সিলেট ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
‎জামালপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মাধ্যমে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত লাখাইয়ে নতুন ইউএনও তারেক হাসান, এর যোগদান ‎বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বানিয়াচংয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালী। ইয়াবা সেবনের দায়ে বাহুবলে এক ব্যক্তির ৬ মাসের কারাদণ্ড ‎স্পেনে বাইসাইকেল গ্যারেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশীর তরুণে মৃত্যু বানিয়াচং জনাব আলী সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক অনুপ রায় এর অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা ‎মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু: বানিয়াচংয়ের বিদায়ী ইউএনও কে সংবর্ধনা প্রদান। ‎গোয়াইনঘাটে নজরুল বিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হবিগঞ্জে সংরক্ষিত বন থেকে বাঁশ পাচার, মিনি ট্রাক জব্দ ‎প্রশাসন ক্যাডারের ২৭ উপসচিবকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পদায়ন

মধুপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় যুবদল নেতা সরকার মনি

মোশাররফ হোসেন সরকার মনি (ফাইল ছবি)


‎মধুপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে স্থানীয় রাজনীতি ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপকভাবে আলোচনায় রয়েছেন মোশাররফ হোসেন সরকার মনি। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে ওতপ্রোতভাবে সম্পৃক্ত থেকে ইতিমধ্যে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোশাররফ হোসেন সরকার মনি মধুপুরের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। তাঁর মরহুম চাচা সরকার মো. সহিদ ছিলেন মধুপুরের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। পারিবারিক ঐতিহ্য ও ধারাবাহিকতায় তাঁদের পুরো পরিবারই দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত।

‎সরকার মনি ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে ওয়ান-ইলেভেনসহ দলের প্রতিটি সংকটকালীন মুহূর্তে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি মধুপুর পৌর ছাত্র দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন এবং তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত রাখতে অবদান রাখেন।

‎নির্বাচনী প্রস্তুতি ও নিজের প্রত্যয় ব্যক্ত করে মোশাররফ হোসেন সরকার মনি বলেন, দলীয় সিদ্ধান্ত ও জনগণের দোয়া-সমর্থন নিয়ে আমি আগামী পৌর নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হতে চাই। নির্বাচিত হলে স্থানীয় উন্নয়ন, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য। একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও উন্নত মডেল পৌরসভা গঠনে আমি নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই।

‎এদিকে স্থানীয় সাধারণ ভোটার ও সচেতন মহলের আশা, সরকার মনি নির্বাচিত হলে মধুপুর পৌরসভার অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। তরুণ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির এই নেতাকে ঘিরে এখন থেকেই সমীকরণ মেলাতে শুরু করেছেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

‎জামালপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মাধ্যমে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

মধুপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় যুবদল নেতা সরকার মনি

সময় ০৩:৩২:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬
মোশাররফ হোসেন সরকার মনি (ফাইল ছবি)


‎মধুপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে স্থানীয় রাজনীতি ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপকভাবে আলোচনায় রয়েছেন মোশাররফ হোসেন সরকার মনি। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে ওতপ্রোতভাবে সম্পৃক্ত থেকে ইতিমধ্যে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোশাররফ হোসেন সরকার মনি মধুপুরের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। তাঁর মরহুম চাচা সরকার মো. সহিদ ছিলেন মধুপুরের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। পারিবারিক ঐতিহ্য ও ধারাবাহিকতায় তাঁদের পুরো পরিবারই দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত।

‎সরকার মনি ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে ওয়ান-ইলেভেনসহ দলের প্রতিটি সংকটকালীন মুহূর্তে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি মধুপুর পৌর ছাত্র দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন এবং তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত রাখতে অবদান রাখেন।

‎নির্বাচনী প্রস্তুতি ও নিজের প্রত্যয় ব্যক্ত করে মোশাররফ হোসেন সরকার মনি বলেন, দলীয় সিদ্ধান্ত ও জনগণের দোয়া-সমর্থন নিয়ে আমি আগামী পৌর নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হতে চাই। নির্বাচিত হলে স্থানীয় উন্নয়ন, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য। একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও উন্নত মডেল পৌরসভা গঠনে আমি নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই।

‎এদিকে স্থানীয় সাধারণ ভোটার ও সচেতন মহলের আশা, সরকার মনি নির্বাচিত হলে মধুপুর পৌরসভার অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। তরুণ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির এই নেতাকে ঘিরে এখন থেকেই সমীকরণ মেলাতে শুরু করেছেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা।