সিলেট ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
‎বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বানিয়াচংয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালী। ইয়াবা সেবনের দায়ে বাহুবলে এক ব্যক্তির ৬ মাসের কারাদণ্ড ‎স্পেনে বাইসাইকেল গ্যারেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশীর তরুণে মৃত্যু বানিয়াচং জনাব আলী সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক অনুপ রায় এর অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা ‎মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু: বানিয়াচংয়ের বিদায়ী ইউএনও কে সংবর্ধনা প্রদান। ‎গোয়াইনঘাটে নজরুল বিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হবিগঞ্জে সংরক্ষিত বন থেকে বাঁশ পাচার, মিনি ট্রাক জব্দ ‎প্রশাসন ক্যাডারের ২৭ উপসচিবকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পদায়ন ‎বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ইন স্পেনের আংশিক কমিটি ঘোষণা, সভাপতি বকুল খান সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান ‎বানিয়াচংয়ে ফুটবল খেলা নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ।। আহত শতাধিক: পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের টিয়ারশেল
বোরো ধান কাটার ধুম…..‎

ভরা মৌসুমেও কৃষকের মুখে হাসি নেই: খরচ উঠছে না, বর্গা চাষীরা বিপাকে




‎সারাদেশে এখন বোরো ধান কাটার ধুম লেগেছে। চারদিকে সোনালী ধানের সমারোহ থাকলেও কৃষকের মনে কোনো আনন্দ নেই। উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারে ধানের দাম কম হওয়ায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চরম লোকসানের মুখে পড়েছেন চাষীরা।

‎চলতি মৌসুমে সার, তেল, বীজ, বপন ও রোপণসহ প্রতিটি ধাপে চাষীদের খরচ বেড়েছে কয়েক গুণ। অথচ খোলা বাজারে প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায়। বিপরীতে ধান কাটার জন্য প্রতি শ্রমিকের দৈনিক মজুরি (হাজিরা) দিতে হচ্ছে প্রায় ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা। ফলে ধান বিক্রি করে উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ কৃষকরা।

‎চলতি বৈশাখ মাসের শুরু থেকেই প্রতিদিন ঝড়-বৃষ্টি লেগেই রয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে অনেক জায়গায় পাকা ধান জমিতেই হেলে পড়েছে, কোথাও আবার ধান তলিয়ে গেছে পানির নিচে। বৃষ্টির কারণে কৃষকরা ধান কাটতে ও শুকাতে পারছেন না। ভেজা ধান নিয়ে মাড়াইয়ের কাজে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা।


‎বাজারের এই মন্দা পরিস্থিতি এবং ক্রমাগত লোকসানের কারণে বর্গা চাষীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। আগামীতে বর্গা চাষ করার আগ্রহ হারাচ্ছেন অনেকেই। একজন হতাশ কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,আল্লাহ জানেন আগামী মৌসুমে নিজের জমিটুকু কার নিকট বর্গা দেব! খরচের চড়া দামের কারণে কেউ আর বর্গা জমি নিতে চাচ্ছে না।

‎তবে এই সংকটকালীন পরিস্থিতিতে সরকারিভাবে একটি ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, কৃষকদের লোকসান থেকে বাঁচাতে সরকার সরাসরি তাদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করবে। সাধারণ চাষীদের দাবি, সরকারি এই ধান ক্রয় প্রক্রিয়া যেন দ্রুত এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাবমুক্ত উপায়ে সরাসরি প্রকৃত কৃষকদের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়, যাতে তারা ধানের সঠিক মূল্য পান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

‎বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বানিয়াচংয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালী।

বোরো ধান কাটার ধুম…..‎

ভরা মৌসুমেও কৃষকের মুখে হাসি নেই: খরচ উঠছে না, বর্গা চাষীরা বিপাকে

সময় ১০:০৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬




‎সারাদেশে এখন বোরো ধান কাটার ধুম লেগেছে। চারদিকে সোনালী ধানের সমারোহ থাকলেও কৃষকের মনে কোনো আনন্দ নেই। উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারে ধানের দাম কম হওয়ায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চরম লোকসানের মুখে পড়েছেন চাষীরা।

‎চলতি মৌসুমে সার, তেল, বীজ, বপন ও রোপণসহ প্রতিটি ধাপে চাষীদের খরচ বেড়েছে কয়েক গুণ। অথচ খোলা বাজারে প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায়। বিপরীতে ধান কাটার জন্য প্রতি শ্রমিকের দৈনিক মজুরি (হাজিরা) দিতে হচ্ছে প্রায় ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা। ফলে ধান বিক্রি করে উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ কৃষকরা।

‎চলতি বৈশাখ মাসের শুরু থেকেই প্রতিদিন ঝড়-বৃষ্টি লেগেই রয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে অনেক জায়গায় পাকা ধান জমিতেই হেলে পড়েছে, কোথাও আবার ধান তলিয়ে গেছে পানির নিচে। বৃষ্টির কারণে কৃষকরা ধান কাটতে ও শুকাতে পারছেন না। ভেজা ধান নিয়ে মাড়াইয়ের কাজে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা।


‎বাজারের এই মন্দা পরিস্থিতি এবং ক্রমাগত লোকসানের কারণে বর্গা চাষীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। আগামীতে বর্গা চাষ করার আগ্রহ হারাচ্ছেন অনেকেই। একজন হতাশ কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,আল্লাহ জানেন আগামী মৌসুমে নিজের জমিটুকু কার নিকট বর্গা দেব! খরচের চড়া দামের কারণে কেউ আর বর্গা জমি নিতে চাচ্ছে না।

‎তবে এই সংকটকালীন পরিস্থিতিতে সরকারিভাবে একটি ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, কৃষকদের লোকসান থেকে বাঁচাতে সরকার সরাসরি তাদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করবে। সাধারণ চাষীদের দাবি, সরকারি এই ধান ক্রয় প্রক্রিয়া যেন দ্রুত এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাবমুক্ত উপায়ে সরাসরি প্রকৃত কৃষকদের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়, যাতে তারা ধানের সঠিক মূল্য পান।