সিলেট ০২:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
News Title :
মুরগি ছিনতাই করে ফেঁসে গেলেন ছাত্রদল নেতা শাকিল, দল থেকে বহিষ্কার ‎টাঙ্গাইলের সকল ফিলিং স্টেশন গুলোতে সারাদেশের ন্যায় জ্বালানি তেল বিক্রিতে রেশনিং প্রত্যাহার‎ ‎প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইল আগমন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ‎লাখাইয়ে হাতকড়াসহ পালানো আসামি ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পুনরায় গ্রেপ্তার শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল ‎বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন আফরোজ মিয়া: বাঁচাতে প্রয়োজন মানবিক সহায়তা ‎টাঙ্গাইলে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস ২০২৬ উদযাপন ‎সিলেটে র‍্যাবের অভিযান: মাদক মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ‎শায়েস্তাগঞ্জে মোবাইল কোর্ট অভিযানে ৫ রেস্তোরাঁকে ১ লাখ টাকা জরিমানা ‎বিশ্বনাথে ভিজিএফ’র চাল পেলো দেড় হাজার পরিবার

‎বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন আফরোজ মিয়া: বাঁচাতে প্রয়োজন মানবিক সহায়তা





‎উপজেলার যাত্রাপাশা মহল্লার দক্ষিণ হাটির বাসিন্দা আফরোজ মিয়া বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে রাজধানী ঢাকার একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
‎পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘটনায় গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে দ্রুত ঢাকায় নিয়ে গিয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে।

‎তবে চিকিৎসকদের মতে, আফরোজ মিয়াকে সুস্থ করে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন। এজন্য প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকার মতো ব্যয় হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কিন্তু দিনমজুর ও স্বল্প আয়ের এই পরিবারের পক্ষে এত বিপুল অর্থ জোগাড় করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
‎আফরোজ মিয়ার পরিবারে রয়েছে চারটি ছোট মেয়ে ও একটি অবুঝ ছেলে। তাদের ভবিষ্যৎ যেন এখন অনিশ্চয়তার অন্ধকারে ঢাকা পড়েছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষটি হাসপাতালে জীবন বাঁচানোর লড়াই করছেন, আর ঘরে অপেক্ষা করছে তার ছোট ছোট সন্তানরা—বাবা সুস্থ হয়ে আবার ফিরে আসবেন, এই আশায়।

‎এই মর্মান্তিক পরিস্থিতিতে অসহায় পরিবারটি সমাজের হৃদয়বান মানুষ, দেশ ও প্রবাসে অবস্থানরত মানবিক ভাই-বোনদের কাছে সহানুভূতি ও আর্থিক সহযোগিতার আকুল আবেদন জানিয়েছেন। সবার সামান্য সহযোগিতাই হতে পারে একজন মানুষের জীবন রক্ষার বড় অবলম্বন এবং একটি অসহায় পরিবারের আশার আলো।
‎যারা মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে চান, তারা আপরোজ মিয়ার ছোট ভাইয়ের বিকাশ নম্বরে সহযোগিতা পাঠাতে পারেন:
‎বিকাশ: ০১৭৭৪৭৫৯১৭০
‎মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে একজন অসহায় মানুষকে নতুন জীবন দিতে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মুরগি ছিনতাই করে ফেঁসে গেলেন ছাত্রদল নেতা শাকিল, দল থেকে বহিষ্কার

‎বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন আফরোজ মিয়া: বাঁচাতে প্রয়োজন মানবিক সহায়তা

সময় ০৮:১১:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬





‎উপজেলার যাত্রাপাশা মহল্লার দক্ষিণ হাটির বাসিন্দা আফরোজ মিয়া বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে রাজধানী ঢাকার একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
‎পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘটনায় গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে দ্রুত ঢাকায় নিয়ে গিয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে।

‎তবে চিকিৎসকদের মতে, আফরোজ মিয়াকে সুস্থ করে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন। এজন্য প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকার মতো ব্যয় হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কিন্তু দিনমজুর ও স্বল্প আয়ের এই পরিবারের পক্ষে এত বিপুল অর্থ জোগাড় করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
‎আফরোজ মিয়ার পরিবারে রয়েছে চারটি ছোট মেয়ে ও একটি অবুঝ ছেলে। তাদের ভবিষ্যৎ যেন এখন অনিশ্চয়তার অন্ধকারে ঢাকা পড়েছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষটি হাসপাতালে জীবন বাঁচানোর লড়াই করছেন, আর ঘরে অপেক্ষা করছে তার ছোট ছোট সন্তানরা—বাবা সুস্থ হয়ে আবার ফিরে আসবেন, এই আশায়।

‎এই মর্মান্তিক পরিস্থিতিতে অসহায় পরিবারটি সমাজের হৃদয়বান মানুষ, দেশ ও প্রবাসে অবস্থানরত মানবিক ভাই-বোনদের কাছে সহানুভূতি ও আর্থিক সহযোগিতার আকুল আবেদন জানিয়েছেন। সবার সামান্য সহযোগিতাই হতে পারে একজন মানুষের জীবন রক্ষার বড় অবলম্বন এবং একটি অসহায় পরিবারের আশার আলো।
‎যারা মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে চান, তারা আপরোজ মিয়ার ছোট ভাইয়ের বিকাশ নম্বরে সহযোগিতা পাঠাতে পারেন:
‎বিকাশ: ০১৭৭৪৭৫৯১৭০
‎মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে একজন অসহায় মানুষকে নতুন জীবন দিতে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন এলাকাবাসী।