সিলেট ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার এক বন্দির মৃত্যু ‎লাখাইয়ে পুলিশের উদ্যোগে মাদক ও অপরাধবিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি মানিক,সম্পাদক সুধা রঞ্জন

‎টাঙ্গাইল জেলাকে ঢাকা বিভাগেই রাখার দাবিতে জেলাবাসীর দৃঢ় অবস্থান! টাঙ্গাইলবাসীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ!‎

এই ছবিটি ২০১৫ সালের তোলা। তখনও টাঙ্গাইল বাসী সড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ জানায়। ছবি- সংগৃহীত।


‎সম্প্রতি টাঙ্গাইল জেলাকে ময়মনসিংহ বিভাগের অন্তর্ভুক্ত করার পাঁয়তারা চলছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি আলোচনা/গুজব ছড়িয়ে পড়েছে।
‎যদিও এই খবরটি জাতীয় গণমাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়নি এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কথিত প্রস্তাবনার সত্যতাও নির্ণয় করা যায়নি, তবুও এই খবরে জেলার বিভিন্ন উপজেলার জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
‎ফেসবুক পেজ এবং ব্যক্তিগত আইডি থেকে টাঙ্গাইলবাসী তাদের অসন্তোষ ও দৃঢ় অবস্থান প্রকাশ করছেন।
‎টাঙ্গাইলবাসী অত্যন্ত স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে, এই ধরণের দাবি বা উদ্যোগ তাদের মনোভাবের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
‎
‎টাঙ্গাইলবাসী তাদের জেলার মর্যাদা এবং অবস্থান নিয়ে কোনো আপস করবে না। এই প্রসঙ্গে জেলার মানুষ ঐতিহাসিক গণদাবিকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে, ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে ২০১৫ সালে যখন প্রথম টাঙ্গাইলকে অন্য বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করার জল্পনা শুরু হয়েছিল, তখন টাঙ্গাইলের মানুষ তাদের ঐক্যবদ্ধ শক্তি প্রদর্শন করেছিল।

এই সেই কথিত প্রস্তাব নামা। যার ভিত্তিতে আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। যদিও এটার দালিলিক প্রমাণ মিলেনি। ছবি- টাঙ্গাইল ছাত্র সমাজের পেইজে সৌজন্যে।


‎
২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ১০ লক্ষাধিক মানুষ টাঙ্গাইল জেলাকে ঢাকা বিভাগেই রাখার দাবিতে গণস্বাক্ষর করে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে প্রেরণ করেছিলেন।
‎এই গণস্বাক্ষর ছিল টাঙ্গাইলবাসীর ঐক্যবদ্ধ ইচ্ছার প্রতিচ্ছবি, যার ফলশ্রুতিতে টাঙ্গাইল ঢাকা বিভাগেই থেকে যায়।
‎
‎টাঙ্গাইলবাসী হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে আজকের দিনে সেই ইতিহাসকে পুনরায় সৃষ্টি করতে যেন বাধ্য করা না হয়। গত এক দশকে টাঙ্গাইলের জনসংখ্যা কেবল বেড়েছে, কমেনি।
‎যদি টাঙ্গাইলকে ময়মনসিংহ বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করার কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পেশ করা হয়, তবে এর পরিণতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।
‎
‎টাঙ্গাইলবাসীর বার্তা স্পষ্ট: “খেলা শুরু কইরেন না!” টাঙ্গাইলবাসী আবারও ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে নামতে প্রস্তুত। প্রয়োজনে পুনরায় গণস্বাক্ষরের ডাক দেওয়া হবে, এবং এবারের সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে।
‎
সভা-সমাবেশসহ সকল প্রকার গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের জন্য তারা প্রস্তুত আছেন বলেও হুশিয়ার উচ্চারণ করেন। সবার দাবী ‘সোজা কথায় কাজ হয় না’—এই প্রবাদকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে টাঙ্গাইলবাসী জোর দিয়ে বলছে, তাদের এই গণদাবিকে হালকাভাবে নেওয়া বা উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই।
‎ঐক্যবদ্ধ টাঙ্গাইল জেলাকে ঢাকা বিভাগে রাখার দাবিতে একতাবদ্ধ এবং অবিচল।
‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা

‎টাঙ্গাইল জেলাকে ঢাকা বিভাগেই রাখার দাবিতে জেলাবাসীর দৃঢ় অবস্থান! টাঙ্গাইলবাসীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ!‎

সময় ০৩:১৬:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

এই ছবিটি ২০১৫ সালের তোলা। তখনও টাঙ্গাইল বাসী সড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ জানায়। ছবি- সংগৃহীত।


‎সম্প্রতি টাঙ্গাইল জেলাকে ময়মনসিংহ বিভাগের অন্তর্ভুক্ত করার পাঁয়তারা চলছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি আলোচনা/গুজব ছড়িয়ে পড়েছে।
‎যদিও এই খবরটি জাতীয় গণমাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়নি এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কথিত প্রস্তাবনার সত্যতাও নির্ণয় করা যায়নি, তবুও এই খবরে জেলার বিভিন্ন উপজেলার জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
‎ফেসবুক পেজ এবং ব্যক্তিগত আইডি থেকে টাঙ্গাইলবাসী তাদের অসন্তোষ ও দৃঢ় অবস্থান প্রকাশ করছেন।
‎টাঙ্গাইলবাসী অত্যন্ত স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে, এই ধরণের দাবি বা উদ্যোগ তাদের মনোভাবের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
‎
‎টাঙ্গাইলবাসী তাদের জেলার মর্যাদা এবং অবস্থান নিয়ে কোনো আপস করবে না। এই প্রসঙ্গে জেলার মানুষ ঐতিহাসিক গণদাবিকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে, ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে ২০১৫ সালে যখন প্রথম টাঙ্গাইলকে অন্য বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করার জল্পনা শুরু হয়েছিল, তখন টাঙ্গাইলের মানুষ তাদের ঐক্যবদ্ধ শক্তি প্রদর্শন করেছিল।

এই সেই কথিত প্রস্তাব নামা। যার ভিত্তিতে আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। যদিও এটার দালিলিক প্রমাণ মিলেনি। ছবি- টাঙ্গাইল ছাত্র সমাজের পেইজে সৌজন্যে।


‎
২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ১০ লক্ষাধিক মানুষ টাঙ্গাইল জেলাকে ঢাকা বিভাগেই রাখার দাবিতে গণস্বাক্ষর করে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে প্রেরণ করেছিলেন।
‎এই গণস্বাক্ষর ছিল টাঙ্গাইলবাসীর ঐক্যবদ্ধ ইচ্ছার প্রতিচ্ছবি, যার ফলশ্রুতিতে টাঙ্গাইল ঢাকা বিভাগেই থেকে যায়।
‎
‎টাঙ্গাইলবাসী হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে আজকের দিনে সেই ইতিহাসকে পুনরায় সৃষ্টি করতে যেন বাধ্য করা না হয়। গত এক দশকে টাঙ্গাইলের জনসংখ্যা কেবল বেড়েছে, কমেনি।
‎যদি টাঙ্গাইলকে ময়মনসিংহ বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করার কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পেশ করা হয়, তবে এর পরিণতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।
‎
‎টাঙ্গাইলবাসীর বার্তা স্পষ্ট: “খেলা শুরু কইরেন না!” টাঙ্গাইলবাসী আবারও ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে নামতে প্রস্তুত। প্রয়োজনে পুনরায় গণস্বাক্ষরের ডাক দেওয়া হবে, এবং এবারের সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে।
‎
সভা-সমাবেশসহ সকল প্রকার গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের জন্য তারা প্রস্তুত আছেন বলেও হুশিয়ার উচ্চারণ করেন। সবার দাবী ‘সোজা কথায় কাজ হয় না’—এই প্রবাদকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে টাঙ্গাইলবাসী জোর দিয়ে বলছে, তাদের এই গণদাবিকে হালকাভাবে নেওয়া বা উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই।
‎ঐক্যবদ্ধ টাঙ্গাইল জেলাকে ঢাকা বিভাগে রাখার দাবিতে একতাবদ্ধ এবং অবিচল।
‎