
সিলেট জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে (ভূমি জরিপ ও সংশ্লিষ্ট সেবা) সাধারণ জনগণকে হয়রানি এবং প্রতারণার মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে এক যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯ (র্যাব-৯) এবং সিলেট জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই মোবাইল কোর্টে ৬ জন দালালকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
রোববার ৫ জুলাই দুপুর ২ টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সিলেট জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে এই আভিযানিক কার্যক্রম চালানো হয়।
র্যাব জানায়, সিলেট জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে ভূমি জরিপ ও সংশ্লিষ্ট সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ দালালচক্রের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে হয়রানি, প্রতারণা ও অবৈধ অর্থ আদায়ের শিকার হয়ে আসছিলেন। চক্রটির সদস্যরা সরকারি কার্যক্রমে অবৈধ হস্তক্ষেপের আশ্বাস প্রদান, দ্রুত সেবা নিশ্চিত করার নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং সাধারণ জনগণকে বিভ্রান্ত করে আসছিল।
উক্ত বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৯ এর সদর কোম্পানী ও সিলেট জেলা প্রশাসনের যৌথ আভিযানিক দল সেখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এবং সেবা প্রার্থীদের সাথে প্রতারণা ও হয়রানি করার অপরাধে হাতেনাতে ৬ জন দালালকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা সেটেলমেন্ট অফিসে আসা সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও আর্থিক প্রতারণা করার অপরাধ স্বীকার করায় বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ১৮৮ ধারায় তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হল, লায়েক মিয়া (৪৫) শাহপরাণ (রঃ) থানার মুরাদপুর গ্রামের কুটু মনার ছেলে,আব্দুল মান্নান (৫৫) বিশ্বনাথ উপজেলার কাদীপুর গ্রামের ওয়াব আলীর ছেলে, সুব্রত পাল (৩০) তাহিরপুর উপজেলার বালিয়াগাও গ্রামের ছুটন পালের ছেলে, আব্দুল হান্নান (৩০) দোয়ারাবাজার উপজেলার বৈঠাখাল গ্রামের আব্দুল করিম ভূঁইয়ার ছেলে, একই এলাকার বাসিন্দা জিয়াউর রহমান (৪৮) সুনু মিয়ার ছেলে ও সুজন দেবনাথ (৪২) দক্ষিণ সুরমা উপজেলার গোটাটিকর গ্রামের মৃত জিতেন্দ্র দেবনাথ এর ছেলে।
র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার (অতিঃ পুলিশ সুপার) কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে র্যাব-৯ এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযানের পাশাপাশি জনস্বার্থে এই ধরণের দালাল ও প্রতারকচক্র বিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
স্টাফ রিপোর্টার 

















