
ময়মনসিংহের ফুলপুরে শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি ‘ধর্ষক’ দুলাভাই মো. সাঈদ হাসান সেতুকে (২৬) গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৪ সিপিসি-৩।
গত রোববার ১৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলার বিবরণ ও র্যাব সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত সাঈদ হাসান সেতু ভিকটিমের দূর সম্পর্কের (চাচাতো) দুলাভাই। সেই সুবাদে সে ভিকটিমের বাড়িতে যাতায়াত করতো এবং বিভিন্ন সময় তাকে কুপ্রস্তাব দিতো। ভিকটিম তার অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে।
গত ২৫ মার্চ ২০২৫ তারিখ রাত আনুমানিক সাড়ে ১১ টায় সাঈদ হাসান ভিকটিমের শয়নকক্ষে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের ফলে ভিকটিম ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।
এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১৩, তারিখ-২৪ জানুয়ারি ২০২৬)। মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/০৩) এর ৯(১) ধারায় নথিভুক্ত করা হয়।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে আসামি পলাতক ছিল। র্যাব-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্প এই ঘটনার ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাত ৮ টায় টাঙ্গাইলের সখিপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাঈদ হাসান সেতুকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ফুলপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অপরাধীদের দমনে র্যাবের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি। 


















