সিলেট ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার এক বন্দির মৃত্যু ‎লাখাইয়ে পুলিশের উদ্যোগে মাদক ও অপরাধবিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি মানিক,সম্পাদক সুধা রঞ্জন
‎জেলার শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসার হয়েছেন শিপু... ‎

শেরপুরে পুলিশ জনতার আস্থা ফিরিয়ে আনেন-এস আই শিপু

শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসাররে পুরস্কার তুলে দেন, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ মুশফেকুর রহমান। 


‎

‎
‎মৌলভীবাজার মডেল থানার নিয়ন্ত্রণাধীন শেরপুর পুলিশ ফাঁড়িতে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এক নতুন চেহারা পেয়েছে গোটা এলাকা। আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন, অপরাধ দমন, বিশেষ করে মাদকবিরোধী অভিযানে ধারাবাহিক সাফল্য—যা শেরপুরবাসীর আস্থার জায়গা তৈরি করেছে নতুনভাবে। এই পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই শিপু কুমার দাস।
‎
‎সাধারণ একজন পুলিশ অফিসার নন, বরং মাঠে-ময়দানে অবস্থান করে অপরাধ দমনে কঠোর, আর জনগণের কাছে তিনি মানবিক ও সহজ-সুলভ। তার কর্মক্ষমতা, নেতৃত্ব ও দায়িত্ববোধের কারণে সম্প্রতি তিনি ‘শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসার’ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
‎
‎শেরপুর ফাঁড়িতে ইনচার্জ হিসেবে যোগদানের পর এসআই শিপু কুমার দাস প্রথমেই লক্ষ্য করেন—মাদক কারবারি ও কিছু অপরাধী চক্র এলাকাটিকে অস্থিতিশীল করে রাখছে। তিনি দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ান, মাঠ পর্যায়ের টহল জোরদার করেন এবং অপরাধীদের রুট, যোগাযোগ ও লেনদেনের ধরন নিয়ে বিশ্লেষণ শুরু করেন।
‎
‎তার নেতৃত্বে একের পর এক সফল অভিযান পরিচালিত হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই উদ্ধার হয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদকদ্রব্য। গ্রেফতার হয় একাধিক মাদক কারবারি। এসব অভিযানে স্থানীয় মানুষের আস্থাও বাড়তে থাকে পুলিশের প্রতি।
‎
‎মাদক দমনকে তিনি দেখেন শুধু দায়িত্ব হিসেবে নয়, বরং সামাজিক প্রতিশ্রুতি হিসেবে। তার ভাষায়—একটা পরিবার ধ্বংস হয় মাদকের কারণে। একজন যুবক নেশায় হারিয়ে গেলে সমাজই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর থাকা ছাড়া বিকল্প নেই।
‎
‎তার টিম প্রতিদিন মাদকের হটস্পটগুলো চিহ্নিত করে অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করে। রাত-বিরাতে অভিযান পরিচালনা করা তাদের রুটিনের অংশ। এজন্য সহকর্মীদের মধ্যে তিনি পরিচিত কঠোর কিন্তু অনুপ্রেরণাদায়ী নেতা হিসেবে
‎
‎এসআই শিপুর বিশেষ ভূমিকা রয়েছে জনগণের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলায়। তিনি এলাকায় সাধারণ মানুষের সমস্যা নিজে শোনেন, পরামর্শ দেন এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করেন।
‎ফলে স্থানীয় জনগণ এখন পুলিশের সাথে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তথ্য শেয়ার করছে। অপরাধীদের গতিবিধি ধরতে এ তথ্যগুলো তাকে বিশেষভাবে সহায়তা করছে।
‎
‎শেরপুরের এক বাসিন্দা বলেন,আগে পুলিশকে ভয় লাগত, এখন দেখি তারা আমাদের পাশে দাঁড়ায়। এসআই শিপু যেন এলাকার বড় ভাই।
‎এই আস্থা তার টিমকে আরও শক্তিশালী করেছে।
‎
‎ফাঁড়ির সদস্যদের প্রতি তার আচরণও প্রশংসনীয়। তিনি টিমকে শৃঙ্খলিত রাখেন, কিন্তু উৎসাহ দেন, পরামর্শ দেন, প্রয়োজন হলে পাশে দাঁড়ান।
‎তার এক সহকর্মী বললেন,অপারেশনের সময় তিনি সামনে থাকেন, পেছনে নন। এজন্য সবাই তার নির্দেশ মানে। তার সাথে কাজ করতে ভয় নয়, আত্মবিশ্বাসই বেশি কাজ করে।
‎
‎ভিকটিমদের প্রতি মানবিক আচরণ, নারী, শিশু ও বয়স্কদের সমস্যা শুনতে বিশেষ মনোযোগ—এসব তাকে একজন দায়িত্বশীল অফিসার হিসেবে আলাদা জায়গায় দাঁড় করিয়েছে।
‎
‎তার ধারাবাহিক সাফল্য এবং দৃষ্টান্তমূলক কর্মক্ষমতার কারণে সম্প্রতি তিনি ‘শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসার’ নির্বাচিত হয়েছেন।
‎এই সাফল্য সম্পর্কে তিনি বলেন,এটা শুধু আমার নয়, পুরো টিমের অর্জন। জনগণের সহায়তা না থাকলে সম্ভব হতো না।
‎
‎মাদকমুক্ত ও নিরাপদ শেরপুর গড়তে তিনি দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নিয়েছেন। নিয়মিত কমিউনিটি মিটিং, অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম, যুবসমাজকে সুস্থ বিনোদনে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনাও তার রয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন,আইনশৃঙ্খলা শুধু পুলিশের দায়িত্ব নয়; জনগণকে পাশে পেলে কাজ আরও সহজ হয়।
‎
‎এসআই শিপু কুমার দাসের কর্মতৎপরতা দেখলে বোঝা যায়—একজন সৎ, সাহসী ও নিবেদিতপ্রাণ অফিসার চাইলে একটি পুরো এলাকার চিত্র বদলে দিতে পারেন।
‎শেরপুর আজ নিরাপত্তার, আস্থার এবং শৃঙ্খলার নতুন বাস্তবতা দেখছে—তার নেতৃত্বেই।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা

‎জেলার শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসার হয়েছেন শিপু... ‎

শেরপুরে পুলিশ জনতার আস্থা ফিরিয়ে আনেন-এস আই শিপু

সময় ০৯:৫৩:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসাররে পুরস্কার তুলে দেন, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ মুশফেকুর রহমান। 


‎

‎
‎মৌলভীবাজার মডেল থানার নিয়ন্ত্রণাধীন শেরপুর পুলিশ ফাঁড়িতে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এক নতুন চেহারা পেয়েছে গোটা এলাকা। আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন, অপরাধ দমন, বিশেষ করে মাদকবিরোধী অভিযানে ধারাবাহিক সাফল্য—যা শেরপুরবাসীর আস্থার জায়গা তৈরি করেছে নতুনভাবে। এই পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই শিপু কুমার দাস।
‎
‎সাধারণ একজন পুলিশ অফিসার নন, বরং মাঠে-ময়দানে অবস্থান করে অপরাধ দমনে কঠোর, আর জনগণের কাছে তিনি মানবিক ও সহজ-সুলভ। তার কর্মক্ষমতা, নেতৃত্ব ও দায়িত্ববোধের কারণে সম্প্রতি তিনি ‘শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসার’ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
‎
‎শেরপুর ফাঁড়িতে ইনচার্জ হিসেবে যোগদানের পর এসআই শিপু কুমার দাস প্রথমেই লক্ষ্য করেন—মাদক কারবারি ও কিছু অপরাধী চক্র এলাকাটিকে অস্থিতিশীল করে রাখছে। তিনি দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ান, মাঠ পর্যায়ের টহল জোরদার করেন এবং অপরাধীদের রুট, যোগাযোগ ও লেনদেনের ধরন নিয়ে বিশ্লেষণ শুরু করেন।
‎
‎তার নেতৃত্বে একের পর এক সফল অভিযান পরিচালিত হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই উদ্ধার হয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদকদ্রব্য। গ্রেফতার হয় একাধিক মাদক কারবারি। এসব অভিযানে স্থানীয় মানুষের আস্থাও বাড়তে থাকে পুলিশের প্রতি।
‎
‎মাদক দমনকে তিনি দেখেন শুধু দায়িত্ব হিসেবে নয়, বরং সামাজিক প্রতিশ্রুতি হিসেবে। তার ভাষায়—একটা পরিবার ধ্বংস হয় মাদকের কারণে। একজন যুবক নেশায় হারিয়ে গেলে সমাজই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর থাকা ছাড়া বিকল্প নেই।
‎
‎তার টিম প্রতিদিন মাদকের হটস্পটগুলো চিহ্নিত করে অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করে। রাত-বিরাতে অভিযান পরিচালনা করা তাদের রুটিনের অংশ। এজন্য সহকর্মীদের মধ্যে তিনি পরিচিত কঠোর কিন্তু অনুপ্রেরণাদায়ী নেতা হিসেবে
‎
‎এসআই শিপুর বিশেষ ভূমিকা রয়েছে জনগণের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলায়। তিনি এলাকায় সাধারণ মানুষের সমস্যা নিজে শোনেন, পরামর্শ দেন এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করেন।
‎ফলে স্থানীয় জনগণ এখন পুলিশের সাথে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তথ্য শেয়ার করছে। অপরাধীদের গতিবিধি ধরতে এ তথ্যগুলো তাকে বিশেষভাবে সহায়তা করছে।
‎
‎শেরপুরের এক বাসিন্দা বলেন,আগে পুলিশকে ভয় লাগত, এখন দেখি তারা আমাদের পাশে দাঁড়ায়। এসআই শিপু যেন এলাকার বড় ভাই।
‎এই আস্থা তার টিমকে আরও শক্তিশালী করেছে।
‎
‎ফাঁড়ির সদস্যদের প্রতি তার আচরণও প্রশংসনীয়। তিনি টিমকে শৃঙ্খলিত রাখেন, কিন্তু উৎসাহ দেন, পরামর্শ দেন, প্রয়োজন হলে পাশে দাঁড়ান।
‎তার এক সহকর্মী বললেন,অপারেশনের সময় তিনি সামনে থাকেন, পেছনে নন। এজন্য সবাই তার নির্দেশ মানে। তার সাথে কাজ করতে ভয় নয়, আত্মবিশ্বাসই বেশি কাজ করে।
‎
‎ভিকটিমদের প্রতি মানবিক আচরণ, নারী, শিশু ও বয়স্কদের সমস্যা শুনতে বিশেষ মনোযোগ—এসব তাকে একজন দায়িত্বশীল অফিসার হিসেবে আলাদা জায়গায় দাঁড় করিয়েছে।
‎
‎তার ধারাবাহিক সাফল্য এবং দৃষ্টান্তমূলক কর্মক্ষমতার কারণে সম্প্রতি তিনি ‘শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসার’ নির্বাচিত হয়েছেন।
‎এই সাফল্য সম্পর্কে তিনি বলেন,এটা শুধু আমার নয়, পুরো টিমের অর্জন। জনগণের সহায়তা না থাকলে সম্ভব হতো না।
‎
‎মাদকমুক্ত ও নিরাপদ শেরপুর গড়তে তিনি দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নিয়েছেন। নিয়মিত কমিউনিটি মিটিং, অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম, যুবসমাজকে সুস্থ বিনোদনে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনাও তার রয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন,আইনশৃঙ্খলা শুধু পুলিশের দায়িত্ব নয়; জনগণকে পাশে পেলে কাজ আরও সহজ হয়।
‎
‎এসআই শিপু কুমার দাসের কর্মতৎপরতা দেখলে বোঝা যায়—একজন সৎ, সাহসী ও নিবেদিতপ্রাণ অফিসার চাইলে একটি পুরো এলাকার চিত্র বদলে দিতে পারেন।
‎শেরপুর আজ নিরাপত্তার, আস্থার এবং শৃঙ্খলার নতুন বাস্তবতা দেখছে—তার নেতৃত্বেই।