
সমাজে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি, মাদকবিরোধী কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং মানব সেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন সংস্থা জামালপুর জেলা শাখার সভাপতি ও দক্ষিণ জামালপুর প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক, বিশিষ্ট গনমাধ্যম কর্মী- কে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন সংস্থা কর্তৃক আয়োজিত ১১ জুলাই ২০২৬ (শনিবার) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিতব্য “মাদকবিরোধী বিশেষ আলোচনা সভা ২০২৬”- এ তাঁকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইন মন্ত্রণালয়ের যুগ্নসচিব লোকমান হোসেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক এ কে এম শওকত ইসলাম, হেলাল খান সভাপতি (জাসস) এবং সমাজের অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
জামালপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতন করতে বিভিন্ন সভা-সেমিনার, সামাজিক প্রচারণা ও জনসচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন। মানবতার সেবায় তাঁর এই নিরলস প্রচেষ্টা এবং সমাজকল্যাণমূলক ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবেই এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সম্মাননা প্রসঙ্গে খোরশেদ আলম বলেন, “মাদকমুক্ত সমাজ গঠন শুধু কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাজ নয়, এটি আমাদের সকলের সম্মিলিত দায়িত্ব। এই স্বীকৃতি আমাকে ভবিষ্যতে আরও বেশি উৎসাহ ও দায়বদ্ধতার সঙ্গে সমাজের কল্যাণে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে।” তিনি আরো বলেন, বর্তমানে আমাদের দেশে সামাজিক বিশৃঙ্খলা, পারিবারিক অশান্তি, ধর্ষণের মত ঘৃণতম কাজ মাদকের প্রভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ সমাজের চিহ্নিত মাদক কারবারিদের সাথে আঁতাত না করে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা। সেই সাথে মাদকাসক্তদের মাদক নিরাময় কেন্দ্রে রাখার ব্যবস্থা সহ সহযোগিতা মূলক আচরণের মাধ্যমে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনা। পারিবারিকভাবে পিতা-মাতার দায়িত্ব হচ্ছে সন্তান কোথায় যাচ্ছে কার সাথে মিশছে সেদিকে লক্ষ্য রাখা। “মাদক মুক্ত গড়বো দেশ সবার আগে বাংলাদেশ ” এই প্রত্যাশা নিয়ে উনি ওনার বক্তব্য শেষ করেন।
এছাড়াও উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা, বিভাগ, কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ, মানবাধিকার কর্মী, সুশীল সমাজ, দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজসেবক, মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক ও বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দ
ফারুক আহমেদ ভূঁইয়া, জামালপুর। 


















