সিলেট ০২:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
বিয়ানীবাজার থেকে টমটম চালক নিখোঁজ, থানায় জিডি ‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত। ‎গোয়াইনঘাটে ৪ লিস্টার মেশিন ধ্বংস, ডুবিয়ে দেওয়া হলো বালুভর্তি বাল্কহেড শান্তিগঞ্জে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ ‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎ নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‎জৈন্তাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত একই পরিবারের ৩  ভাইসহ একাধিক সদস্য। ‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার
'হোয়াইটওয়াশ' করার গৌরব অর্জন....

‎সিলেটে ইতিহাস পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় টাইগারদের।‎


‎
‎সিলেটের মাটিতে নতুন এক মহাকাব্য লিখল বাংলাদেশ। রোমাঞ্চ, স্নায়ুচাপ আর পাকিস্তানের শেষ দিনের মরিয়া লড়াই পেরিয়ে ৭৮ রানের ঐতিহাসিক জয় তুলে নিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এই জয়ের ফলে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-০ ব্যবধানে নিজেদের করে নিল টাইগাররা। এর মাধ্যমে দেশের মাটিতে পাকিস্তানকে প্রথমবার টেস্ট সিরিজে ‘হোয়াইটওয়াশ’ করার গৌরব অর্জন করল বাংলাদেশ।
‎ম্যাচের শেষ ইনিংসে জয়ের জন্য পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য ছিল ৪৩৭ রানের বিশাল পাহাড়। অসম্ভব এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৫৮ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান।
‎পাকিস্তানের প্রতিরোধ ভেঙে শেষ উইকেটটি নেন বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। তাঁর একটি ফ্লাইটেড বলে বড় শট খেলতে গিয়েছিলেন খুররম শাহজাদ। কিন্তু বল ব্যাটের ঠিকঠাক সংযোগ না হয়ে জমা পড়ে ডিপ মিড-উইকেটে ফিল্ডিং করা তানজিদ হাসান তামিমের নির্ভরযোগ্য হাতে। সেই ক্যাচটি লুফে নেওয়ার সঙ্গেই শেষ হয় পাকিস্তানের সব প্রতিরোধ, আর উল্লাসে মেতে ওঠে পুরো সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম।
‎
‎পঞ্চম তথা শেষ দিনের শুরুতে বাংলাদেশের জয়টা যতটা সহজ মনে হয়েছিল, মাঠের লড়াইয়ে তা কিছুটা কঠিন করে তুলেছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সাজিদ খান।
‎আগের দিনের তাদের সংগ্রহ৭ উইকেটে ৩১৬ রান নিয়ে চতুর্থ দিন শেষ করেছিল পাকিস্তান।
‎কিন্তু পঞ্চম দিনে পাকিস্তানের মূল ভরসা হয়ে এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন উইকেটকিপার-ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান। অন্য প্রান্তে সাজিদ খানও দ্রুত কিছু রান তুলে বাংলাদেশ শিবিরে কিছুটা অস্বস্তি ও চাপ তৈরি করার চেষ্টা করেন।
‎অষ্টম উইকেটে এই দুজনের প্রতিরোধ পাকিস্তানের স্কোরকে ৩৫৮ রান পর্যন্ত নিয়ে যায়। তবে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং ও ধৈর্যের কাছে হার মানতে বাধ্য হয় সফরকারীরা।সংক্ষিপ্ত স্কোর:
‎বাংলাদেশ: প্রথম ইনিংস ও দ্বিতীয় ইনিংস
‎পাকিস্তান: প্রথম ইনিংস ও দ্বিতীয় ইনিংস ৩৫৮/১০ (লক্ষ্য ৪৩৭)
‎ফলাফল: বাংলাদেশ ৭৮ রানে জয়ী এবং ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ী।
‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিয়ানীবাজার থেকে টমটম চালক নিখোঁজ, থানায় জিডি

'হোয়াইটওয়াশ' করার গৌরব অর্জন....

‎সিলেটে ইতিহাস পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় টাইগারদের।‎

সময় ১২:২৮:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬


‎
‎সিলেটের মাটিতে নতুন এক মহাকাব্য লিখল বাংলাদেশ। রোমাঞ্চ, স্নায়ুচাপ আর পাকিস্তানের শেষ দিনের মরিয়া লড়াই পেরিয়ে ৭৮ রানের ঐতিহাসিক জয় তুলে নিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এই জয়ের ফলে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-০ ব্যবধানে নিজেদের করে নিল টাইগাররা। এর মাধ্যমে দেশের মাটিতে পাকিস্তানকে প্রথমবার টেস্ট সিরিজে ‘হোয়াইটওয়াশ’ করার গৌরব অর্জন করল বাংলাদেশ।
‎ম্যাচের শেষ ইনিংসে জয়ের জন্য পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য ছিল ৪৩৭ রানের বিশাল পাহাড়। অসম্ভব এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৫৮ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান।
‎পাকিস্তানের প্রতিরোধ ভেঙে শেষ উইকেটটি নেন বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। তাঁর একটি ফ্লাইটেড বলে বড় শট খেলতে গিয়েছিলেন খুররম শাহজাদ। কিন্তু বল ব্যাটের ঠিকঠাক সংযোগ না হয়ে জমা পড়ে ডিপ মিড-উইকেটে ফিল্ডিং করা তানজিদ হাসান তামিমের নির্ভরযোগ্য হাতে। সেই ক্যাচটি লুফে নেওয়ার সঙ্গেই শেষ হয় পাকিস্তানের সব প্রতিরোধ, আর উল্লাসে মেতে ওঠে পুরো সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম।
‎
‎পঞ্চম তথা শেষ দিনের শুরুতে বাংলাদেশের জয়টা যতটা সহজ মনে হয়েছিল, মাঠের লড়াইয়ে তা কিছুটা কঠিন করে তুলেছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সাজিদ খান।
‎আগের দিনের তাদের সংগ্রহ৭ উইকেটে ৩১৬ রান নিয়ে চতুর্থ দিন শেষ করেছিল পাকিস্তান।
‎কিন্তু পঞ্চম দিনে পাকিস্তানের মূল ভরসা হয়ে এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন উইকেটকিপার-ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান। অন্য প্রান্তে সাজিদ খানও দ্রুত কিছু রান তুলে বাংলাদেশ শিবিরে কিছুটা অস্বস্তি ও চাপ তৈরি করার চেষ্টা করেন।
‎অষ্টম উইকেটে এই দুজনের প্রতিরোধ পাকিস্তানের স্কোরকে ৩৫৮ রান পর্যন্ত নিয়ে যায়। তবে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং ও ধৈর্যের কাছে হার মানতে বাধ্য হয় সফরকারীরা।সংক্ষিপ্ত স্কোর:
‎বাংলাদেশ: প্রথম ইনিংস ও দ্বিতীয় ইনিংস
‎পাকিস্তান: প্রথম ইনিংস ও দ্বিতীয় ইনিংস ৩৫৮/১০ (লক্ষ্য ৪৩৭)
‎ফলাফল: বাংলাদেশ ৭৮ রানে জয়ী এবং ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ী।
‎