
সিলেটে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এপিএস এবং সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার ভুয়া পরিচয় দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎকারী চক্রের মূলহোতাসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৯।
বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) রাতে সিলেট নগরীর কোতয়ালী থানাধীন কাজীটুলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয় গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া থানার বাগৃহাল গ্রামের মোঃ আনহার হোসেনের ছেলে মোঃ কামরুল হাসান হিমেল (৩২) তিনি এই প্রতারক চক্রের মূলহোতা। সিলেট জেলার জৈন্তাপুর থানার ঘাটের চটি গ্রামের মোঃ আব্দুল বারেকের ছেলে শরীফ আহমদ (৪২) তিনি হিমেলের প্রধান সহযোগী হিসেবে কাজ করতে।
র্যাব জানায়, কামরুল হাসান হিমেল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও হোয়্যাটস্অ্যাপে প্রধানমন্ত্রীর এপিএস এবং বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার ছবি ব্যবহার করে ভুয়া আইডি খুলতেন, তিনি সাধারণ মানুষকে চাকরি, বদলি, পদোন্নতি ও বিভিন্ন অনৈতিক সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিতেন বলে অভিযোগ আছে।
গ্রেফতার এড়াতে হিমেল সরাসরি ফোনে কথা না বলে অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে নিবন্ধিত সিমের মাধ্যমে হোয়্যাটস্অ্যাপে যোগাযোগ করতেন, এছাড়া অবৈধ লেনদেনের জন্য নিজের একাউন্ট ব্যবহার না করে সহযোগী শরীফের ব্যাংক একাউন্ট, বিকাশ ও নগদ ব্যবহার করতেন, যার বিনিময়ে শরীফকে নির্দিষ্ট হারে কমিশন দেওয়া হতো।
অভিযানকালে গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে প্রতারণায় ব্যবহৃত নিম্নোক্ত সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয় একটি iPhone 16 Pro Max-সহ ৪টি স্মার্টফোন ও ২টি বাটন ফোন বিভিন্ন ব্যাংকের ৭টি চেক বই জব্দ করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে হিমেল স্বীকার করেছেন যে, তিনি বিগত আওয়ামী লীগ সরকার এবং বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়েও প্রধানমন্ত্রীর এপিএস, পিও এবং প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের পিআরও পরিচয় দিয়ে একইভাবে প্রতারণা করে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে ঢাকা জেলার সাভার থানায় ০২টি মামলা রয়েছে।
র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিঃ পুলিশ সুপার কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে সিলেট এসএমপি-র কোতয়ালী থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে
স্টাফ রিপোর্টার 



















