সিলেট ১২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
ইয়াবা সেবনের দায়ে বাহুবলে এক ব্যক্তির ৬ মাসের কারাদণ্ড ‎স্পেনে বাইসাইকেল গ্যারেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশীর তরুণে মৃত্যু বানিয়াচং জনাব আলী সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক অনুপ রায় এর অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা ‎মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু: বানিয়াচংয়ের বিদায়ী ইউএনও কে সংবর্ধনা প্রদান। ‎গোয়াইনঘাটে নজরুল বিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হবিগঞ্জে সংরক্ষিত বন থেকে বাঁশ পাচার, মিনি ট্রাক জব্দ ‎প্রশাসন ক্যাডারের ২৭ উপসচিবকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পদায়ন ‎বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ইন স্পেনের আংশিক কমিটি ঘোষণা, সভাপতি বকুল খান সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান ‎বানিয়াচংয়ে ফুটবল খেলা নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ।। আহত শতাধিক: পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের টিয়ারশেল ‎হবিগঞ্জ সীমান্তে চোরাকারবারিদের গুলিতে বাংলাদেশি এক যুবক নিহত: বিজিবি‎

‎ইজারার শর্ত ভঙ্গের অভিযোগে উত্তাল জাফলং, ড্রেজারে বালু উত্তোলনে হুমকিতে বসতভিটা ও ফসলি জমি



‎সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের নবসৃষ্ট হাজীপুর বালুমহালে ইজারার শর্ত উপেক্ষা করে অবৈধভাবে ড্রেজার ও পেলোডার মেশিনে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। এতে নদী তীরবর্তী ফসলি জমি, বসতঘর ও খেলার মাঠ ভাঙনের মুখে পড়েছে। একই সঙ্গে বিকট শব্দে পরিবেশ দূষণ ও জনদুর্ভোগ বাড়ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

‎সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রাজস্ব শাখা থেকে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চলতি বছর হাজীপুর বালুমহালের ইজারা পান হাফিজ আব্দুল্লাহ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান মেসার্স ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজ। ৮৪ দশমিক ৭৮ একর আয়তনের এ বালুমহালের সরকারি মূল্য প্রায় ২৬ কোটি টাকা। বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ (সংশোধিত-২০২৩) এবং বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী উন্মুক্ত পদ্ধতিতে ইজারা দেওয়া হয়।

‎ইজারার শর্ত অনুযায়ী পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের লাটি, লাবু, কালিজুরি ও দক্ষিণ প্রতাপপুর মৌজা থেকে সনাতন পদ্ধতিতে বালু উত্তোলনের কথা থাকলেও বাস্তবে বিভিন্ন স্থানে ড্রেজার ও পেলোডার মেশিন ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আইন অনুযায়ী পাম্প বা ড্রেজার দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ বালু উত্তোলন, সেতু-কালভার্ট, রাস্তা, নদীর বাঁধ বা আবাসিক এলাকার ক্ষতি করে বালু উত্তোলন এবং রাত্রিকালীন উত্তোলন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

‎তবে সরেজমিনে দেখা গেছে ও স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্ধারিত ইজারাভুক্ত এলাকার বাইরেও পশ্চিম জাফলং, গোয়াইনঘাট সদর ও মধ্য জাফলং ইউনিয়নের উত্তর প্রতাপপুর, লুনি, আমবাড়ি ও দক্ষিণ প্রতাপপুর এলাকায় দিন-রাত কয়েক হাজার ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন চলছে। প্রতিদিন কয়েক লাখ ঘনফুট বালু উত্তোলন করে বাল্কহেড ও কার্গোযোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে, যার বাজারমূল্য দুই থেকে তিন কোটি টাকারও বেশি।

‎প্রতাপপুর ও পাঁচহাতিখেল এলাকার পিয়াইন নদীর অংশ আনন্দ খাল এলাকায় কয়েক মাস ধরে পেলোডার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে অসংখ্য গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এ কাজে ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি চক্র জড়িত রয়েছে। এতে জাফলং চা বাগানের মালিকানাধীন তিনটি খেলার মাঠ, বহু ফসলি জমি ও বসতঘর হুমকির মুখে পড়েছে।

‎স্থানীয়রা জানান, লুনি গ্রামের অমৃকা লাল ও কুলন্দ নাথের বাড়িসহ দক্ষিণ প্রতাপপুরের আব্দুল জলিল, আবুল হোসেন ও কমল নাথের বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে। পশ্চিম জাফলংয়ের হাজীপুর এলাকায়ও ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের কারণে ফসলি জমি ও বাড়িঘর নদীতে চলে যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে হেলেনা বেগম ও তরিক উল্লাহর নাম উল্লেখ করেছেন এলাকাবাসী।

‎অভিযোগ রয়েছে, অতীতেও জাফলংয়ে অবৈধ বালু ও পাথর উত্তোলনে জড়িত একটি চক্র বর্তমানে প্রতাপপুর এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। এদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও অভিযোগ দায়ের হলেও বালু উত্তোলন বন্ধ হয়নি। গত ১৩ জানুয়ারি দক্ষিণ প্রতাপপুরের বাসিন্দা মাহবুব হোসেন বুলবুল ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়ায় মারধরের অভিযোগে আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এছাড়া স্থানীয়দের দাবি, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে গত এক বছরে একাধিক অভিযোগ ও আবেদন করা হলেও কার্যকর প্রতিকার মেলেনি।

‎গত ২৭ ডিসেম্বর দক্ষিণ প্রতাপপুরের এমদাদুর রহমান এলাকাবাসীর পক্ষে জেলা প্রশাসকের কাছে বালু উত্তোলন, চাঁদাবাজি, নদীভাঙন ও বসতভিটা বিলীনের অভিযোগে আবেদন করেন। এর আগে একই বছরের ৭ সেপ্টেম্বর একটি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সিনিয়র সহকারী কমিশনার (ভূমি) ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

‎এছাড়া ২৬ আগস্ট মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক ফুটবল মাঠ ও সংলগ্ন এলাকা থেকে বালু উত্তোলন বন্ধে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব উদ্যোগের পরও অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ হয়নি।

‎এ বিষয়ে লুনি গ্রামের খায়রুল আমিন বলেন, বালু উত্তোলনের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। হাজীপুর বালুমহাল ইজারায় যারা নিয়েছেন, তারাই কীভাবে বালু উত্তোলন করছেন তা বলতে পারবেন। মেসার্স ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী হাফিজ আব্দুল্লাহ বলেন, আমি লাটি, লাবু, কালিজুরি ও দক্ষিণ প্রতাপপুর মৌজায় সনাতন পদ্ধতিতে বালু উত্তোলন করছি। ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের বিষয়টি আমার জানা নেই।

‎তবে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রতন কুমার অধিকারী বলেন, বালু উত্তোলনের সঙ্গে খায়রুলসহ কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। সম্প্রতি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি মামলাও করা হয়েছে। অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

‎এদিকে ড্রেজার ও পেলোডার মেশিনের বিকট শব্দে পরিবেশ দূষণ বাড়ছে এবং নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা রাতের ঘুম হারাম হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। তারা অবিলম্বে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইয়াবা সেবনের দায়ে বাহুবলে এক ব্যক্তির ৬ মাসের কারাদণ্ড

‎ইজারার শর্ত ভঙ্গের অভিযোগে উত্তাল জাফলং, ড্রেজারে বালু উত্তোলনে হুমকিতে বসতভিটা ও ফসলি জমি

সময় ০৬:৩৪:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬



‎সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের নবসৃষ্ট হাজীপুর বালুমহালে ইজারার শর্ত উপেক্ষা করে অবৈধভাবে ড্রেজার ও পেলোডার মেশিনে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। এতে নদী তীরবর্তী ফসলি জমি, বসতঘর ও খেলার মাঠ ভাঙনের মুখে পড়েছে। একই সঙ্গে বিকট শব্দে পরিবেশ দূষণ ও জনদুর্ভোগ বাড়ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

‎সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রাজস্ব শাখা থেকে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চলতি বছর হাজীপুর বালুমহালের ইজারা পান হাফিজ আব্দুল্লাহ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান মেসার্স ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজ। ৮৪ দশমিক ৭৮ একর আয়তনের এ বালুমহালের সরকারি মূল্য প্রায় ২৬ কোটি টাকা। বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ (সংশোধিত-২০২৩) এবং বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী উন্মুক্ত পদ্ধতিতে ইজারা দেওয়া হয়।

‎ইজারার শর্ত অনুযায়ী পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের লাটি, লাবু, কালিজুরি ও দক্ষিণ প্রতাপপুর মৌজা থেকে সনাতন পদ্ধতিতে বালু উত্তোলনের কথা থাকলেও বাস্তবে বিভিন্ন স্থানে ড্রেজার ও পেলোডার মেশিন ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আইন অনুযায়ী পাম্প বা ড্রেজার দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ বালু উত্তোলন, সেতু-কালভার্ট, রাস্তা, নদীর বাঁধ বা আবাসিক এলাকার ক্ষতি করে বালু উত্তোলন এবং রাত্রিকালীন উত্তোলন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

‎তবে সরেজমিনে দেখা গেছে ও স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্ধারিত ইজারাভুক্ত এলাকার বাইরেও পশ্চিম জাফলং, গোয়াইনঘাট সদর ও মধ্য জাফলং ইউনিয়নের উত্তর প্রতাপপুর, লুনি, আমবাড়ি ও দক্ষিণ প্রতাপপুর এলাকায় দিন-রাত কয়েক হাজার ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন চলছে। প্রতিদিন কয়েক লাখ ঘনফুট বালু উত্তোলন করে বাল্কহেড ও কার্গোযোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে, যার বাজারমূল্য দুই থেকে তিন কোটি টাকারও বেশি।

‎প্রতাপপুর ও পাঁচহাতিখেল এলাকার পিয়াইন নদীর অংশ আনন্দ খাল এলাকায় কয়েক মাস ধরে পেলোডার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে অসংখ্য গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এ কাজে ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি চক্র জড়িত রয়েছে। এতে জাফলং চা বাগানের মালিকানাধীন তিনটি খেলার মাঠ, বহু ফসলি জমি ও বসতঘর হুমকির মুখে পড়েছে।

‎স্থানীয়রা জানান, লুনি গ্রামের অমৃকা লাল ও কুলন্দ নাথের বাড়িসহ দক্ষিণ প্রতাপপুরের আব্দুল জলিল, আবুল হোসেন ও কমল নাথের বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে। পশ্চিম জাফলংয়ের হাজীপুর এলাকায়ও ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের কারণে ফসলি জমি ও বাড়িঘর নদীতে চলে যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে হেলেনা বেগম ও তরিক উল্লাহর নাম উল্লেখ করেছেন এলাকাবাসী।

‎অভিযোগ রয়েছে, অতীতেও জাফলংয়ে অবৈধ বালু ও পাথর উত্তোলনে জড়িত একটি চক্র বর্তমানে প্রতাপপুর এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। এদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও অভিযোগ দায়ের হলেও বালু উত্তোলন বন্ধ হয়নি। গত ১৩ জানুয়ারি দক্ষিণ প্রতাপপুরের বাসিন্দা মাহবুব হোসেন বুলবুল ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়ায় মারধরের অভিযোগে আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এছাড়া স্থানীয়দের দাবি, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে গত এক বছরে একাধিক অভিযোগ ও আবেদন করা হলেও কার্যকর প্রতিকার মেলেনি।

‎গত ২৭ ডিসেম্বর দক্ষিণ প্রতাপপুরের এমদাদুর রহমান এলাকাবাসীর পক্ষে জেলা প্রশাসকের কাছে বালু উত্তোলন, চাঁদাবাজি, নদীভাঙন ও বসতভিটা বিলীনের অভিযোগে আবেদন করেন। এর আগে একই বছরের ৭ সেপ্টেম্বর একটি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সিনিয়র সহকারী কমিশনার (ভূমি) ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

‎এছাড়া ২৬ আগস্ট মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক ফুটবল মাঠ ও সংলগ্ন এলাকা থেকে বালু উত্তোলন বন্ধে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব উদ্যোগের পরও অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ হয়নি।

‎এ বিষয়ে লুনি গ্রামের খায়রুল আমিন বলেন, বালু উত্তোলনের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। হাজীপুর বালুমহাল ইজারায় যারা নিয়েছেন, তারাই কীভাবে বালু উত্তোলন করছেন তা বলতে পারবেন। মেসার্স ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী হাফিজ আব্দুল্লাহ বলেন, আমি লাটি, লাবু, কালিজুরি ও দক্ষিণ প্রতাপপুর মৌজায় সনাতন পদ্ধতিতে বালু উত্তোলন করছি। ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের বিষয়টি আমার জানা নেই।

‎তবে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রতন কুমার অধিকারী বলেন, বালু উত্তোলনের সঙ্গে খায়রুলসহ কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। সম্প্রতি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি মামলাও করা হয়েছে। অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

‎এদিকে ড্রেজার ও পেলোডার মেশিনের বিকট শব্দে পরিবেশ দূষণ বাড়ছে এবং নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা রাতের ঘুম হারাম হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। তারা অবিলম্বে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।