সিলেট ১১:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র বাহুবল আহত অন্তত ৫০ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি কালিম উদ্দিন আহমদ মিলন ‎শান্তিগঞ্জে পুলিশের হ্যান্ডকাফ সহ আসামির পলায়ন ‎কালিহাতী পৌরসভায় মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ শান্তিগঞ্জে মহাসড়কে টাস্কফোর্সের অভিযান‎১৭ বাসকে জরিমানা, কাগজপত্রে ত্রুটি: দ্রুত সংশোধনের নির্দেশ লাখাইয়ে বিদায় ও বরণ: সাংবাদিকদের সাথে নবাগত ইউএনও-এর মতবিনিময়‎ লাখাইয়ে বীরমুক্তিযোদ্ধা শাহেদ আলীর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন। বিভিন্ন মহলের শোক। ‎গোপালপুরে মজলুমের কণ্ঠের ৩২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ‎মৌলভীবাজারে ডিবি ও শেরপুর পুলিশের পৃথক অভিযান ৪৫ বোতল বিদেশি মদ, গাজাসহ আটক ৬ জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে বিদায় সংবর্ধনা ও নবীনদের বরণ।

‎শান্তিগঞ্জে পুলিশের হ্যান্ডকাফ সহ আসামির পলায়ন


‎সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে পুলিশের হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাফসহ এক আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার পর উপজেলার দামোধরদপী পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
‎পুলিশের হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে যাওয়া আসামির নাম আসির মিয়া (৩৫)। তিনি উপজেলার দামোধরদপী গ্রামের বাসিন্দা।

‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত ৯টার দিকে দামোধরদপী পয়েন্টে শান্তিগঞ্জ থানার এসআই নুর উদ্দিনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ একটি অভিযানিক দল একটি মামলার আসামি আসির মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার সময় সুযোগ বুঝে তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান। এ সময় তার হাতে পুলিশের হ্যান্ডকাফ পরানো ছিল বলে জানা গেছে।
‎পুলিশের হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাফসহ আসামি পালিয়ে যাওয়ার পর তাকে ধরতে শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশের একাধিক দল বিভিন্ন স্থানে অভিযান ও তল্লাশি চালাচ্ছে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

‎এ বিষয়ে দামোধরদপী গ্রামের বাসিন্দা ও ইউপি সদস্য মোঃ আজির উদ্দিন জানান, পুলিশের অভিযান চলাকালে তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না। তিনি একটি বিচার-শালিসে ছিলেন। পরে এসে তিনি জানতে পারেন, আসির মিয়াকে আটক করার সময় সেখানে হইচই শুরু হলে সুযোগ বুঝে সে পুলিশের হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে যায়।

‎এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. অলিউল্লাহ বলেন, পুলিশের হেফাজত থেকে একজন আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

‎এ বিষয়ে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) সুজন সরকার জানান, বিষয়টি আমি অবগত নই। যদি এরকম হয়ে থাকে তাহলে, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

‎পুলিশের হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাফসহ একজন আসামির পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে আসামি গ্রেপ্তারের পর পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের তৎপরতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র বাহুবল আহত অন্তত ৫০

‎শান্তিগঞ্জে পুলিশের হ্যান্ডকাফ সহ আসামির পলায়ন

সময় ১১:২৬:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


‎সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে পুলিশের হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাফসহ এক আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার পর উপজেলার দামোধরদপী পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
‎পুলিশের হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে যাওয়া আসামির নাম আসির মিয়া (৩৫)। তিনি উপজেলার দামোধরদপী গ্রামের বাসিন্দা।

‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত ৯টার দিকে দামোধরদপী পয়েন্টে শান্তিগঞ্জ থানার এসআই নুর উদ্দিনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ একটি অভিযানিক দল একটি মামলার আসামি আসির মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার সময় সুযোগ বুঝে তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান। এ সময় তার হাতে পুলিশের হ্যান্ডকাফ পরানো ছিল বলে জানা গেছে।
‎পুলিশের হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাফসহ আসামি পালিয়ে যাওয়ার পর তাকে ধরতে শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশের একাধিক দল বিভিন্ন স্থানে অভিযান ও তল্লাশি চালাচ্ছে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

‎এ বিষয়ে দামোধরদপী গ্রামের বাসিন্দা ও ইউপি সদস্য মোঃ আজির উদ্দিন জানান, পুলিশের অভিযান চলাকালে তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না। তিনি একটি বিচার-শালিসে ছিলেন। পরে এসে তিনি জানতে পারেন, আসির মিয়াকে আটক করার সময় সেখানে হইচই শুরু হলে সুযোগ বুঝে সে পুলিশের হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে যায়।

‎এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. অলিউল্লাহ বলেন, পুলিশের হেফাজত থেকে একজন আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

‎এ বিষয়ে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) সুজন সরকার জানান, বিষয়টি আমি অবগত নই। যদি এরকম হয়ে থাকে তাহলে, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

‎পুলিশের হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাফসহ একজন আসামির পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে আসামি গ্রেপ্তারের পর পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের তৎপরতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।