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ থেকে ৫৯ জন অংশ নিয়ে ১৩ জন (পাসের হার ২২%) পাস করেছে। অন্যদিকে, এবার উপজেলায় সবচেয়ে সর্বনিম্ন পাসের হার রত্না উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ। এই প্রতিষ্ঠানটি থেকে মাত্র ১০ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ১ জন, যার পাসের হার মাত্র ১০ শতাংশ।

এদিকে, মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় উপজেলার দুটি মাদ্রাসা থেকে মোট ৪১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ২৫ জন। মাদ্রাসা পর্যায়ে উপজেলায় গড় পাসের হার ৬০ শতাংশ। এর মধ্যে ১৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১০ জন পাস করে উপজেলার মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে বিএসডি বালিকা আলিম মাদ্রাসা, যার পাসের হার ৭১.৪২ শতাংশ (সংক্ষিপ্ত হিসাবে ৭১%)। এছাড়া বানিয়াচং সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ২৭ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ১৫ জন, এই প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ৫৫ শতাংশ।

উপজেলার সামগ্রিক ফলাফল নিয়ে শিক্ষানুরাগী ও স্থানীয় অভিভাবকরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। কিছু প্রতিষ্ঠানের গৌরবময় অর্জনে সন্তোষ প্রকাশ করলেও, বেশ কয়েকটি নামী কলেজের পাসের হার আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় শিক্ষার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও জোরদার ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।