সিলেট ০১:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
News Title :
বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎ ‎ক্লুলেস সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন, দুই আসামি গ্রেফতার ‎নবীগঞ্জের একমাত্র আসামি তুহিন সিলেট থেকে গ্রেফতার ‎লাখাইয়ে কর্মকর্তা সাংবাদিক  মুক্তিযোদ্ধা সহ সুশীল সমাজের সাথে মতবিনিময় করেন জেলা প্রশাসক। ‎জামালপুরের দিগপাইতে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: হত্যা নাকি আত্মহত্যা এ নিয়ে রহস্য!‎ ‎জামালপুরে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে  পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা  ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রামু থেকে নিখোঁজ কলেজছাত্রী টাঙ্গাইলে উদ্ধার চুনারুঘাটে মাদকবিরোধী যৌথ অভিযান: নারীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড, জরিমানা ‎সখিপুর পৌরসভায় ৩নং ওয়ার্ডে টানা বিদ্যুৎ বিপর্যয়: চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাঠ পর্যায়ের কৃষি উন্নয়নমূলক ও মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শন

‎টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গানের পুনরুজ্জীবন: ইউনুস বয়াতি ও ওয়াসিম বয়াতির মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গানের আসরে শিল্পীদের পরিবেশনা ।



‎টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী, কুমারগাতি গ্রামবাংলার শত বছরের ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গান কালের বিবর্তনে যখন বিলুপ্তির পথে, ঠিক তখনই টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার কুমারগাতিতে অনুষ্ঠিত হলো এক মনোমুগ্ধকর ধুয়া গানের পালা। ইউনুস বয়াতি এবং ওয়াসিম বয়াতি’র অনবদ্য পরিবেশনা মুগ্ধ করলো উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের। এই আয়োজন প্রমাণ করলো যে, ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখার প্রচেষ্টা এখনও বিদ্যমান।
‎বিলুপ্তপ্রায় ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম:
‎ধূয়া গান, যা গ্রামবাংলার মানুষের বিনোদনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, বর্তমানে তা প্রায় বিলুপ্ত। আধুনিকতার ছোঁয়ায় এবং প্রযুক্তির প্রসারে এই লোকজ শিল্প তার আবেদন হারাচ্ছে। তবে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে এখনও এর প্রচলন দেখা যায়, যা আশার আলো দেখাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা এবং প্রগতিশীল চিন্তক ইকবাল হোসেন জুপিটার এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি প্রতি বছর ধুয়া গান এবং লাঠি খেলার মতো গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করে থাকেন।

ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গানের শিল্পীরা গানের তালে তালে মত্ত ।

ইকবাল হোসেন জুপিটারের অঙ্গীকার:
‎গ্রামবাংলার এই ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ইকবাল হোসেন জুপিটার বলেন, “আমি চেষ্টা করছি এসব গ্রামবাংলার ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে। ধুয়া গান, লাঠি খেলা – এসব আজ বিলুপ্তির পথে। আমাদের নতুন প্রজন্মকে এই শিল্পকলার সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং এর গুরুত্ব বোঝানো অত্যন্ত জরুরি।” তার এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে এবং গ্রামবাংলার লোকসংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন।
‎ইউনুস বয়াতি এবং ওয়াসিম বয়াতি’র মতো শিল্পীদের পরিবেশনা এবং ইকবাল হোসেন জুপিটারের মতো সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষের প্রচেষ্টায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গান আবারও নতুন জীবন ফিরে পাচ্ছে, যা আমাদের লোকসংস্কৃতির জন্য এক শুভ বার্তা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎

‎টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গানের পুনরুজ্জীবন: ইউনুস বয়াতি ও ওয়াসিম বয়াতির মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা

সময় ০৬:১১:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গানের আসরে শিল্পীদের পরিবেশনা ।



‎টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী, কুমারগাতি গ্রামবাংলার শত বছরের ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গান কালের বিবর্তনে যখন বিলুপ্তির পথে, ঠিক তখনই টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার কুমারগাতিতে অনুষ্ঠিত হলো এক মনোমুগ্ধকর ধুয়া গানের পালা। ইউনুস বয়াতি এবং ওয়াসিম বয়াতি’র অনবদ্য পরিবেশনা মুগ্ধ করলো উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের। এই আয়োজন প্রমাণ করলো যে, ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখার প্রচেষ্টা এখনও বিদ্যমান।
‎বিলুপ্তপ্রায় ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম:
‎ধূয়া গান, যা গ্রামবাংলার মানুষের বিনোদনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, বর্তমানে তা প্রায় বিলুপ্ত। আধুনিকতার ছোঁয়ায় এবং প্রযুক্তির প্রসারে এই লোকজ শিল্প তার আবেদন হারাচ্ছে। তবে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে এখনও এর প্রচলন দেখা যায়, যা আশার আলো দেখাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা এবং প্রগতিশীল চিন্তক ইকবাল হোসেন জুপিটার এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি প্রতি বছর ধুয়া গান এবং লাঠি খেলার মতো গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করে থাকেন।

ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গানের শিল্পীরা গানের তালে তালে মত্ত ।

ইকবাল হোসেন জুপিটারের অঙ্গীকার:
‎গ্রামবাংলার এই ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ইকবাল হোসেন জুপিটার বলেন, “আমি চেষ্টা করছি এসব গ্রামবাংলার ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে। ধুয়া গান, লাঠি খেলা – এসব আজ বিলুপ্তির পথে। আমাদের নতুন প্রজন্মকে এই শিল্পকলার সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং এর গুরুত্ব বোঝানো অত্যন্ত জরুরি।” তার এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে এবং গ্রামবাংলার লোকসংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন।
‎ইউনুস বয়াতি এবং ওয়াসিম বয়াতি’র মতো শিল্পীদের পরিবেশনা এবং ইকবাল হোসেন জুপিটারের মতো সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষের প্রচেষ্টায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গান আবারও নতুন জীবন ফিরে পাচ্ছে, যা আমাদের লোকসংস্কৃতির জন্য এক শুভ বার্তা।