সিলেট ১২:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার এক বন্দির মৃত্যু ‎লাখাইয়ে পুলিশের উদ্যোগে মাদক ও অপরাধবিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

‎হবিগঞ্জ সীমান্তে চোরাকারবারিদের গুলিতে বাংলাদেশি এক যুবক নিহত: বিজিবি‎


‎হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার চিমটিবিল সীমান্তে গুলিতে সোহাগ মিয়া নামের এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় এক কিলোমিটার ভারতের অভ্যন্তরে এ ঘটনা ঘটে।
‎
‎নিহত সোহাগ চিমটিবিল এলাকার সফিকুল ইসলামের ছেলে। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে শনাক্ত করেছেন।
‎নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) গরু চোরাকারবারি সন্দেহে সোহাগকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে তিনি নিহত হন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
‎
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বলছে, ঘটনার পর বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। বিএসএফ জানিয়েছে, তাদের গুলিতে সোহাগ নিহত হননি। বিজিবির প্রাথমিক ধারণা, চোরাকারবারিদের নিজেদের মধ্যে বিরোধের জেরে গুলিতে সোহাগ নিহত হয়ে থাকতে পারেন।
‎বিজিবির ৫৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল তানজিলুর রহমান বলেন, ঘটনার পর বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনাটি সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় এক কিলোমিটার ভারতের অংশে ঘটেছে। বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


‎স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সীমান্ত এলাকায় গুলির শব্দ শুনতে পান স্থানীয় লোকজন। পরে সেখানে একজন পড়ে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর পোশাক দেখে তাঁকে বাংলাদেশি বলে ধারণা করা হয়। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে তাঁকে সোহাগ মিয়া হিসেবে শনাক্ত করেন।
‎পরে তাঁকে উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। বিকেল সাড়ে তিনটার পর চুনারুঘাট থানার পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে তাঁর সুরতহাল করে।
‎
‎নিহতের চাচা আবদুল কাদির বলেন, সোহাগ গরুকে ঘাস খাওয়ানোর জন্য সীমান্ত এলাকায় গিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, বিএসএফ তাঁকে গরু চোরাকারবারি সন্দেহে গুলি করে।
‎
‎অন্যদিকে বিজিবির ৫৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল তানজিলুর রহমান বলেন, ঘটনার শুরুতে বিএসএফের গুলিতে সোহাগ নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হয়েছিল। পরে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা এ দাবি অস্বীকার করে।
‎
‎বিজিবির এই কর্মকর্তা জানান, ভারতীয় চোরাকারবারিদের সঙ্গে ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে সোহাগসহ কয়েকজনের বিরোধের সূত্র ধরে গুলির ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সময় সোহাগের সঙ্গে তাঁর এক ভাইও ছিলেন। তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে এসে পুলিশ ও বিজিবিকে ঘটনার বিষয়ে জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে

‎হবিগঞ্জ সীমান্তে চোরাকারবারিদের গুলিতে বাংলাদেশি এক যুবক নিহত: বিজিবি‎

সময় ১১:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬


‎হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার চিমটিবিল সীমান্তে গুলিতে সোহাগ মিয়া নামের এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় এক কিলোমিটার ভারতের অভ্যন্তরে এ ঘটনা ঘটে।
‎
‎নিহত সোহাগ চিমটিবিল এলাকার সফিকুল ইসলামের ছেলে। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে শনাক্ত করেছেন।
‎নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) গরু চোরাকারবারি সন্দেহে সোহাগকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে তিনি নিহত হন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
‎
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বলছে, ঘটনার পর বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। বিএসএফ জানিয়েছে, তাদের গুলিতে সোহাগ নিহত হননি। বিজিবির প্রাথমিক ধারণা, চোরাকারবারিদের নিজেদের মধ্যে বিরোধের জেরে গুলিতে সোহাগ নিহত হয়ে থাকতে পারেন।
‎বিজিবির ৫৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল তানজিলুর রহমান বলেন, ঘটনার পর বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনাটি সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় এক কিলোমিটার ভারতের অংশে ঘটেছে। বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


‎স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সীমান্ত এলাকায় গুলির শব্দ শুনতে পান স্থানীয় লোকজন। পরে সেখানে একজন পড়ে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর পোশাক দেখে তাঁকে বাংলাদেশি বলে ধারণা করা হয়। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে তাঁকে সোহাগ মিয়া হিসেবে শনাক্ত করেন।
‎পরে তাঁকে উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। বিকেল সাড়ে তিনটার পর চুনারুঘাট থানার পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে তাঁর সুরতহাল করে।
‎
‎নিহতের চাচা আবদুল কাদির বলেন, সোহাগ গরুকে ঘাস খাওয়ানোর জন্য সীমান্ত এলাকায় গিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, বিএসএফ তাঁকে গরু চোরাকারবারি সন্দেহে গুলি করে।
‎
‎অন্যদিকে বিজিবির ৫৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল তানজিলুর রহমান বলেন, ঘটনার শুরুতে বিএসএফের গুলিতে সোহাগ নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হয়েছিল। পরে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা এ দাবি অস্বীকার করে।
‎
‎বিজিবির এই কর্মকর্তা জানান, ভারতীয় চোরাকারবারিদের সঙ্গে ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে সোহাগসহ কয়েকজনের বিরোধের সূত্র ধরে গুলির ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সময় সোহাগের সঙ্গে তাঁর এক ভাইও ছিলেন। তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে এসে পুলিশ ও বিজিবিকে ঘটনার বিষয়ে জানিয়েছেন।