সিলেট ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
গোলাপগঞ্জে ২১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২, নগদ টাকা উদ্ধার ‎জৈন্তাপুর সীমান্তে ওয়াচ টাওয়ারে বিজিবি সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ‎জামালপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মাধ্যমে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত লাখাইয়ে নতুন ইউএনও তারেক হাসান, এর যোগদান ‎বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বানিয়াচংয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালী। ইয়াবা সেবনের দায়ে বাহুবলে এক ব্যক্তির ৬ মাসের কারাদণ্ড ‎স্পেনে বাইসাইকেল গ্যারেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশীর তরুণে মৃত্যু বানিয়াচং জনাব আলী সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক অনুপ রায় এর অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা ‎মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু: বানিয়াচংয়ের বিদায়ী ইউএনও কে সংবর্ধনা প্রদান। ‎গোয়াইনঘাটে নজরুল বিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মাহমুদুল হাসানের অসমাপ্ত কাজ শেষ করার প্রত্যয় সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু গতকাল জানাজা পূ্র্বে বক্তব্য রাখেন। ছবি- সংগৃহীত।


‎টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসানের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। জানাজা-পূর্ব বক্তব্যে তাঁর অসমাপ্ত উন্নয়নমূলক কাজগুলো সম্পন্ন করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন একই আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।


‎বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত এই জানাজায় টুকু বলেন,মাহমুদুল হাসান আজীবন টাঙ্গাইলের মানুষের উন্নয়নে কাজ করেছেন, তিনি জেলায় বহু গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজ হাতে গড়ে তুলেছেন।

‎ তিনি দল-মত নির্বিশেষে জানাজায় বিশাল উপস্থিতি প্রমাণ করে তিনি কতটা জনপ্রিয় ও সজ্জন মানুষ ছিলেন।


‎সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মরহুমের শেষ ইচ্ছাগুলো বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান,জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে তাঁর প্রথম কাজ হবে মাহমুদনগরের ব্রিজ নির্মাণ করা, যমুনা নদীর পাশে বেড়িবাঁধ স্থাপন করা। প্রয়াতের রেখে যাওয়া অন্যান্য সব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা।


‎মরহুমের জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা ও সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু ও আহমেদ আযম খান। সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম। জেলা বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং মরহুমের পুত্র রাশেদ হাসান।


‎মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে ৯০ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।

‎সেনাবাহিনীতে দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কৃষিমন্ত্রী এবং অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

‎জানাজা শেষে তাঁকে টাঙ্গাইলের সন্তোষ এলাকায় দাফন করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

গোলাপগঞ্জে ২১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২, নগদ টাকা উদ্ধার

মাহমুদুল হাসানের অসমাপ্ত কাজ শেষ করার প্রত্যয় সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর

সময় ১০:২৩:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু গতকাল জানাজা পূ্র্বে বক্তব্য রাখেন। ছবি- সংগৃহীত।


‎টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসানের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। জানাজা-পূর্ব বক্তব্যে তাঁর অসমাপ্ত উন্নয়নমূলক কাজগুলো সম্পন্ন করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন একই আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।


‎বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত এই জানাজায় টুকু বলেন,মাহমুদুল হাসান আজীবন টাঙ্গাইলের মানুষের উন্নয়নে কাজ করেছেন, তিনি জেলায় বহু গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজ হাতে গড়ে তুলেছেন।

‎ তিনি দল-মত নির্বিশেষে জানাজায় বিশাল উপস্থিতি প্রমাণ করে তিনি কতটা জনপ্রিয় ও সজ্জন মানুষ ছিলেন।


‎সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মরহুমের শেষ ইচ্ছাগুলো বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান,জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে তাঁর প্রথম কাজ হবে মাহমুদনগরের ব্রিজ নির্মাণ করা, যমুনা নদীর পাশে বেড়িবাঁধ স্থাপন করা। প্রয়াতের রেখে যাওয়া অন্যান্য সব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা।


‎মরহুমের জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা ও সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু ও আহমেদ আযম খান। সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম। জেলা বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং মরহুমের পুত্র রাশেদ হাসান।


‎মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে ৯০ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।

‎সেনাবাহিনীতে দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কৃষিমন্ত্রী এবং অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

‎জানাজা শেষে তাঁকে টাঙ্গাইলের সন্তোষ এলাকায় দাফন করা হয়।