সিলেট ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
News Title :
হবিগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ: পলাতক আসামি সিলেট থেকে গ্রেফতার করল র‍্যাব। হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ, সারজিসসহ আহত কয়েকজন নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত দলিল নেই, তবুও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভূমিদাতা পাতন বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সম্মাননা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ সম্পন্ন ‎সিলেটে হাইড্রোলিক হর্ন ও পরিবেশ আইন লঙ্ঘনে ১০ গাড়ির মালিককে জরিমানা নবীগঞ্জে আম গাছে থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার‎ ‘নেলসন ম্যান্ডেলা পিস অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ পেলেন কাজী মোহাম্মদ জমিরুল ইসলাম মমতাজ‎ ‎৪৫০ শিক্ষার্থীর একমাত্র ভরসা গুচ্ছগ্রাম বিদ্যালয়; পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রীর সহযোগিতার আশ্বাস গ্রাম পুলিশের বেতন বৃদ্ধি ও চাকরি জাতীয়করণের দাবি

‎চাঁদাবাজির মামলায় যুবলীগ নেতা মাছুমের রিমান্ড মঞ্জুর: অপর আসামি জালাল পলাতক‎

রিমান্ডে মাছুম ——————-পলাতক জালাল।




মৌলভীবাজারের জুড়ীতে সাংবাদিক পরিচয়ে ব্যবসায়ীকে ব্ল্যাকমেইলিং করে চাঁদা আদায়ের সময় গত ২২ সেপ্টেম্বর চাঁদার টাকাসহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন যুবলীগ নেতা মাছুম আহমদ (৩৪)।
‎সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর ) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে মৌলভীবাজারের ৬ নং আমল গ্রহণকারী আদালত চাঁদাবাজির মামলায় কারাগারে থাকা প্রধান আসামি মাছুম আহমদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
‎বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জুড়ী থানার এস আই ইউ এম ইমন।
‎তবে চাঁদাবাজির মামলার ২ নং আসামি জালালুর এখনো পলাতক রয়েছেন।

‎মাছুম উপজেলার জায়ফরনগর ইউনিয়নের ভবানীপুর (আঞ্জুরী কোনা) গ্রামের বাসিন্দা। চাঁদাবাজির ঘটনায় জুড়ী শহরের রড-সিমেন্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আব্দুল বাছিত বাদী হয়ে সম্মানহানির ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবি ও আদায়ের অভিযোগে দুইজনকে আসামি করে জুড়ী থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
‎মামলার অপর আসামি হলেন, পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়নের খলিলুর রহমানের ছেলে জালালুর রহমান (৩০)।



‎স্থানীয় সূত্র জানায়, মাছুম এক সময় পেশাদার সিএনজি চালক হিসেবে কাজ করতেন।
‎পরে এক নেতার সুবাদে রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে যুবলীগের ওয়ার্ড সভাপতি পদ লাভ করেন মাছুম। যুবলীগ নেতা হওয়ার পর মাছুম বিভিন্ন সময় প্রভাব খাটিয়ে চাঁদাবাজি, অনিয়ম ও সরকারি সুবিধা আদায়ে সক্রিয় হয়ে ওঠেন।

‎এছাড়া মাধ্যমিক পাস না করেও দেশের বেসরকারি একটি টেলিভিশন এশিয়ান টিভির স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ ভাগিয়ে নেন মাছুম।
‎এশিয়ান টিভির প্রতিনিধি হওয়ার পর থেকে সে আরো বেপোরোয়া হয়ে সরকারি অফিস, প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ নানা অফিসে বেপোরোয়া চাঁদাবাজি শুরু করে।
‎মাছুম ও জালালুরের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল উপজেলার সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তা সহ সাধারণ মানুষ। তার গ্রেফতারের পর পুরো উপজেলার মানুষ স্বস্তি প্রকাশ করেন।

‎এছাড়া চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেফতার হওয়া সিএনজি মাছুম ও চাঁদাবাজি মামলার অপর আসামি জালালুরের বিরুদ্ধে জুড়ী উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে ব্যাপক চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগে উপজেলা নিবার্হী অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন শিক্ষক নেতৃবৃন্দ। 

‎রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জুড়ী থানার এসআই ইউ এম ইমন বলেন, এই মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদঘাটনসহ আসামির জব্দকৃত মোবাইলে আরো চাঁদাবাজির আলামত থাকতে পারে মূলত এজন্যই তাকে রিমান্ডে আনা হয়েছে।
‎এসময় তিনি আরো বলেন, চাঁদাবাজির মামলার ২ নং আসামি জালালুরকে ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ: পলাতক আসামি সিলেট থেকে গ্রেফতার করল র‍্যাব।

‎চাঁদাবাজির মামলায় যুবলীগ নেতা মাছুমের রিমান্ড মঞ্জুর: অপর আসামি জালাল পলাতক‎

সময় ১১:০১:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রিমান্ডে মাছুম ——————-পলাতক জালাল।




মৌলভীবাজারের জুড়ীতে সাংবাদিক পরিচয়ে ব্যবসায়ীকে ব্ল্যাকমেইলিং করে চাঁদা আদায়ের সময় গত ২২ সেপ্টেম্বর চাঁদার টাকাসহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন যুবলীগ নেতা মাছুম আহমদ (৩৪)।
‎সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর ) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে মৌলভীবাজারের ৬ নং আমল গ্রহণকারী আদালত চাঁদাবাজির মামলায় কারাগারে থাকা প্রধান আসামি মাছুম আহমদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
‎বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জুড়ী থানার এস আই ইউ এম ইমন।
‎তবে চাঁদাবাজির মামলার ২ নং আসামি জালালুর এখনো পলাতক রয়েছেন।

‎মাছুম উপজেলার জায়ফরনগর ইউনিয়নের ভবানীপুর (আঞ্জুরী কোনা) গ্রামের বাসিন্দা। চাঁদাবাজির ঘটনায় জুড়ী শহরের রড-সিমেন্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আব্দুল বাছিত বাদী হয়ে সম্মানহানির ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবি ও আদায়ের অভিযোগে দুইজনকে আসামি করে জুড়ী থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
‎মামলার অপর আসামি হলেন, পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়নের খলিলুর রহমানের ছেলে জালালুর রহমান (৩০)।



‎স্থানীয় সূত্র জানায়, মাছুম এক সময় পেশাদার সিএনজি চালক হিসেবে কাজ করতেন।
‎পরে এক নেতার সুবাদে রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে যুবলীগের ওয়ার্ড সভাপতি পদ লাভ করেন মাছুম। যুবলীগ নেতা হওয়ার পর মাছুম বিভিন্ন সময় প্রভাব খাটিয়ে চাঁদাবাজি, অনিয়ম ও সরকারি সুবিধা আদায়ে সক্রিয় হয়ে ওঠেন।

‎এছাড়া মাধ্যমিক পাস না করেও দেশের বেসরকারি একটি টেলিভিশন এশিয়ান টিভির স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ ভাগিয়ে নেন মাছুম।
‎এশিয়ান টিভির প্রতিনিধি হওয়ার পর থেকে সে আরো বেপোরোয়া হয়ে সরকারি অফিস, প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ নানা অফিসে বেপোরোয়া চাঁদাবাজি শুরু করে।
‎মাছুম ও জালালুরের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল উপজেলার সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তা সহ সাধারণ মানুষ। তার গ্রেফতারের পর পুরো উপজেলার মানুষ স্বস্তি প্রকাশ করেন।

‎এছাড়া চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেফতার হওয়া সিএনজি মাছুম ও চাঁদাবাজি মামলার অপর আসামি জালালুরের বিরুদ্ধে জুড়ী উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে ব্যাপক চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগে উপজেলা নিবার্হী অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন শিক্ষক নেতৃবৃন্দ। 

‎রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জুড়ী থানার এসআই ইউ এম ইমন বলেন, এই মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদঘাটনসহ আসামির জব্দকৃত মোবাইলে আরো চাঁদাবাজির আলামত থাকতে পারে মূলত এজন্যই তাকে রিমান্ডে আনা হয়েছে।
‎এসময় তিনি আরো বলেন, চাঁদাবাজির মামলার ২ নং আসামি জালালুরকে ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।