সিলেট ১০:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
গোলাপগঞ্জে ২১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২, নগদ টাকা উদ্ধার ‎জৈন্তাপুর সীমান্তে ওয়াচ টাওয়ারে বিজিবি সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ‎জামালপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মাধ্যমে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত লাখাইয়ে নতুন ইউএনও তারেক হাসান, এর যোগদান ‎বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বানিয়াচংয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালী। ইয়াবা সেবনের দায়ে বাহুবলে এক ব্যক্তির ৬ মাসের কারাদণ্ড ‎স্পেনে বাইসাইকেল গ্যারেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশীর তরুণে মৃত্যু বানিয়াচং জনাব আলী সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক অনুপ রায় এর অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা ‎মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু: বানিয়াচংয়ের বিদায়ী ইউএনও কে সংবর্ধনা প্রদান। ‎গোয়াইনঘাটে নজরুল বিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মাধবপুরে ১৮ মামলার আসামি কুদ্দুস মিয়া ২০০ বোতল এস্কুফ সিরাপসহ গ্রেপ্তার




‎হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ২০০ বোতল ভারতীয় আমদানিনিষিদ্ধ নেশাজাতীয় এস্কুফ (কোডিন) সিরাপসহ এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

‎শনিবার (৪ জুলাই) বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে মাধবপুর থানাধীন ৬নং শাহজাহানপুর ইউনিয়নের উত্তর সুরমা গোয়াসনগর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় এবং মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-এর নেতৃত্বে তেলিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির  ইনচার্জ এস, এম মাহমুদ হাসান রিপন,এসআই মো. জামাল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় গোয়াসনগর গ্রামের রজব আলীর ছেলে ও এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মো. কুদ্দুস মিয়ার বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে সিমেন্টের বস্তার ভেতর বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা ১০০ মিলিলিটার পরিমাপের মোট ২০০ বোতল (প্রায় ২০ লিটার) ভারতীয় এস্কুফ (কোডিন) সিরাপ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই কুদ্দুস মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‎পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত কুদ্দুস মিয়ার বিরুদ্ধে মাধবপুর থানাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় ১৮টিরও বেশি মামলা রয়েছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

‎এ বিষয়ে মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের অবস্থান জিরো টলারেন্স। হবিগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মাধবপুর থানা এলাকায় নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। কোনো মাদক কারবারিকেই ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক নির্মূলে পুলিশের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদারভাবে চলমান থাকবে। এ বিষয়ে সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতাও একান্তভাবে প্রয়োজন।

‎তিনি আরও বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

গোলাপগঞ্জে ২১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২, নগদ টাকা উদ্ধার

মাধবপুরে ১৮ মামলার আসামি কুদ্দুস মিয়া ২০০ বোতল এস্কুফ সিরাপসহ গ্রেপ্তার

সময় ১০:০৬:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬




‎হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ২০০ বোতল ভারতীয় আমদানিনিষিদ্ধ নেশাজাতীয় এস্কুফ (কোডিন) সিরাপসহ এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

‎শনিবার (৪ জুলাই) বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে মাধবপুর থানাধীন ৬নং শাহজাহানপুর ইউনিয়নের উত্তর সুরমা গোয়াসনগর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় এবং মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-এর নেতৃত্বে তেলিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির  ইনচার্জ এস, এম মাহমুদ হাসান রিপন,এসআই মো. জামাল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় গোয়াসনগর গ্রামের রজব আলীর ছেলে ও এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মো. কুদ্দুস মিয়ার বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে সিমেন্টের বস্তার ভেতর বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা ১০০ মিলিলিটার পরিমাপের মোট ২০০ বোতল (প্রায় ২০ লিটার) ভারতীয় এস্কুফ (কোডিন) সিরাপ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই কুদ্দুস মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‎পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত কুদ্দুস মিয়ার বিরুদ্ধে মাধবপুর থানাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় ১৮টিরও বেশি মামলা রয়েছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

‎এ বিষয়ে মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের অবস্থান জিরো টলারেন্স। হবিগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মাধবপুর থানা এলাকায় নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। কোনো মাদক কারবারিকেই ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক নির্মূলে পুলিশের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদারভাবে চলমান থাকবে। এ বিষয়ে সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতাও একান্তভাবে প্রয়োজন।

‎তিনি আরও বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।