সিলেট ১২:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার এক বন্দির মৃত্যু ‎লাখাইয়ে পুলিশের উদ্যোগে মাদক ও অপরাধবিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

‎গোয়াইনঘাটে ব্যবসায়ী কামরুল হত্যা: র‍্যাব অভিযানে পলাতক ৪ আসামি গ্রেফতার


‎
‎সিলেটের গোয়াইনঘাটে ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে চাঞ্চল্যকর ‘কামরুল ইসলাম’ হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ৪ জন পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৯)।
‎
‎বুধবার (৫ আগস্ট ২০২৬) ভোরে র‍্যাব-৯, সিপিসি-১ (সিলেট) এর একটি আভিযানিক দল সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানাধীন লালাবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।
‎গ্রেফতারকৃত আসামিরা হল, গোয়াইনঘাট উপজেলা লেংগুড়া গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে আব্দুল সোহেব (৫৪), শামসুল ইসলামের ছেলে বদরুল ইসলাম (৩৪), জেইন উদ্দিনের ছেলে আজাদুর রহমান (৩২) ও আব্দুস সালামের ছেলে মইনুল ইসলাম (৪০)। তারা সবাই লেংগুড়া গ্রামের বাসিন্দা।
‎
‎র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, নিহত কামরুল ইসলাম এবং মামলার ১ নম্বর আসামি বিলাল উদ্দিন যৌথভাবে বালু ও বিভিন্ন পণ্যের ব্যবসা করে আসছিলেন। আনুমানিক ৬-৭ মাস পূর্বে ব্যবসায়ী বিষয় নিয়ে মতবিরোধের জেরে বিলাল উদ্দিন ও তার সহযোগীরা কামরুল ইসলামকে মারধর করে গুরুতর জখম করে। উক্ত ঘটনায় কামরুলের মা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। মামলা দায়েরের পর থেকেই মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আসামিরা কামরুলকে ক্রমাগত হুমকি দিয়ে আসছিল।
‎
‎এরই ধারাবাহিকতায় গত ২২ জুন ২০২৬ দুপুর আনুমানিক ১২ টা ৪০ মিনিটে কামরুল ইসলাম গোয়াইন নদীর ইজারাকৃত লেংগুড়া বালুমহালে ব্যবসায়িক কাজে যাচ্ছিলেন। লেংগুড়া কবরস্থানের সামনে পৌঁছালে বিলাল উদ্দিন তার পথরোধ করে পূর্বের মামলা তুলে নেওয়ার চাপ দেয়। কামরুল এতে অস্বীকৃতি জানালে অন্য আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এসে তার ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায় এবং তাকে গুরুতর রক্তাত্ত জখম করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় মামলায় অভিযোগ করা হয়।
‎
‎পরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে গোয়াইনঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিনই বিকেল ৪ টা ৫০ মিনিটে কামরুল ইসলাম মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-২৬, তারিখ: ২৩/০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
‎
‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, ঘটনার পর থেকেই আসামিরা আত্মগোপনে ছিল। র‍্যাবের ছায়া তদন্ত ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দক্ষিণ সুরমার লালাবাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিদের গোয়াইনঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে

‎গোয়াইনঘাটে ব্যবসায়ী কামরুল হত্যা: র‍্যাব অভিযানে পলাতক ৪ আসামি গ্রেফতার

সময় ১০:৩৩:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬


‎
‎সিলেটের গোয়াইনঘাটে ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে চাঞ্চল্যকর ‘কামরুল ইসলাম’ হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ৪ জন পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৯)।
‎
‎বুধবার (৫ আগস্ট ২০২৬) ভোরে র‍্যাব-৯, সিপিসি-১ (সিলেট) এর একটি আভিযানিক দল সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানাধীন লালাবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।
‎গ্রেফতারকৃত আসামিরা হল, গোয়াইনঘাট উপজেলা লেংগুড়া গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে আব্দুল সোহেব (৫৪), শামসুল ইসলামের ছেলে বদরুল ইসলাম (৩৪), জেইন উদ্দিনের ছেলে আজাদুর রহমান (৩২) ও আব্দুস সালামের ছেলে মইনুল ইসলাম (৪০)। তারা সবাই লেংগুড়া গ্রামের বাসিন্দা।
‎
‎র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, নিহত কামরুল ইসলাম এবং মামলার ১ নম্বর আসামি বিলাল উদ্দিন যৌথভাবে বালু ও বিভিন্ন পণ্যের ব্যবসা করে আসছিলেন। আনুমানিক ৬-৭ মাস পূর্বে ব্যবসায়ী বিষয় নিয়ে মতবিরোধের জেরে বিলাল উদ্দিন ও তার সহযোগীরা কামরুল ইসলামকে মারধর করে গুরুতর জখম করে। উক্ত ঘটনায় কামরুলের মা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। মামলা দায়েরের পর থেকেই মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আসামিরা কামরুলকে ক্রমাগত হুমকি দিয়ে আসছিল।
‎
‎এরই ধারাবাহিকতায় গত ২২ জুন ২০২৬ দুপুর আনুমানিক ১২ টা ৪০ মিনিটে কামরুল ইসলাম গোয়াইন নদীর ইজারাকৃত লেংগুড়া বালুমহালে ব্যবসায়িক কাজে যাচ্ছিলেন। লেংগুড়া কবরস্থানের সামনে পৌঁছালে বিলাল উদ্দিন তার পথরোধ করে পূর্বের মামলা তুলে নেওয়ার চাপ দেয়। কামরুল এতে অস্বীকৃতি জানালে অন্য আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এসে তার ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায় এবং তাকে গুরুতর রক্তাত্ত জখম করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় মামলায় অভিযোগ করা হয়।
‎
‎পরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে গোয়াইনঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিনই বিকেল ৪ টা ৫০ মিনিটে কামরুল ইসলাম মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-২৬, তারিখ: ২৩/০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
‎
‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, ঘটনার পর থেকেই আসামিরা আত্মগোপনে ছিল। র‍্যাবের ছায়া তদন্ত ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দক্ষিণ সুরমার লালাবাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিদের গোয়াইনঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
‎