সিলেট ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎মুঠোফোনের যুগে বইয়ের আলো ছড়াচ্ছেন কুলাউড়ার খালিক উদ্দিন নীলফামারীতে জমি বিরোধে হত্যা: সিলেট থেকে যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার ৩ ‎বড়লেখায় অসচ্ছল নারীদের বিনামূল্যে সেলাই মেশিন বিতরণ ‎​জৈন্তাপুরে টাস্কফোর্সের যৌথ অভিযান: ৭৩টি বার্কি নৌকা ধ্বংস, ৮,৪৮৬ ঘনফুট বালু জব্দ লাখাইর বুল্লা গ্রামে এক রাতে তিন বাড়িতে চুরি জনমনে আতঙ্ক! তামাক নিয়ন্ত্রণে জামালপুর পৌরসভার উদ্যোগে নীতি নির্ধারণী আলোচনা ও প্রস্তাবনা উপস্থাপন সভা হবিগঞ্জে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ৮০, হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ৪৫ জন ‎ঝরে পড়া রোধে নবীগঞ্জের চা বাগান বিদ্যালয়ে “মিড ডে মিল চালু” সৌদি আরব ফেরত রেহেনাকে সহায়তা দিলেন মাধবপুরের ইউএনও  পানিতে ডুবে প্রান গেল বাহুবলের জনপ্রিয় ক্ষুদে কনটেন্ট ক্রিয়েটর দ্বীপের
এসআরবি-৯, এসআরবি-১৩ যৌথ অভিযান

নীলফামারীতে জমি বিরোধে হত্যা: সিলেট থেকে যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার ৩

জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে নীলফামারীর ডোমারে দেলোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৯ সিলেট এবং এসআরবি-১৩ নীলফামারীর যৌথ অভিযানে সিলেট থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

‎বুধবার (১৪ অক্টোবর ) রাত আনুমানিক ১২.০৫ মিনিটে সিলেটের জালালাবাদ থানাধীন কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা বাজার এলাকার একটি বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

‎গ্রেপ্তারকৃতরা হল— নীলফামারী জেলার ডোমার থানার হংসরাজ গ্রামের মৃত চাঁদমিয়ার ছেলে মোঃ আবুল হোসেন (৪০), তাঁর স্ত্রী মোছাঃ আমেনা বেগম (৩৫) এবং তাঁদের ছেলে মোঃ হৃদয় ইসলাম (১৯)।

‎এসআরবি-৯ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নীলফামারীর ডোমার উপজেলার হংসরাজ গ্রামের বাসিন্দা ভিকটিম দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে তাঁর ভাই-বোন ও ভাতিজাদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা ও পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত ৫ জুন ২০২৬ তারিখে সকাল ৬টার দিকে বিবাদীরা অনধিকার প্রবেশ করে দেলোয়ার হোসেনের জমিতে আইল নির্মাণ করে জমি দখলের চেষ্টা করেন।

‎দেলোয়ার হোসেন আইল নির্মাণের কারণ জানতে চাইলে বিবাদীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে গালিগালাজ করেন এবং পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালান। একপর্যায়ে প্রধান আসামি আবুল হোসেন ধারালো কোদাল দিয়ে দেলোয়ার হোসেনের মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাঁকে বাঁচাতে স্বজনরা এগিয়ে এলে তাঁদের ওপরও হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়।

‎পরে স্থানীয়রা দেলোয়ার হোসেন ও তাঁর স্ত্রীকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ জুন ২০২৬ তারিখে দেলোয়ার হোসেন মারা যান।

‎এ ঘটনায় ভিকটিমের স্ত্রী বাদী হয়ে নীলফামারীর ডোমার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে এসআরবি ঘটনাটির ছায়া-তদন্ত শুরু করে এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেটের জালালাবাদ এলাকা থেকে পলাতক তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

‎গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন এসআরবি-৯ সিলেটের মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ।

‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎মুঠোফোনের যুগে বইয়ের আলো ছড়াচ্ছেন কুলাউড়ার খালিক উদ্দিন

এসআরবি-৯, এসআরবি-১৩ যৌথ অভিযান

নীলফামারীতে জমি বিরোধে হত্যা: সিলেট থেকে যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার ৩

সময় ১২:১১:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে নীলফামারীর ডোমারে দেলোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৯ সিলেট এবং এসআরবি-১৩ নীলফামারীর যৌথ অভিযানে সিলেট থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

‎বুধবার (১৪ অক্টোবর ) রাত আনুমানিক ১২.০৫ মিনিটে সিলেটের জালালাবাদ থানাধীন কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা বাজার এলাকার একটি বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

‎গ্রেপ্তারকৃতরা হল— নীলফামারী জেলার ডোমার থানার হংসরাজ গ্রামের মৃত চাঁদমিয়ার ছেলে মোঃ আবুল হোসেন (৪০), তাঁর স্ত্রী মোছাঃ আমেনা বেগম (৩৫) এবং তাঁদের ছেলে মোঃ হৃদয় ইসলাম (১৯)।

‎এসআরবি-৯ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নীলফামারীর ডোমার উপজেলার হংসরাজ গ্রামের বাসিন্দা ভিকটিম দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে তাঁর ভাই-বোন ও ভাতিজাদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা ও পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত ৫ জুন ২০২৬ তারিখে সকাল ৬টার দিকে বিবাদীরা অনধিকার প্রবেশ করে দেলোয়ার হোসেনের জমিতে আইল নির্মাণ করে জমি দখলের চেষ্টা করেন।

‎দেলোয়ার হোসেন আইল নির্মাণের কারণ জানতে চাইলে বিবাদীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে গালিগালাজ করেন এবং পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালান। একপর্যায়ে প্রধান আসামি আবুল হোসেন ধারালো কোদাল দিয়ে দেলোয়ার হোসেনের মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাঁকে বাঁচাতে স্বজনরা এগিয়ে এলে তাঁদের ওপরও হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়।

‎পরে স্থানীয়রা দেলোয়ার হোসেন ও তাঁর স্ত্রীকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ জুন ২০২৬ তারিখে দেলোয়ার হোসেন মারা যান।

‎এ ঘটনায় ভিকটিমের স্ত্রী বাদী হয়ে নীলফামারীর ডোমার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে এসআরবি ঘটনাটির ছায়া-তদন্ত শুরু করে এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেটের জালালাবাদ এলাকা থেকে পলাতক তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

‎গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন এসআরবি-৯ সিলেটের মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ।

‎